

প্রতিবেদক, বিডিজেন

কুয়েতের অপরাধ তদন্ত ও অনুসন্ধান বিভাগের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার নায়েফ আল-মুতাইরি বলেছেন, কুয়েতের নাগরিক ও প্রবাসী—উভয়ের জন্যই বায়েমেট্রিক ফিঙ্গারপ্রিন্ট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এরই মধ্যে ৮ লাখ কুয়েতি নাগরিক বায়োমেট্রিক সম্পন্ন করেছেন এবং ১ লাখ ৭৫ হাজার বাকি রয়েছেন।
অন্যদিকে ১৮ লাখ ৬০ হাজার প্রবাসী বায়োমেট্রিক সম্পন্ন করেছেন। তবে এখনও প্রায় ৮ লাখ প্রবাসী বায়োমেট্রিক সম্পন্ন করেননি। তাদেরকে সতর্ক করেছে কুয়েত সরকার। আরব টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ সব তথ্য জানানো হয়েছে।
আল-আখবার টিভি চ্যানেলে দেওয়া বিৃবতিতে নায়েফ আল মুতাইরি বলেন, শয্যাশায়ী ব্যক্তি, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যক্তি এবং হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের কাছে লোক পাঠিয়ে ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেওয়া হচ্ছে।
বিবিৃতিতে আরও বলা হয়েছে, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কুয়েতি নাগরিকেরা এবং ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রবাসীরা বয়োমেট্রিক সম্পন্ন করতে পারবেন। এই সময়সীমার মধ্যে যারা বায়োমেট্রিক সম্পন্ন করবেন না, তাদের সমস্ত লেনদেন স্থগিত করা হবে।

কুয়েতের অপরাধ তদন্ত ও অনুসন্ধান বিভাগের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার নায়েফ আল-মুতাইরি বলেছেন, কুয়েতের নাগরিক ও প্রবাসী—উভয়ের জন্যই বায়েমেট্রিক ফিঙ্গারপ্রিন্ট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এরই মধ্যে ৮ লাখ কুয়েতি নাগরিক বায়োমেট্রিক সম্পন্ন করেছেন এবং ১ লাখ ৭৫ হাজার বাকি রয়েছেন।
অন্যদিকে ১৮ লাখ ৬০ হাজার প্রবাসী বায়োমেট্রিক সম্পন্ন করেছেন। তবে এখনও প্রায় ৮ লাখ প্রবাসী বায়োমেট্রিক সম্পন্ন করেননি। তাদেরকে সতর্ক করেছে কুয়েত সরকার। আরব টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ সব তথ্য জানানো হয়েছে।
আল-আখবার টিভি চ্যানেলে দেওয়া বিৃবতিতে নায়েফ আল মুতাইরি বলেন, শয্যাশায়ী ব্যক্তি, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যক্তি এবং হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের কাছে লোক পাঠিয়ে ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেওয়া হচ্ছে।
বিবিৃতিতে আরও বলা হয়েছে, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কুয়েতি নাগরিকেরা এবং ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রবাসীরা বয়োমেট্রিক সম্পন্ন করতে পারবেন। এই সময়সীমার মধ্যে যারা বায়োমেট্রিক সম্পন্ন করবেন না, তাদের সমস্ত লেনদেন স্থগিত করা হবে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।