
বিডিজেন ডেস্ক

মালয়েশিয়ার সড়ক দুর্ঘটনায় নুরনবী (৩২) নামে এক বাংলাদেশি শ্রমিক নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) কেলানতান রাজ্যের জালান গুয়া মুসাং লোজিং এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, ‘আত্মরক্ষার্থে’ পিকআপ থেকে লাফিয়ে পড়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
দেশটির অনলাইন পোর্টাল হারিয়ান মেট্রোর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন গুয়া মুসাং জেলা পুলিশ প্রধান সুপারিন্টেনডেন্ট সিক চুন ফু।
বিবৃতিতে চুন ফু বলেন, বৃহস্পতিবার ভোরে নিহত বাংলাদেশি পাহাংয়ের ক্যামেরন হাইল্যান্ডসের ব্লু ভ্যালি থেকে গুয়া মুসাংয়ের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় তার গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে লোহার ব্যারিয়ারে ধাক্কা লেগে রাস্তার বাম দিকে ঘুরে যায়। এ সময় নিজেকে বাঁচাতে পিকআপ থেকে লাফিয়ে পড়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে ঘটনাস্থলেই তার (নুরনবী) মৃত্যু হয়। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য গুয়া মুসাং হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগে পাঠানো হয়েছে।

মালয়েশিয়ার সড়ক দুর্ঘটনায় নুরনবী (৩২) নামে এক বাংলাদেশি শ্রমিক নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) কেলানতান রাজ্যের জালান গুয়া মুসাং লোজিং এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, ‘আত্মরক্ষার্থে’ পিকআপ থেকে লাফিয়ে পড়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
দেশটির অনলাইন পোর্টাল হারিয়ান মেট্রোর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন গুয়া মুসাং জেলা পুলিশ প্রধান সুপারিন্টেনডেন্ট সিক চুন ফু।
বিবৃতিতে চুন ফু বলেন, বৃহস্পতিবার ভোরে নিহত বাংলাদেশি পাহাংয়ের ক্যামেরন হাইল্যান্ডসের ব্লু ভ্যালি থেকে গুয়া মুসাংয়ের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় তার গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে লোহার ব্যারিয়ারে ধাক্কা লেগে রাস্তার বাম দিকে ঘুরে যায়। এ সময় নিজেকে বাঁচাতে পিকআপ থেকে লাফিয়ে পড়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে ঘটনাস্থলেই তার (নুরনবী) মৃত্যু হয়। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য গুয়া মুসাং হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগে পাঠানো হয়েছে।
দেশটির অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, সোমবার দুপুর প্রায় ১টা ৩০ মিনিটে শুরু হওয়া এ অভিযানে ২০ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়। তাদের সম্প্রতি কেলান্তানের একটি অবৈধ প্রবেশপথ দিয়ে মালয়েশিয়ায় আনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গাসান আল-নুয়াইমি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ত্রুটি সংশোধন না করলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওমরাহ খাতের নির্ভরযোগ্যতা বাড়ানো ও হাজিদের অধিকার সুরক্ষায় পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
খামেনি আরও বলেন, ‘আমরা কোনো যুদ্ধ শুরু করতে চাই না এবং কোনো দেশে আক্রমণের ইচ্ছাও আমাদের নেই। তবে যদি কেউ ইরানি জাতির ওপর হামলা চালায় কিংবা হয়রানি করার চেষ্টা করে, তবে তাদের ওপর পাল্টা কঠোর আঘাত হানা হবে।
বিক্ষোভ শুধু মিনেসোটায় সীমিত থাকেনি। গতকাল আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬টি অঙ্গরাজ্যে প্রায় ২৫০টি বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। বড় শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো ও ওয়াশিংটন।