
বিডিজেন ডেস্ক

আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত সুরক্ষা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে সৌদি আরবে এক সপ্তাহে গ্রেপ্তার হয়েছে ২২ হাজারের বেশি প্রবাসী। গত ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ২ অক্টোবর পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে সৌদি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের গ্রেপ্তার করেছে।
সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এসব তথ্য জানিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ।
আবাসন আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় ১৩ হাজার ৭৩১ জন, সীমান্ত নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনের কারণে ৪ হাজার ৮৭৩ জন এবং শ্রম আইন লঙ্ঘনের দায়ে ৩ হাজার ৪৯০ জন গ্রেপ্তার হয়েছে বলে সৌদির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে জানানো হয়, মোট ১৩ হাজার ৯৭৯ জনের বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ নেওয়া শুরু হয়ে গেছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৩৬৯ জন নারী।
সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সতর্ক করে বলেছে, অবৈধ প্রবাসীদের আশ্রয় ও পরিববহন সুবিধা দিলে তাদের ১৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও ১০ লাখ সৌদি রিয়াল জরিমানা হতে পারে।

আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত সুরক্ষা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে সৌদি আরবে এক সপ্তাহে গ্রেপ্তার হয়েছে ২২ হাজারের বেশি প্রবাসী। গত ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ২ অক্টোবর পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে সৌদি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের গ্রেপ্তার করেছে।
সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এসব তথ্য জানিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ।
আবাসন আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় ১৩ হাজার ৭৩১ জন, সীমান্ত নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনের কারণে ৪ হাজার ৮৭৩ জন এবং শ্রম আইন লঙ্ঘনের দায়ে ৩ হাজার ৪৯০ জন গ্রেপ্তার হয়েছে বলে সৌদির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে জানানো হয়, মোট ১৩ হাজার ৯৭৯ জনের বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ নেওয়া শুরু হয়ে গেছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৩৬৯ জন নারী।
সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সতর্ক করে বলেছে, অবৈধ প্রবাসীদের আশ্রয় ও পরিববহন সুবিধা দিলে তাদের ১৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও ১০ লাখ সৌদি রিয়াল জরিমানা হতে পারে।
দেশটির অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, সোমবার দুপুর প্রায় ১টা ৩০ মিনিটে শুরু হওয়া এ অভিযানে ২০ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়। তাদের সম্প্রতি কেলান্তানের একটি অবৈধ প্রবেশপথ দিয়ে মালয়েশিয়ায় আনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গাসান আল-নুয়াইমি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ত্রুটি সংশোধন না করলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওমরাহ খাতের নির্ভরযোগ্যতা বাড়ানো ও হাজিদের অধিকার সুরক্ষায় পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
খামেনি আরও বলেন, ‘আমরা কোনো যুদ্ধ শুরু করতে চাই না এবং কোনো দেশে আক্রমণের ইচ্ছাও আমাদের নেই। তবে যদি কেউ ইরানি জাতির ওপর হামলা চালায় কিংবা হয়রানি করার চেষ্টা করে, তবে তাদের ওপর পাল্টা কঠোর আঘাত হানা হবে।
বিক্ষোভ শুধু মিনেসোটায় সীমিত থাকেনি। গতকাল আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬টি অঙ্গরাজ্যে প্রায় ২৫০টি বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। বড় শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো ও ওয়াশিংটন।