
বিডিজেন ডেস্ক

কুয়েতে যানবাহনের গতিসীমা লঙ্ঘনকারীদের আইনের আওতায় আনতে বিশেষ ভূমিকা রাখছে স্মার্ট ট্রাফিক ক্যামেরা। এ তথ্য জানিয়েছে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম কুয়েত টাইমস।
এতে বলা হয়, গতিসীমা লঙ্ঘন করলে মুহূর্তের মধ্যে যানবাহনের প্ল্যাট নাম্বারের ছবি তুলে এই স্মার্ট ট্রাফিক ক্যামেরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্র গাড়িচালকদের সতর্ক করে জানায়, এই ধরনের ক্যামেরার সামনে গতিসীমা লঙ্ঘন করলে তা রেকর্ড হয়।
কুয়েতের ট্রাফিক বিভাগ জানায়, সূক্ষ্মভাবে গতি নির্ণয়ে সক্ষম এই ক্যামেরা। এছাড়া ক্যামেরার পাশ দিয়ে যাওয়ার পরেও একটি নির্দিষ্ট গতি বজায় রাখার প্রয়োজন। চালকদের জীবন রক্ষার জন্য ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে কুয়েত সরকার।
সূত্র জানায়, এসব ক্যামেরা প্রতি ঘণ্টায় ১০০টি ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনা শঙ্কা করছে। ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের কারণে কুয়েতে প্রতি মাসে প্রায় ৫০ লাখ কুয়েতি দিনার জরিমানা করা হয়।
কুয়েতের সরকারের তথ্য অনুযায়ী, বেশ কয়েকটি ভ্রাম্যমাণ নজরদারি ক্যামেরা এবং প্রায় ৪০০টি স্থায়ী নজরদারি ক্যামেরা স্থাপনের পর থেকে প্রায় ৪২ লাখ মিলিয়ন ট্রাফিক লঙ্ঘনের ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে।

কুয়েতে যানবাহনের গতিসীমা লঙ্ঘনকারীদের আইনের আওতায় আনতে বিশেষ ভূমিকা রাখছে স্মার্ট ট্রাফিক ক্যামেরা। এ তথ্য জানিয়েছে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম কুয়েত টাইমস।
এতে বলা হয়, গতিসীমা লঙ্ঘন করলে মুহূর্তের মধ্যে যানবাহনের প্ল্যাট নাম্বারের ছবি তুলে এই স্মার্ট ট্রাফিক ক্যামেরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্র গাড়িচালকদের সতর্ক করে জানায়, এই ধরনের ক্যামেরার সামনে গতিসীমা লঙ্ঘন করলে তা রেকর্ড হয়।
কুয়েতের ট্রাফিক বিভাগ জানায়, সূক্ষ্মভাবে গতি নির্ণয়ে সক্ষম এই ক্যামেরা। এছাড়া ক্যামেরার পাশ দিয়ে যাওয়ার পরেও একটি নির্দিষ্ট গতি বজায় রাখার প্রয়োজন। চালকদের জীবন রক্ষার জন্য ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে কুয়েত সরকার।
সূত্র জানায়, এসব ক্যামেরা প্রতি ঘণ্টায় ১০০টি ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনা শঙ্কা করছে। ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের কারণে কুয়েতে প্রতি মাসে প্রায় ৫০ লাখ কুয়েতি দিনার জরিমানা করা হয়।
কুয়েতের সরকারের তথ্য অনুযায়ী, বেশ কয়েকটি ভ্রাম্যমাণ নজরদারি ক্যামেরা এবং প্রায় ৪০০টি স্থায়ী নজরদারি ক্যামেরা স্থাপনের পর থেকে প্রায় ৪২ লাখ মিলিয়ন ট্রাফিক লঙ্ঘনের ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।