
বিডিজেন ডেস্ক
ইরানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী বন্দর আব্বাসে ভয়াবহ বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭০ জনে। এই ঘটনায় আহত হয়েছে ১ হাজার ২০০ জনের বেশি।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।
বিস্ফোরণটি গত শনিবার (২৬ এপ্রিল) বন্দর আব্বাসের শহীদ রাজয়ি অংশে হয়েছিল। এটি ইরানের সবচেয়ে বড় কন্টেইনার কেন্দ্র।
বিস্ফোরণের পর থেকেই আগুন নেভানোর চেষ্টা শুরু হয়। ইরানি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগুন এখন নিয়ন্ত্রণে আনা গেছে। বিস্ফোরণের ৪৮ ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। বাতাস ও কন্টেইনারের ভেতরে থাকা দাহ্য পদার্থের কারণে দফায় দফায় আগুন জ্বলছিল। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইএসএনএ জানিয়েছে, কিছু কন্টেইনার থেকে বিষাক্ত গ্যাসও নির্গমন হচ্ছিল।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম হরমুজগান প্রদেশের গভর্নরের বরাত দিয়ে বলেছে, ‘বিশাল আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পর উদ্ধার অভিযান চলছে।’ বন্দর আব্বাস এই হরমুজগান প্রদেশেই অবস্থিত। সংবাদমাধ্যমটি আরও জানিয়েছে, ‘কন্টেইনার সরাতে দুই সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।’
ইরানের আইএসএনএ দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এস্কান্দার মোমেনির বরাত দিয়ে বলেছে, বন্দরের শহীদ রাজয়ি অংশে আগুন নেভানোর জাতীয় পর্যায়ের কার্যক্রম শেষ হয়েছে। আগুন নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব এখন স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মোমেনি বলেছেন, ‘নিরাপত্তা প্রোটোকল না মানার ক্ষেত্রে ঘাটতি চিহ্নিত করা হয়েছে।’ তিনি আরও জানান, ‘দোষী কয়েকজনকে তলব করা হয়েছে।’
এই ঘটনার তদন্তে গঠিত কমিটির প্রাথমিক রিপোর্টে সিভিল ডিফেন্স এবং নিরাপত্তা নীতিমালা অনুসরণে ঘাটতি পাওয়া গেছে। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন হরমুজগানের গভর্নরের বরাত দিয়ে বলেছে, প্রায় ২২ জন নিখোঁজ। ২২ জনের মরদেহ এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
দেশের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি গত রোববার এই ঘটনা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। কোনো অবহেলা বা উদ্দেশ্য ছিল কি না, তা খুঁজে বের করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এটি ইঙ্গিত দেয় যে, কর্তৃপক্ষ নাশকতার আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছে না।
এই ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটেছে যখন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারমাণবিক আলোচনার তৃতীয় দফা শুরু করেছে ইরান। ওমানে এই আলোচনা চলছে। তবে দুটি ঘটনার মধ্যে কোনো যোগসূত্র থাকার ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। ইরানের অবকাঠামো যোগাযোগ সংস্থা সোমবার জানিয়েছে, বিস্ফোরণের পরদিন দেশের অবকাঠামোগুলোতে একটি বড় সাইবার হামলা প্রতিহত করা হয়েছে। তবে তারা এর বেশি বিস্তারিত জানায়নি।
কন্টেইনারে রাসায়নিক পদার্থ ভুলভাবে সংরক্ষণ করাকে বিস্ফোরণের সম্ভাব্য কারণ হিসেবে সন্দেহ করা হচ্ছে। সংকট ব্যবস্থাপনা সংস্থার এক মুখপাত্র গত শনিবার বলেছিলেন, বন্দরের সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে আগেই সতর্ক করা হয়েছিল। ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় রোববার আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট খারিজ করে দিয়েছে।
আরও পড়ুন
ইরানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী বন্দর আব্বাসে ভয়াবহ বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭০ জনে। এই ঘটনায় আহত হয়েছে ১ হাজার ২০০ জনের বেশি।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।
বিস্ফোরণটি গত শনিবার (২৬ এপ্রিল) বন্দর আব্বাসের শহীদ রাজয়ি অংশে হয়েছিল। এটি ইরানের সবচেয়ে বড় কন্টেইনার কেন্দ্র।
বিস্ফোরণের পর থেকেই আগুন নেভানোর চেষ্টা শুরু হয়। ইরানি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগুন এখন নিয়ন্ত্রণে আনা গেছে। বিস্ফোরণের ৪৮ ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। বাতাস ও কন্টেইনারের ভেতরে থাকা দাহ্য পদার্থের কারণে দফায় দফায় আগুন জ্বলছিল। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইএসএনএ জানিয়েছে, কিছু কন্টেইনার থেকে বিষাক্ত গ্যাসও নির্গমন হচ্ছিল।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম হরমুজগান প্রদেশের গভর্নরের বরাত দিয়ে বলেছে, ‘বিশাল আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পর উদ্ধার অভিযান চলছে।’ বন্দর আব্বাস এই হরমুজগান প্রদেশেই অবস্থিত। সংবাদমাধ্যমটি আরও জানিয়েছে, ‘কন্টেইনার সরাতে দুই সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।’
ইরানের আইএসএনএ দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এস্কান্দার মোমেনির বরাত দিয়ে বলেছে, বন্দরের শহীদ রাজয়ি অংশে আগুন নেভানোর জাতীয় পর্যায়ের কার্যক্রম শেষ হয়েছে। আগুন নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব এখন স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মোমেনি বলেছেন, ‘নিরাপত্তা প্রোটোকল না মানার ক্ষেত্রে ঘাটতি চিহ্নিত করা হয়েছে।’ তিনি আরও জানান, ‘দোষী কয়েকজনকে তলব করা হয়েছে।’
এই ঘটনার তদন্তে গঠিত কমিটির প্রাথমিক রিপোর্টে সিভিল ডিফেন্স এবং নিরাপত্তা নীতিমালা অনুসরণে ঘাটতি পাওয়া গেছে। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন হরমুজগানের গভর্নরের বরাত দিয়ে বলেছে, প্রায় ২২ জন নিখোঁজ। ২২ জনের মরদেহ এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
দেশের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি গত রোববার এই ঘটনা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। কোনো অবহেলা বা উদ্দেশ্য ছিল কি না, তা খুঁজে বের করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এটি ইঙ্গিত দেয় যে, কর্তৃপক্ষ নাশকতার আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছে না।
এই ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটেছে যখন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারমাণবিক আলোচনার তৃতীয় দফা শুরু করেছে ইরান। ওমানে এই আলোচনা চলছে। তবে দুটি ঘটনার মধ্যে কোনো যোগসূত্র থাকার ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। ইরানের অবকাঠামো যোগাযোগ সংস্থা সোমবার জানিয়েছে, বিস্ফোরণের পরদিন দেশের অবকাঠামোগুলোতে একটি বড় সাইবার হামলা প্রতিহত করা হয়েছে। তবে তারা এর বেশি বিস্তারিত জানায়নি।
কন্টেইনারে রাসায়নিক পদার্থ ভুলভাবে সংরক্ষণ করাকে বিস্ফোরণের সম্ভাব্য কারণ হিসেবে সন্দেহ করা হচ্ছে। সংকট ব্যবস্থাপনা সংস্থার এক মুখপাত্র গত শনিবার বলেছিলেন, বন্দরের সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে আগেই সতর্ক করা হয়েছিল। ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় রোববার আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট খারিজ করে দিয়েছে।
আরও পড়ুন
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।