
বিডিজেন ডেস্ক

ভারত ও পাকিস্তানকে দ্বিপক্ষীয় উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। দুই দেশের মধ্যে সরাসরি সংলাপের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন তিনি।
খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।
গতকাল বৃহস্পতিবার (৮ মে) পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে আলাদা ফোনালাপে তিনি এ আহ্বান জানান। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ট্যামি ব্রুস এ তথ্য জানিয়েছেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতের শেষভাগে ভারত–নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের জম্মু শহর নতুন করে বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে ওঠে। ভারতীয় সামরিক সূত্রগুলোর ধারণা, এটি সম্ভবত পাকিস্তানের চালানো ড্রোন হামলা।
এই বিস্ফোরণগুলো ঘটার আগেই, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ভারত ও পাকিস্তানের নেতাদের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ট্যামি ব্রুস এক বিবৃতিতে বলেন, ‘পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিও দুই দেশের নেতাদের সঙ্গে ফোনালাপে অবিলম্বে উত্তেজনা প্রশমনের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন।’
ট্যামি ব্রুস আরও বলেন, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সরাসরি সংলাপের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ণ সমর্থন আছে বলে জানিয়েছেন রুবিও। যোগাযোগ বাড়ানোর চলমান প্রচেষ্টাকে উৎসাহিত করেছেন তিনি।
ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ভারত-পাকিস্তান পাল্টাপাল্টি হামলা থামবে বলে তিনি আশা করেন। সংকট নিরসনে সাহায্য করতে তিনি প্রস্তুত আছেন। তবে উত্তেজনা নিরসনে ওয়াশিংটন আনুষ্ঠানিকভাবে মধ্যস্থতার প্রস্তাব দেয়নি।
ব্রুসের তথ্য অনুসারে, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করকে রুবিও বলেছেন, ‘সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভারতকে সহযোগিতা করতে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’ আর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে ফোনালাপে রুবিও বর্তমান সংঘাতে বেসামরিক প্রাণহানির ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি ইসলামাবাদকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর প্রতি সমর্থন বন্ধ করার আহ্বান জানান।
গত ২২ এপ্রিল ভারত-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পহেলগামে সন্ত্রাসীদের হামলার পর নয়াদিল্লি ও ইসলামাবাদের মধ্যে উত্তেজনা শুরু হয়। পহেলগামের হামলার জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করে ভারত, তবে পাকিস্তান সে অভিযোগ অস্বীকার করে। এর মধ্যে গত মঙ্গলবার দিবাগত রাতে পাকিস্তানের কয়েকটি জায়গায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ভারত। নয়াদিল্লির দাবি, তারা পাকিস্তান ও পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে ‘সন্ত্রাসী অবকাঠামোগুলোতে’ হামলা চালিয়েছে। পাকিস্তানও দাবি করেছে, তারা পাল্টা জবাব দিয়েছে।
দুই পরমাণু শক্তিধর প্রতিবেশীর মধ্যে চলমান উত্তেজনা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে দুই দশকের মধ্যে সবচেয়ে গুরুতর সামরিক সংকটের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে দুই দেশ।

ভারত ও পাকিস্তানকে দ্বিপক্ষীয় উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। দুই দেশের মধ্যে সরাসরি সংলাপের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন তিনি।
খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।
গতকাল বৃহস্পতিবার (৮ মে) পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে আলাদা ফোনালাপে তিনি এ আহ্বান জানান। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ট্যামি ব্রুস এ তথ্য জানিয়েছেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতের শেষভাগে ভারত–নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের জম্মু শহর নতুন করে বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে ওঠে। ভারতীয় সামরিক সূত্রগুলোর ধারণা, এটি সম্ভবত পাকিস্তানের চালানো ড্রোন হামলা।
এই বিস্ফোরণগুলো ঘটার আগেই, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ভারত ও পাকিস্তানের নেতাদের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ট্যামি ব্রুস এক বিবৃতিতে বলেন, ‘পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিও দুই দেশের নেতাদের সঙ্গে ফোনালাপে অবিলম্বে উত্তেজনা প্রশমনের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন।’
ট্যামি ব্রুস আরও বলেন, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সরাসরি সংলাপের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ণ সমর্থন আছে বলে জানিয়েছেন রুবিও। যোগাযোগ বাড়ানোর চলমান প্রচেষ্টাকে উৎসাহিত করেছেন তিনি।
ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ভারত-পাকিস্তান পাল্টাপাল্টি হামলা থামবে বলে তিনি আশা করেন। সংকট নিরসনে সাহায্য করতে তিনি প্রস্তুত আছেন। তবে উত্তেজনা নিরসনে ওয়াশিংটন আনুষ্ঠানিকভাবে মধ্যস্থতার প্রস্তাব দেয়নি।
ব্রুসের তথ্য অনুসারে, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করকে রুবিও বলেছেন, ‘সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভারতকে সহযোগিতা করতে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’ আর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে ফোনালাপে রুবিও বর্তমান সংঘাতে বেসামরিক প্রাণহানির ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি ইসলামাবাদকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর প্রতি সমর্থন বন্ধ করার আহ্বান জানান।
গত ২২ এপ্রিল ভারত-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পহেলগামে সন্ত্রাসীদের হামলার পর নয়াদিল্লি ও ইসলামাবাদের মধ্যে উত্তেজনা শুরু হয়। পহেলগামের হামলার জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করে ভারত, তবে পাকিস্তান সে অভিযোগ অস্বীকার করে। এর মধ্যে গত মঙ্গলবার দিবাগত রাতে পাকিস্তানের কয়েকটি জায়গায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ভারত। নয়াদিল্লির দাবি, তারা পাকিস্তান ও পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে ‘সন্ত্রাসী অবকাঠামোগুলোতে’ হামলা চালিয়েছে। পাকিস্তানও দাবি করেছে, তারা পাল্টা জবাব দিয়েছে।
দুই পরমাণু শক্তিধর প্রতিবেশীর মধ্যে চলমান উত্তেজনা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে দুই দশকের মধ্যে সবচেয়ে গুরুতর সামরিক সংকটের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে দুই দেশ।
দেশটির অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, সোমবার দুপুর প্রায় ১টা ৩০ মিনিটে শুরু হওয়া এ অভিযানে ২০ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়। তাদের সম্প্রতি কেলান্তানের একটি অবৈধ প্রবেশপথ দিয়ে মালয়েশিয়ায় আনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গাসান আল-নুয়াইমি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ত্রুটি সংশোধন না করলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওমরাহ খাতের নির্ভরযোগ্যতা বাড়ানো ও হাজিদের অধিকার সুরক্ষায় পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
খামেনি আরও বলেন, ‘আমরা কোনো যুদ্ধ শুরু করতে চাই না এবং কোনো দেশে আক্রমণের ইচ্ছাও আমাদের নেই। তবে যদি কেউ ইরানি জাতির ওপর হামলা চালায় কিংবা হয়রানি করার চেষ্টা করে, তবে তাদের ওপর পাল্টা কঠোর আঘাত হানা হবে।
বিক্ষোভ শুধু মিনেসোটায় সীমিত থাকেনি। গতকাল আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬টি অঙ্গরাজ্যে প্রায় ২৫০টি বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। বড় শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো ও ওয়াশিংটন।