
বিডিজেন ডেস্ক

উজবেকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ড. মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বুখারা রিজিয়নের গভর্নর জারিপভ বটির কমিলোভিচের সঙ্গে তাঁর কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেছেন।
এ সময় ডেপুটি গভর্নর আসডোভ রিজো রাউপোভিচ এবং গভর্নর অফিসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
শনিবার (২ নভেম্বর) উজবেকিস্তানের বাংলাদেশ দূতাবাস এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।
বৈঠকে বাংলাদেশ-উজবেকিস্তানের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং পর্যটন খাত সম্প্রসারণে কার্যকরী ও ফলপ্রসূ অবদান রাখতে পারে বলে রাষ্ট্রদূত মন্তব্য করেন।
ঐতিহাসিক সিল্ক রোডের অন্যতম কেন্দ্রস্থল বুখারায় ইমাম বুখারী জম্মভূমি, বাহাউদ্দিন নাক্সবন্দির সমাধিস্থল ও অন্য গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক স্থাপনাসমূহ বাংলাদেশের পর্যটকদের জন্য যেমন আকর্ষণীয়, তেমনি কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত, সুন্দরবন এবং শাহজালাল (রহ.)–এর মাজার উজবেকিস্তানের ভ্রমণ পিপাসুদের আকৃষ্ট করতে পারে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
দুই দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিষয়ে উল্লেখ করে বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক, পাট ও পাটজাত পণ্য ও ওষুধ আমদানি করতে বুখারার ব্যবসায়ী নেতাদের উৎসাহিত করতে রাষ্ট্রদূত গভর্নরকে অনুরোধ করেন।
দুই দেশের জনগণের মধ্যকার বিরাজমান বন্ধুত্বপূর্ণ এই সম্পর্ককে আরও দৃঢ় ও গভীর করতে তিনি বুখারার সঙ্গে বাংলাদেশের একটি শহরের মধ্যে ‘সিস্টার সিটি’ বিষয়ক সহযোগিতা স্মারক করার ওপর জোর দেন।
এছাড়াও বুখারায় তৈরি পোশাক, কার্পেট ও ওষুধ সেক্টরের ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে বাংলাদেশ ও উজবেকিস্তানের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের বিভিন্ন কৌশল ও পদক্ষেপ নিয়ে মতবিনিময় করেন রাষ্ট্রদূত ড. ইসলাম।

উজবেকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ড. মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বুখারা রিজিয়নের গভর্নর জারিপভ বটির কমিলোভিচের সঙ্গে তাঁর কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেছেন।
এ সময় ডেপুটি গভর্নর আসডোভ রিজো রাউপোভিচ এবং গভর্নর অফিসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
শনিবার (২ নভেম্বর) উজবেকিস্তানের বাংলাদেশ দূতাবাস এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।
বৈঠকে বাংলাদেশ-উজবেকিস্তানের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং পর্যটন খাত সম্প্রসারণে কার্যকরী ও ফলপ্রসূ অবদান রাখতে পারে বলে রাষ্ট্রদূত মন্তব্য করেন।
ঐতিহাসিক সিল্ক রোডের অন্যতম কেন্দ্রস্থল বুখারায় ইমাম বুখারী জম্মভূমি, বাহাউদ্দিন নাক্সবন্দির সমাধিস্থল ও অন্য গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক স্থাপনাসমূহ বাংলাদেশের পর্যটকদের জন্য যেমন আকর্ষণীয়, তেমনি কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত, সুন্দরবন এবং শাহজালাল (রহ.)–এর মাজার উজবেকিস্তানের ভ্রমণ পিপাসুদের আকৃষ্ট করতে পারে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
দুই দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিষয়ে উল্লেখ করে বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক, পাট ও পাটজাত পণ্য ও ওষুধ আমদানি করতে বুখারার ব্যবসায়ী নেতাদের উৎসাহিত করতে রাষ্ট্রদূত গভর্নরকে অনুরোধ করেন।
দুই দেশের জনগণের মধ্যকার বিরাজমান বন্ধুত্বপূর্ণ এই সম্পর্ককে আরও দৃঢ় ও গভীর করতে তিনি বুখারার সঙ্গে বাংলাদেশের একটি শহরের মধ্যে ‘সিস্টার সিটি’ বিষয়ক সহযোগিতা স্মারক করার ওপর জোর দেন।
এছাড়াও বুখারায় তৈরি পোশাক, কার্পেট ও ওষুধ সেক্টরের ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে বাংলাদেশ ও উজবেকিস্তানের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের বিভিন্ন কৌশল ও পদক্ষেপ নিয়ে মতবিনিময় করেন রাষ্ট্রদূত ড. ইসলাম।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।