
বিডিজেন ডেস্ক

ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের জম্মুতে বৃহস্পতিবার (৮ মে) একাধিক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। ভারতের সেনা সূত্র জানিয়েছে, পাকিস্তানের ড্রোন হামলায় এসব বিস্ফোরণ ঘটেছে বলে তারা সন্দেহ করছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স নয়াদিল্লি থেকে এ খবর দিয়েছে।
রয়টার্সের একজন সাংবাদিক বলেছেন, রাতে সাইরেন বাজার পাশাপাশি জম্মুর আকাশে লাল শিখা ও ‘প্রজেক্টাইল’ দেখা গেছে। নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়ে ভারতীয় একজন কর্মকর্তা বলেছেন, জম্মুর বেশ কয়েক জায়গা এবং পাশের শহর আখনুর, সাম্বা ও কাঠুয়ায় হামলা হয়েছে।
‘আমাদের সেনা স্থাপনাগুলো আক্রমণের মুখে পড়েছে। জম্মুর ৫ জেলায় এটা ঘটছে,’ বলেছেন ভারতীয় একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা।
তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এর আগে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মুহাম্মদ আসিফ বলেছিলেন, প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ ‘ক্রমে নিশ্চিত’ হচ্ছে। দুই দেশ একে অন্যের বিরুদ্ধে ড্রোন হামলা চালানোর অভিযোগ করার পর এ কথা বলেছিলেন তিনি।
গত ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পহেলগামে পর্যটকদের ওপর সন্ত্রাসীদের গুলিতে ২৬ জন নিহত হয়। এর জের ধরে ভারত ও পাকিস্তান একে অন্যের বিরুদ্ধে বেশ কিছু পাল্টাপাল্টি পদক্ষেপ নেয়। বিষয়টি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা চলার মধ্যে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে পাকিস্তানের পাঞ্জাব ও আজাদ কাশ্মীরের বেশ কয়েকটি জায়গায় ভারত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। ভারতের এ হামলায় ৩১ জন নিহত এবং অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছে বলে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী জানিয়েছে।
এর পর থেকে কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণরেখায় ভারত ও পাকিস্তানের সেনাদের মধ্যে গোলাগুলি হয়। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার পাকিস্তান জানায়, বুধবার রাতে ভারতের নিক্ষেপ করা ২৫টি ড্রোন ভূপাতিত করেছে তারা। অপর দিকে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ভারতের সেনাবাহিনীর স্থাপনা লক্ষ্য থেকে পাকিস্তান থেকে নিক্ষেপ করা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিষ্ক্রিয় করে দিয়েছে। এরপর রাতে ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে এসব বিস্ফোরণ ঘটল।

ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের জম্মুতে বৃহস্পতিবার (৮ মে) একাধিক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। ভারতের সেনা সূত্র জানিয়েছে, পাকিস্তানের ড্রোন হামলায় এসব বিস্ফোরণ ঘটেছে বলে তারা সন্দেহ করছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স নয়াদিল্লি থেকে এ খবর দিয়েছে।
রয়টার্সের একজন সাংবাদিক বলেছেন, রাতে সাইরেন বাজার পাশাপাশি জম্মুর আকাশে লাল শিখা ও ‘প্রজেক্টাইল’ দেখা গেছে। নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়ে ভারতীয় একজন কর্মকর্তা বলেছেন, জম্মুর বেশ কয়েক জায়গা এবং পাশের শহর আখনুর, সাম্বা ও কাঠুয়ায় হামলা হয়েছে।
‘আমাদের সেনা স্থাপনাগুলো আক্রমণের মুখে পড়েছে। জম্মুর ৫ জেলায় এটা ঘটছে,’ বলেছেন ভারতীয় একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা।
তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এর আগে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মুহাম্মদ আসিফ বলেছিলেন, প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ ‘ক্রমে নিশ্চিত’ হচ্ছে। দুই দেশ একে অন্যের বিরুদ্ধে ড্রোন হামলা চালানোর অভিযোগ করার পর এ কথা বলেছিলেন তিনি।
গত ২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পহেলগামে পর্যটকদের ওপর সন্ত্রাসীদের গুলিতে ২৬ জন নিহত হয়। এর জের ধরে ভারত ও পাকিস্তান একে অন্যের বিরুদ্ধে বেশ কিছু পাল্টাপাল্টি পদক্ষেপ নেয়। বিষয়টি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা চলার মধ্যে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে পাকিস্তানের পাঞ্জাব ও আজাদ কাশ্মীরের বেশ কয়েকটি জায়গায় ভারত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। ভারতের এ হামলায় ৩১ জন নিহত এবং অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছে বলে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী জানিয়েছে।
এর পর থেকে কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণরেখায় ভারত ও পাকিস্তানের সেনাদের মধ্যে গোলাগুলি হয়। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার পাকিস্তান জানায়, বুধবার রাতে ভারতের নিক্ষেপ করা ২৫টি ড্রোন ভূপাতিত করেছে তারা। অপর দিকে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ভারতের সেনাবাহিনীর স্থাপনা লক্ষ্য থেকে পাকিস্তান থেকে নিক্ষেপ করা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিষ্ক্রিয় করে দিয়েছে। এরপর রাতে ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে এসব বিস্ফোরণ ঘটল।
দেশটির অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, সোমবার দুপুর প্রায় ১টা ৩০ মিনিটে শুরু হওয়া এ অভিযানে ২০ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়। তাদের সম্প্রতি কেলান্তানের একটি অবৈধ প্রবেশপথ দিয়ে মালয়েশিয়ায় আনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গাসান আল-নুয়াইমি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ত্রুটি সংশোধন না করলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওমরাহ খাতের নির্ভরযোগ্যতা বাড়ানো ও হাজিদের অধিকার সুরক্ষায় পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
খামেনি আরও বলেন, ‘আমরা কোনো যুদ্ধ শুরু করতে চাই না এবং কোনো দেশে আক্রমণের ইচ্ছাও আমাদের নেই। তবে যদি কেউ ইরানি জাতির ওপর হামলা চালায় কিংবা হয়রানি করার চেষ্টা করে, তবে তাদের ওপর পাল্টা কঠোর আঘাত হানা হবে।
বিক্ষোভ শুধু মিনেসোটায় সীমিত থাকেনি। গতকাল আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬টি অঙ্গরাজ্যে প্রায় ২৫০টি বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। বড় শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো ও ওয়াশিংটন।