
বিডিজেন ডেস্ক

লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১২ জন প্যারামেডিক নিহত হয়েছেন। স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে সরাসরি জড়িত এসব ব্যক্তির নিহত হওয়ার ঘটনায় শোক জানিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মহাপরিচালক তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস।
খবর কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার।
আজ শনিবার (১৬ নভেম্বর) এক এক্স (সাবেক টুইটার) বার্তায় ডব্লিউএইচওর মহাপরিচালক জানান, লেবাননের আলবেক জেলা দোউরেস গ্রামের বেসামরিক প্রতিরক্ষাকেন্দ্রে বিমান হামলায় ১২ জন প্যারামেডিক নিহত হয়েছেন। কেন্দ্রটি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ডব্লিউএইচওর প্রধান তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস লেখেন, সংঘাতের সময় স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে হামলা এখন ‘নতুন স্বাভাবিক’ ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটা বন্ধ করতে হবে—সবখানেই।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনের গাজায় সর্বাত্মক যুদ্ধ শুরুর পর থেকে লেবাননে সময় ব্যাপক হামলা চালিয়ে আসছিল ইসরায়েল। তবে মাসখানেকের বেশি সময় ধরে ইসরায়েলি বাহিনী লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে জোর হামলা চালাচ্ছে। চালানো হচ্ছে স্থল অভিযানও।

লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান হামলায় ১২ জন প্যারামেডিক নিহত হয়েছেন। স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে সরাসরি জড়িত এসব ব্যক্তির নিহত হওয়ার ঘটনায় শোক জানিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মহাপরিচালক তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস।
খবর কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার।
আজ শনিবার (১৬ নভেম্বর) এক এক্স (সাবেক টুইটার) বার্তায় ডব্লিউএইচওর মহাপরিচালক জানান, লেবাননের আলবেক জেলা দোউরেস গ্রামের বেসামরিক প্রতিরক্ষাকেন্দ্রে বিমান হামলায় ১২ জন প্যারামেডিক নিহত হয়েছেন। কেন্দ্রটি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ডব্লিউএইচওর প্রধান তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুস লেখেন, সংঘাতের সময় স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে হামলা এখন ‘নতুন স্বাভাবিক’ ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটা বন্ধ করতে হবে—সবখানেই।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনের গাজায় সর্বাত্মক যুদ্ধ শুরুর পর থেকে লেবাননে সময় ব্যাপক হামলা চালিয়ে আসছিল ইসরায়েল। তবে মাসখানেকের বেশি সময় ধরে ইসরায়েলি বাহিনী লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে জোর হামলা চালাচ্ছে। চালানো হচ্ছে স্থল অভিযানও।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।