
বিডিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইরান থেকে একযোগে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে কাতার ও ইরাকে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোর দিকে।
যুক্তরাষ্ট্রের সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএনের একাধিক নিরাপত্তা প্রতিবেদকের বরাতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এবং চিফ অব জয়েন্ট স্টাফ ড্যান কেইন এখন হোয়াইট হাউসের সিচুয়েশন রুমে আছেন এবং পুরো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কাতারে অবস্থিত আল-উদেইদ বিমান ঘাঁটিতে হামলার হুমকির বিষয়ে আগে থেকেই সতর্ক ছিল প্রতিরক্ষা বিভাগ।
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক ঘাঁটি হচ্ছে আল-উদেইদ এয়ারবেস। এটি দোহা থেকে অল্প দূরত্বে অবস্থিত। মাত্র এক মাস আগে (১৭ মে) প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই ঘাঁটি সফর করেন। ২০০৩ সালের পর এই ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো প্রেসিডেন্টের এটি ছিল প্রথম সফর।
সেদিন ঘাঁটিতে সেনাদের উদ্দেশে ট্রাম্প বলেন, ‘আমেরিকাকে নিরাপদ, শক্তিশালী ও স্বাধীন রাখে এমন মানুষদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো ছাড়া উপসাগরীয় সফর অসম্পূর্ণ।’
ইরানের হামলার মূল লক্ষ্য কাতারের আল-উদেইদ এয়ারবেস এবং ইরাকের আইন আল-আসাদ ঘাঁটি। দুটি ঘাঁটিই অতীতে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনায় মুখ্য ছিল।
কাতারের রাজধানী দোহায় বিস্ফোরণের শব্দ
বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও এএফপি জানায়, কাতারের রাজধানী দোহার আকাশে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দোহার আকাশে এখন ফ্লেয়ার বা জ্বলন্ত গোলা ছোড়ার দৃশ্য দেখা যাচ্ছে, তবে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি—এটি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হয়েছে, নাকি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ঘটেছে। বিস্ফোরণের শব্দে রাজধানী দোহার বিভিন্ন অংশ কেঁপে উঠেছে।
কাতারের আকাশসীমা বন্ধ ঘোষণা
এর আগে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তপ্ত পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে হামলার আশঙ্কায় কাতারের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
ইরানের পক্ষ থেকে পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি পুনর্ব্যক্ত করার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
এর আগে কাতারে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের দূতাবাস তাদের নাগরিকদের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার নির্দেশ দিয়েছে।
নিরাপত্তাজনিত সতর্কতার অংশ হিসেবে মঙ্গলবার কাতারের বেশ কিছু স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইরান থেকে একযোগে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে কাতার ও ইরাকে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোর দিকে।
যুক্তরাষ্ট্রের সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএনের একাধিক নিরাপত্তা প্রতিবেদকের বরাতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এবং চিফ অব জয়েন্ট স্টাফ ড্যান কেইন এখন হোয়াইট হাউসের সিচুয়েশন রুমে আছেন এবং পুরো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কাতারে অবস্থিত আল-উদেইদ বিমান ঘাঁটিতে হামলার হুমকির বিষয়ে আগে থেকেই সতর্ক ছিল প্রতিরক্ষা বিভাগ।
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক ঘাঁটি হচ্ছে আল-উদেইদ এয়ারবেস। এটি দোহা থেকে অল্প দূরত্বে অবস্থিত। মাত্র এক মাস আগে (১৭ মে) প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই ঘাঁটি সফর করেন। ২০০৩ সালের পর এই ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো প্রেসিডেন্টের এটি ছিল প্রথম সফর।
সেদিন ঘাঁটিতে সেনাদের উদ্দেশে ট্রাম্প বলেন, ‘আমেরিকাকে নিরাপদ, শক্তিশালী ও স্বাধীন রাখে এমন মানুষদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো ছাড়া উপসাগরীয় সফর অসম্পূর্ণ।’
ইরানের হামলার মূল লক্ষ্য কাতারের আল-উদেইদ এয়ারবেস এবং ইরাকের আইন আল-আসাদ ঘাঁটি। দুটি ঘাঁটিই অতীতে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনায় মুখ্য ছিল।
কাতারের রাজধানী দোহায় বিস্ফোরণের শব্দ
বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও এএফপি জানায়, কাতারের রাজধানী দোহার আকাশে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দোহার আকাশে এখন ফ্লেয়ার বা জ্বলন্ত গোলা ছোড়ার দৃশ্য দেখা যাচ্ছে, তবে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি—এটি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হয়েছে, নাকি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ঘটেছে। বিস্ফোরণের শব্দে রাজধানী দোহার বিভিন্ন অংশ কেঁপে উঠেছে।
কাতারের আকাশসীমা বন্ধ ঘোষণা
এর আগে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তপ্ত পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে হামলার আশঙ্কায় কাতারের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
ইরানের পক্ষ থেকে পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি পুনর্ব্যক্ত করার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
এর আগে কাতারে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের দূতাবাস তাদের নাগরিকদের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার নির্দেশ দিয়েছে।
নিরাপত্তাজনিত সতর্কতার অংশ হিসেবে মঙ্গলবার কাতারের বেশ কিছু স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।