
বিডিজেন ডেস্ক

জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগামে সন্ত্রাসী হামলার পর উত্তেজনার মধ্যে পাকিস্তান থেকে সব ধরনের পণ্যের আমদানি নিষিদ্ধ করেছে ভারত। আজ শনিবার (৩ মে) দেশটির বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়। এ নিয়ে এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই সিদ্ধান্ত জাতীয় নিরাপত্তা ও জননীতির স্বার্থে নেওয়া হয়েছে।
খবর ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির।
কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে এনডিটিভি জানিয়েছে, পাকিস্তান থেকে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে আসা সব পণ্য—চিকিৎসা সামগ্রী, ফলমূল বা তেলবীজ—যতই অনুমোদিত হোক না কেন, এখন থেকে আমদানি নিষিদ্ধ থাকবে।
এই নিষেধাজ্ঞার আগেই ওয়াঘা-আটারি সীমান্ত বাণিজ্য পথ বন্ধ করা হয়েছিল।
পহেলগামে সম্প্রতি এক সন্ত্রাসী হামলায় ২৬ জন নিহত হয়। হামলার সঙ্গে পাকিস্তানের যোগসূত্র পাওয়া গেছে বলে ভারত দাবি করেছে। ভারত এরই মধ্যে সিন্ধু পানিচুক্তি স্থগিত করেছে, পাকিস্তানি নাগরিকদের সব ভিসা বাতিল করেছে এবং দ্বিপক্ষীয় কূটনৈতিক সম্পর্ক হ্রাস করেছে।

জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগামে সন্ত্রাসী হামলার পর উত্তেজনার মধ্যে পাকিস্তান থেকে সব ধরনের পণ্যের আমদানি নিষিদ্ধ করেছে ভারত। আজ শনিবার (৩ মে) দেশটির বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়। এ নিয়ে এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই সিদ্ধান্ত জাতীয় নিরাপত্তা ও জননীতির স্বার্থে নেওয়া হয়েছে।
খবর ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির।
কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে এনডিটিভি জানিয়েছে, পাকিস্তান থেকে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে আসা সব পণ্য—চিকিৎসা সামগ্রী, ফলমূল বা তেলবীজ—যতই অনুমোদিত হোক না কেন, এখন থেকে আমদানি নিষিদ্ধ থাকবে।
এই নিষেধাজ্ঞার আগেই ওয়াঘা-আটারি সীমান্ত বাণিজ্য পথ বন্ধ করা হয়েছিল।
পহেলগামে সম্প্রতি এক সন্ত্রাসী হামলায় ২৬ জন নিহত হয়। হামলার সঙ্গে পাকিস্তানের যোগসূত্র পাওয়া গেছে বলে ভারত দাবি করেছে। ভারত এরই মধ্যে সিন্ধু পানিচুক্তি স্থগিত করেছে, পাকিস্তানি নাগরিকদের সব ভিসা বাতিল করেছে এবং দ্বিপক্ষীয় কূটনৈতিক সম্পর্ক হ্রাস করেছে।
দেশটির অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, সোমবার দুপুর প্রায় ১টা ৩০ মিনিটে শুরু হওয়া এ অভিযানে ২০ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়। তাদের সম্প্রতি কেলান্তানের একটি অবৈধ প্রবেশপথ দিয়ে মালয়েশিয়ায় আনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গাসান আল-নুয়াইমি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ত্রুটি সংশোধন না করলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওমরাহ খাতের নির্ভরযোগ্যতা বাড়ানো ও হাজিদের অধিকার সুরক্ষায় পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
খামেনি আরও বলেন, ‘আমরা কোনো যুদ্ধ শুরু করতে চাই না এবং কোনো দেশে আক্রমণের ইচ্ছাও আমাদের নেই। তবে যদি কেউ ইরানি জাতির ওপর হামলা চালায় কিংবা হয়রানি করার চেষ্টা করে, তবে তাদের ওপর পাল্টা কঠোর আঘাত হানা হবে।
বিক্ষোভ শুধু মিনেসোটায় সীমিত থাকেনি। গতকাল আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬টি অঙ্গরাজ্যে প্রায় ২৫০টি বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। বড় শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো ও ওয়াশিংটন।