
বিডিজেন ডেস্ক

লেবাননের বিভিন্ন জায়গায় শুক্রবার (১৬ নভেম্বর) ইসরায়েলের চালানো বিভিন্ন হামলায় কমপক্ষে ৫৯ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ১৮২ জন।
দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় শনিবার এ তথ্য জানিয়েছে।
খবর কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার।
দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাতে আল–জাজিরা জানিয়েছে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় ৩ হাজার ৪৪৫ জন নিহত হয়েছেন। আর আহত মানুষের সংখ্যা ১৫ হাজার ৫৯৯।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজায় যুদ্ধ শুরুর পর থেকে লেবাননে সময় সময় হামলা চালিয়ে আসছিল ইসরায়েল। তবে এক মাসের বেশি সময় ধরে তারা লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে জোরালো হামলা চালাচ্ছে।
আরও পড়ুন

লেবাননের বিভিন্ন জায়গায় শুক্রবার (১৬ নভেম্বর) ইসরায়েলের চালানো বিভিন্ন হামলায় কমপক্ষে ৫৯ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ১৮২ জন।
দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় শনিবার এ তথ্য জানিয়েছে।
খবর কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার।
দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাতে আল–জাজিরা জানিয়েছে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় ৩ হাজার ৪৪৫ জন নিহত হয়েছেন। আর আহত মানুষের সংখ্যা ১৫ হাজার ৫৯৯।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজায় যুদ্ধ শুরুর পর থেকে লেবাননে সময় সময় হামলা চালিয়ে আসছিল ইসরায়েল। তবে এক মাসের বেশি সময় ধরে তারা লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে জোরালো হামলা চালাচ্ছে।
আরও পড়ুন
দেশটির অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, সোমবার দুপুর প্রায় ১টা ৩০ মিনিটে শুরু হওয়া এ অভিযানে ২০ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়। তাদের সম্প্রতি কেলান্তানের একটি অবৈধ প্রবেশপথ দিয়ে মালয়েশিয়ায় আনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গাসান আল-নুয়াইমি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ত্রুটি সংশোধন না করলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওমরাহ খাতের নির্ভরযোগ্যতা বাড়ানো ও হাজিদের অধিকার সুরক্ষায় পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
খামেনি আরও বলেন, ‘আমরা কোনো যুদ্ধ শুরু করতে চাই না এবং কোনো দেশে আক্রমণের ইচ্ছাও আমাদের নেই। তবে যদি কেউ ইরানি জাতির ওপর হামলা চালায় কিংবা হয়রানি করার চেষ্টা করে, তবে তাদের ওপর পাল্টা কঠোর আঘাত হানা হবে।
বিক্ষোভ শুধু মিনেসোটায় সীমিত থাকেনি। গতকাল আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬টি অঙ্গরাজ্যে প্রায় ২৫০টি বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। বড় শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো ও ওয়াশিংটন।