
বিডিজেন ডেস্ক

ইরানে চলমান বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা অন্তত ৫ হাজার বলে দেশটির একজন আঞ্চলিক সরকারি কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছে।
এক প্রতিবেদনে বার্তা সংস্থা রয়টার্স ওই আঞ্চলিক সরকারি কর্মকর্তার বরাতে জানিয়েছে, এই তালিকায় প্রায় ৫০০ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যও রয়েছে। ওই কর্মকর্তা ‘সন্ত্রাসী’ ও ‘সশস্ত্র দাঙ্গাকারীদের’ এই হত্যাকাণ্ডের জন্য দায়ী করেছেন।
পরিচয় গোপন রাখার শর্তে ওই কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘর্ষ এবং নিহতের ঘটনা ঘটেছে উত্তর-পশ্চিম ইরানের কুর্দি অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে। এই অঞ্চলে কুর্দি সমর্থিতরা আগে থেকেই সক্রিয় ছিল।
ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, “নিহতের এই সংখ্যা আর খুব একটা বাড়ার সম্ভাবনা নেই।” পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেন, বিক্ষোভকারীদের ইসরায়েল এবং বিদেশের সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো সহায়তা ও অস্ত্র সরবরাহ করেছে।
অন্যদিকে, আমেরিকাভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ স্থানীয় সময় শনিবার জানিয়েছে, তাদের হিসেবে নিহতের সংখ্যা ৩ হাজার ৩০৮ জন এবং আরও ৪ হাজার ৩৮২টি মৃত্যুর ঘটনা তারা খতিয়ে দেখছে। সংস্থাটির দাবি, এখন পর্যন্ত ২৪ হাজারের বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
নরওয়েভিত্তিক কুর্দি মানবাধিকার সংস্থা এইচইএনজিএডাব্লিউ জানিয়েছে, ডিসেম্বর মাসের শেষের দিকে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভে উত্তর-পশ্চিমের কুর্দি এলাকাগুলোতেই সবচেয়ে বেশি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
তবে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য সানডে টাইমস জানিয়েছে, কমপক্ষে ১৬ হাজার ৫০০-এর বেশি মানুষ নিহত এবং ৩৩ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছে।
ইরান সরকার সাধারণত যেকোনো অস্থিরতার জন্য তাদের বিদেশি শত্রু, ইসরায়েলকে দায়ী করে থাকে। গত জুনেও ইসরায়েল ইরানে সামরিক হামলা চালিয়েছিল।

ইরানে চলমান বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা অন্তত ৫ হাজার বলে দেশটির একজন আঞ্চলিক সরকারি কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছে।
এক প্রতিবেদনে বার্তা সংস্থা রয়টার্স ওই আঞ্চলিক সরকারি কর্মকর্তার বরাতে জানিয়েছে, এই তালিকায় প্রায় ৫০০ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যও রয়েছে। ওই কর্মকর্তা ‘সন্ত্রাসী’ ও ‘সশস্ত্র দাঙ্গাকারীদের’ এই হত্যাকাণ্ডের জন্য দায়ী করেছেন।
পরিচয় গোপন রাখার শর্তে ওই কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘর্ষ এবং নিহতের ঘটনা ঘটেছে উত্তর-পশ্চিম ইরানের কুর্দি অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে। এই অঞ্চলে কুর্দি সমর্থিতরা আগে থেকেই সক্রিয় ছিল।
ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, “নিহতের এই সংখ্যা আর খুব একটা বাড়ার সম্ভাবনা নেই।” পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেন, বিক্ষোভকারীদের ইসরায়েল এবং বিদেশের সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো সহায়তা ও অস্ত্র সরবরাহ করেছে।
অন্যদিকে, আমেরিকাভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ স্থানীয় সময় শনিবার জানিয়েছে, তাদের হিসেবে নিহতের সংখ্যা ৩ হাজার ৩০৮ জন এবং আরও ৪ হাজার ৩৮২টি মৃত্যুর ঘটনা তারা খতিয়ে দেখছে। সংস্থাটির দাবি, এখন পর্যন্ত ২৪ হাজারের বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
নরওয়েভিত্তিক কুর্দি মানবাধিকার সংস্থা এইচইএনজিএডাব্লিউ জানিয়েছে, ডিসেম্বর মাসের শেষের দিকে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভে উত্তর-পশ্চিমের কুর্দি এলাকাগুলোতেই সবচেয়ে বেশি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
তবে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য সানডে টাইমস জানিয়েছে, কমপক্ষে ১৬ হাজার ৫০০-এর বেশি মানুষ নিহত এবং ৩৩ হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছে।
ইরান সরকার সাধারণত যেকোনো অস্থিরতার জন্য তাদের বিদেশি শত্রু, ইসরায়েলকে দায়ী করে থাকে। গত জুনেও ইসরায়েল ইরানে সামরিক হামলা চালিয়েছিল।
দেশটির অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, সোমবার দুপুর প্রায় ১টা ৩০ মিনিটে শুরু হওয়া এ অভিযানে ২০ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়। তাদের সম্প্রতি কেলান্তানের একটি অবৈধ প্রবেশপথ দিয়ে মালয়েশিয়ায় আনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গাসান আল-নুয়াইমি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ত্রুটি সংশোধন না করলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওমরাহ খাতের নির্ভরযোগ্যতা বাড়ানো ও হাজিদের অধিকার সুরক্ষায় পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
খামেনি আরও বলেন, ‘আমরা কোনো যুদ্ধ শুরু করতে চাই না এবং কোনো দেশে আক্রমণের ইচ্ছাও আমাদের নেই। তবে যদি কেউ ইরানি জাতির ওপর হামলা চালায় কিংবা হয়রানি করার চেষ্টা করে, তবে তাদের ওপর পাল্টা কঠোর আঘাত হানা হবে।
বিক্ষোভ শুধু মিনেসোটায় সীমিত থাকেনি। গতকাল আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬টি অঙ্গরাজ্যে প্রায় ২৫০টি বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। বড় শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো ও ওয়াশিংটন।