
জাহিদ হোসেন জনি, কুয়েত থেকে

কুয়েত চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (কেসিসিআই) আমন্ত্রণে বাংলাদেশ থেকে একটি উচ্চপর্যায়ের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল কুয়েত সফরে আসছে। প্রতিনিধিদলটি কেসিসিআই–এর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবে।
কুয়েতের বাংলাদেশ দূতাবাস বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের কুয়েত সফরকালে প্রবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভার আয়োজন করেছে।

আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর (বুধবার) স্থানীয় সময় বিকেলে দূতাবাসের মাল্টিপারপাস হলরুমে কুয়েতপ্রবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে প্রতিনিধিদলের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবে।
দূতাবাসের কাউন্সেলর ও দূতালয় প্রধান মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আগ্রহী প্রবাসী ব্যবসায়ীদের নিজ নাম, সিভিল আইডি নম্বর ও প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ করে [email protected] ইমেইলে নিবন্ধন করতে হবে।

কুয়েত চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (কেসিসিআই) আমন্ত্রণে বাংলাদেশ থেকে একটি উচ্চপর্যায়ের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল কুয়েত সফরে আসছে। প্রতিনিধিদলটি কেসিসিআই–এর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবে।
কুয়েতের বাংলাদেশ দূতাবাস বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের কুয়েত সফরকালে প্রবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভার আয়োজন করেছে।

আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর (বুধবার) স্থানীয় সময় বিকেলে দূতাবাসের মাল্টিপারপাস হলরুমে কুয়েতপ্রবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে প্রতিনিধিদলের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবে।
দূতাবাসের কাউন্সেলর ও দূতালয় প্রধান মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আগ্রহী প্রবাসী ব্যবসায়ীদের নিজ নাম, সিভিল আইডি নম্বর ও প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ করে [email protected] ইমেইলে নিবন্ধন করতে হবে।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।