
বিডিজেন ডেস্ক

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে আগামী বুধবার থেকে মেট্রোরেলের চলাচল আংশিকভাবে শুরু হবে। সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে আজ শনিবার এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, বিশ্বের দীর্ঘতম রুটের চালকবিহীন এই মেট্রোরেল প্রথম পর্যায়ে ২৭ নভেম্বর থেকে তিনটি লাইনে চলবে। বাকি তিনটি লাইন ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকে চালু হবে।
রিয়াদের এই দ্রুত পরিবহন ব্যবস্থাটিতে ৮৫ টি স্টেশনসহ মোট ১৭৬ কিলোমিটার বিস্তৃত ৬ টি মেট্রো লাইন থাকছে। প্রকল্প নির্মাণে খরচ হচ্ছে ২২.৫ বিলিয়ন ডলার।
স্থানীয় দৈনিক আলেকতিসাদিয়া অনুসারে, বিশ্বের সর্ববৃহৎ গণপরিবহন ব্যবস্থার র্যাংকিংয়ে স্থান করে নেওয়া রিয়াদ মেট্রোরেল চলতি বছরের অক্টোবরেই চালু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু রিয়াদ মেট্রো কোম্পানি পরে এই সময় স্থগিত করে।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে যাত্রীরা শহরের সড়ক নেটওয়ার্কের প্রায় অর্ধেক জুড়ে যাতায়াত করতে পারবে।
২০১৩ সালে, সৌদি সরকার রিয়াদ মেট্রোর নকশা ও নির্মাণের জন্য যুক্তরাষ্ট্র, স্পেন ও ইতালির কয়েকটি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করে।

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে আগামী বুধবার থেকে মেট্রোরেলের চলাচল আংশিকভাবে শুরু হবে। সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে আজ শনিবার এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, বিশ্বের দীর্ঘতম রুটের চালকবিহীন এই মেট্রোরেল প্রথম পর্যায়ে ২৭ নভেম্বর থেকে তিনটি লাইনে চলবে। বাকি তিনটি লাইন ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকে চালু হবে।
রিয়াদের এই দ্রুত পরিবহন ব্যবস্থাটিতে ৮৫ টি স্টেশনসহ মোট ১৭৬ কিলোমিটার বিস্তৃত ৬ টি মেট্রো লাইন থাকছে। প্রকল্প নির্মাণে খরচ হচ্ছে ২২.৫ বিলিয়ন ডলার।
স্থানীয় দৈনিক আলেকতিসাদিয়া অনুসারে, বিশ্বের সর্ববৃহৎ গণপরিবহন ব্যবস্থার র্যাংকিংয়ে স্থান করে নেওয়া রিয়াদ মেট্রোরেল চলতি বছরের অক্টোবরেই চালু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু রিয়াদ মেট্রো কোম্পানি পরে এই সময় স্থগিত করে।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে যাত্রীরা শহরের সড়ক নেটওয়ার্কের প্রায় অর্ধেক জুড়ে যাতায়াত করতে পারবে।
২০১৩ সালে, সৌদি সরকার রিয়াদ মেট্রোর নকশা ও নির্মাণের জন্য যুক্তরাষ্ট্র, স্পেন ও ইতালির কয়েকটি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।