
বিডিজেন ডেস্ক

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানাডার নাগরিক ডলি বেগম দেশটির ওন্টারিও প্রাদেশিক পার্লামেন্টের নির্বাচনে তৃতীয়বারের মতো বিজয়ী হয়েছেন। নির্বাচনে টরন্টোর স্কারবরো সাউথওয়েস্ট নির্বাচনী আসন থেকে নিউ ডেমোক্রেটিক পার্টির (এনডিপি) প্রার্থী হিসেবে তিনি জয়ী হন।
এর আগে ডলি ২০১৮ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে প্রথম এবং ২০২২ সালে দ্বিতীয়বার নির্বাচিত হয়েছিলেন। কানাডার তিন স্তরের সরকার পদ্ধতির কোনো আইন পরিষদে তিনিই প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নিউ ডেমোক্র্যাট।
ডলি বেগম বাংলাদেশের মৌলভীবাজার জেলায় জন্মগ্রহণ করেছেন। তিনি পরিবারের সঙ্গে শৈশবে কানাডায় পাড়ি জমান ও স্কারবরোতে স্থায়ী হন। তিনি টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক এবং ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন থেকে উন্নয়ন, প্রশাসন ও পরিকল্পনা বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
রাজনীতিতে আসার আগে ডলি প্রদেশব্যাপী কিপ হাইড্রো পাবলিক প্রচারণার প্রধান সমন্বয়ক ছিলেন, যা সফলভাবে টরন্টো হাইড্রো ও ওয়াসাগা ডিস্ট্রিবিউশনের বেসরকারিকরণ বন্ধ করে দেন। তিনি স্কারবোরো হেলথ কোয়ালিশনের সাবেক কো-চেয়ার এবং ওয়ার্ডেন উডস কমিউনিটি সেন্টারের ভাইস-চেয়ার, যেখানে তিনি স্কারবোরোর মানুষের জীবনকে আরও উন্নত করতে কঠোর পরিশ্রম করেছেন।
টরন্টোর স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নতুন আসা অভিবাসী ও কমিউনিটির প্রতি আন্তরিকতাই ডলিকে এমন সাফল্য এনে দিয়েছে।

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানাডার নাগরিক ডলি বেগম দেশটির ওন্টারিও প্রাদেশিক পার্লামেন্টের নির্বাচনে তৃতীয়বারের মতো বিজয়ী হয়েছেন। নির্বাচনে টরন্টোর স্কারবরো সাউথওয়েস্ট নির্বাচনী আসন থেকে নিউ ডেমোক্রেটিক পার্টির (এনডিপি) প্রার্থী হিসেবে তিনি জয়ী হন।
এর আগে ডলি ২০১৮ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে প্রথম এবং ২০২২ সালে দ্বিতীয়বার নির্বাচিত হয়েছিলেন। কানাডার তিন স্তরের সরকার পদ্ধতির কোনো আইন পরিষদে তিনিই প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নিউ ডেমোক্র্যাট।
ডলি বেগম বাংলাদেশের মৌলভীবাজার জেলায় জন্মগ্রহণ করেছেন। তিনি পরিবারের সঙ্গে শৈশবে কানাডায় পাড়ি জমান ও স্কারবরোতে স্থায়ী হন। তিনি টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক এবং ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন থেকে উন্নয়ন, প্রশাসন ও পরিকল্পনা বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
রাজনীতিতে আসার আগে ডলি প্রদেশব্যাপী কিপ হাইড্রো পাবলিক প্রচারণার প্রধান সমন্বয়ক ছিলেন, যা সফলভাবে টরন্টো হাইড্রো ও ওয়াসাগা ডিস্ট্রিবিউশনের বেসরকারিকরণ বন্ধ করে দেন। তিনি স্কারবোরো হেলথ কোয়ালিশনের সাবেক কো-চেয়ার এবং ওয়ার্ডেন উডস কমিউনিটি সেন্টারের ভাইস-চেয়ার, যেখানে তিনি স্কারবোরোর মানুষের জীবনকে আরও উন্নত করতে কঠোর পরিশ্রম করেছেন।
টরন্টোর স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নতুন আসা অভিবাসী ও কমিউনিটির প্রতি আন্তরিকতাই ডলিকে এমন সাফল্য এনে দিয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।