
মাহবুব সরকার, আবুধাবি থেকে

সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) ৫৪তম জাতীয় দিবসে (ঈদ আল ইত্তিহাদ) সবচেয়ে বড় পুরস্কার হিসেবে নতুন গাড়ি জিতেছেন দুবাইয়ে কর্মরত বাংলাদেশি কাঠমিস্ত্রি মোহাম্মদ সজল মিন্টু (৩২)। তিনি যশোর জেলার অধিবাসী। পাঁচ বছর আগে তিনি নিজের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য দুবাইয়ে আসেন।

মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) সংযুক্ত আরব আমিরাতের জাতীয় দিবস ঈদ আল ইতত্তিহাদ উপলক্ষে দেশটির মানবসম্পদ ও আমিরাতীকরণ মন্ত্রণালয় বিভিন্ন ধরনের প্রতিযোগিতা ও র্যাফেল ড্র আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠান আরব আমিরাতের ৩০টিরও বেশি স্থানে অনুষ্ঠিত হয়। এ আয়োজনে দেশটিতে কর্মরত ২ লাখের বেশি শ্রমিক বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলা, আনন্দ প্রতিযোগিতা, প্রতিভা প্রদর্শনী, র্যাফেল ড্র এবং উপহার বিতরণ অনুষ্ঠানে অংশ নেন। মোহাম্মদ সজল মিন্টুও একটি প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলেন।

এই পুরস্কার পাওয়ার পর মোহাম্মদ সজল স্থানীয় গণমাধ্যম খালিজ টাইমসকে এক সাক্ষাৎকারে বলেন, “সংযুক্ত আরব আমিরাত আমার দ্বিতীয় বাড়ি। এখানে আমার চাকরির কারণে, আমি আমার পরিবারের জন্য ভালোভাবে খরচ চালাতে পারি।”
তিনি আগামী বছরের শুরুতে তার স্ত্রী ও বাচ্চাদের সঙ্গে দেখা করতে যাবেন। তাদের জন্য তিনি সাধারণ উপহার ও কিছু দুবাই চকলেট নিয়ে যাবেন।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) ৫৪তম জাতীয় দিবসে (ঈদ আল ইত্তিহাদ) সবচেয়ে বড় পুরস্কার হিসেবে নতুন গাড়ি জিতেছেন দুবাইয়ে কর্মরত বাংলাদেশি কাঠমিস্ত্রি মোহাম্মদ সজল মিন্টু (৩২)। তিনি যশোর জেলার অধিবাসী। পাঁচ বছর আগে তিনি নিজের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য দুবাইয়ে আসেন।

মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) সংযুক্ত আরব আমিরাতের জাতীয় দিবস ঈদ আল ইতত্তিহাদ উপলক্ষে দেশটির মানবসম্পদ ও আমিরাতীকরণ মন্ত্রণালয় বিভিন্ন ধরনের প্রতিযোগিতা ও র্যাফেল ড্র আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠান আরব আমিরাতের ৩০টিরও বেশি স্থানে অনুষ্ঠিত হয়। এ আয়োজনে দেশটিতে কর্মরত ২ লাখের বেশি শ্রমিক বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলা, আনন্দ প্রতিযোগিতা, প্রতিভা প্রদর্শনী, র্যাফেল ড্র এবং উপহার বিতরণ অনুষ্ঠানে অংশ নেন। মোহাম্মদ সজল মিন্টুও একটি প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলেন।

এই পুরস্কার পাওয়ার পর মোহাম্মদ সজল স্থানীয় গণমাধ্যম খালিজ টাইমসকে এক সাক্ষাৎকারে বলেন, “সংযুক্ত আরব আমিরাত আমার দ্বিতীয় বাড়ি। এখানে আমার চাকরির কারণে, আমি আমার পরিবারের জন্য ভালোভাবে খরচ চালাতে পারি।”
তিনি আগামী বছরের শুরুতে তার স্ত্রী ও বাচ্চাদের সঙ্গে দেখা করতে যাবেন। তাদের জন্য তিনি সাধারণ উপহার ও কিছু দুবাই চকলেট নিয়ে যাবেন।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।