
বিডিজেন ডেস্ক

যুক্তরাজ্যের সাবেক মন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিক দেশটির গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানকে বলেছেন, বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও তাঁর খালার (শেখ হাসিনা) মধ্যে দ্বন্দ্ব আছে। এর জেরে তিনি ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
রোববার (১০ আগস্ট) গার্ডিয়ানে টিউলিপ সিদ্দিকের একটি সাক্ষাৎকার প্রকাশ হয়েছে। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন গার্ডিয়ানের প্রধান প্রতিবেদক ড্যানিয়েল বফি। সাক্ষাৎকারের শেষাংশে টিউলিপ দ্বন্দ্ব সম্পর্কিত ওই মন্তব্য করেন।
এ বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব ও সিটি মন্ত্রী ছিলেন টিউলিপ। তিনি দেশটির প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের বেশ ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিতি। সাক্ষাৎকারের শুরুতে টিউলিপ সম্পর্কে বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্যের হ্যাম্পস্টেড ও হাইগেটের এই এমপি ঢাকার পূর্বাচলে প্রভাব খাটিয়ে নিজের মা, ভাই ও বোনের জন্য একটি প্লট দখলে নিয়েছেন। এরপরই টিউলিপ সিদ্দিকের বক্তব্য যোগ করা হয়েছে। টিউলিপ বলেছেন, ‘এটি পুরোপুরি হাস্যকর।’
সাক্ষাৎকারে টিউলিপকে জিজ্ঞেস করা হয় ১১ আগস্ট মামলার শুনানিতে কি তিনি সরাসরি বা ভার্চুয়ালি যুক্ত হবেন? জবাবে টিউলিপ বলেন, ‘আমি এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক তলবপত্র দেখিনি। আমি কয়েক দিনের মধ্যেই একটি সাজানো বিচারের মুখোমুখি হতে যাচ্ছি। অথচ এখনো জানি না আমার বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো কী কী।’
যুক্তরাজ্যে টিউলিপ এখন তাঁর স্বামী ক্রিস পার্সি ও দুই সন্তান নিয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন করছেন। গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের প্রসঙ্গ তোলা হলে টিউলিপ বলেন, ‘আমি এখানে আমার খালাকে রক্ষা করতে আসিনি। আমি জানি তার (শেখ হাসিনা) সরকারের কীভাবে পতন হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। আমি প্রত্যাশা রাখি, বাংলাদেশের মানুষ তাদের কাঙ্ক্ষিত সমাধান পাবে।’ সাক্ষাৎকারের এক পর্যায়ে টিউলিপ অভিযোগ করেন, বাংলাদেশের নোংরা রাজনীতি তাঁর জীবন বদলে দিয়েছে।

গার্ডিয়ানের প্রধান প্রতিবেদক সাক্ষাৎকারের বিবরণীতে লিখেছেন, কিছু ওয়েবসাইটের প্রতিবেদন অনুযায়ী, টিউলিপ তাঁর খালার মাধ্যমে রাশিয়ান এক কোম্পানি থেকে ৫ বিলিয়ন ইউএস ডলার আত্মসাৎ করেছেন। চুক্তিটি ছিল বাংলাদেশে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ সংশ্লিষ্ট। ২০১৩ সালে মস্কোতে তোলা শেখ হাসিনা, ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে টিউলিপের একটি ছবি অনিয়মের সন্দেহকে নতুন করে উসকে দেয়।
ছবিটি প্রসঙ্গে টিউলিপ বলেছেন, ‘আমার খালা তখন রাষ্ট্রীয় সফরে রাশিয়ায় গিয়েছিলেন। তাকে দেখতে আমি ও আমার বোন লন্ডন থেকে সেখানে যাই। আমি কোনো ধরনের রাজনৈতিক আলোচনায় জড়িত ছিলাম না। আমরা ঘুরে বেড়াচ্ছিলাম, আনন্দ করছিলাম। সফরের শেষ দিনে, রাজনীতিবিদ এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। ছবিটি তখনই তোলা হয়। পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাতের মুহুর্তটি ছিল মাত্র দুই মিনিটের।’
সাক্ষাৎকারের বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়েছে, চলতি বছর অধ্যাপক ইউনূসের যুক্তরাজ্য সফরের সময় তাঁর সঙ্গে সাক্ষাতের চেষ্টা করেন টিউলিপ। তবে অধ্যাপক ইউনুস তা প্রত্যাখ্যান করেন। যুক্তরাজ্যের অর্গানাইজড ক্রাইম এজেন্সি শেখ হাসিনার সঙ্গে সম্পর্কিত ২ ব্যক্তির লন্ডনের প্রায় ৯০ মিলিয়ন পাউন্ড মূল্যের সম্পত্তি জব্দ করেছে। এর মধ্যে একটিতে টিউলিপ সিদ্দিকের মা বাস করতেন এবং এখনো তাদের কিছু জিনিসপত্র সেখানে আছে। এ প্রসঙ্গে টিউলিপ বলেন, ‘এটার সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই।’

যুক্তরাজ্যের সাবেক মন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিক দেশটির গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানকে বলেছেন, বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও তাঁর খালার (শেখ হাসিনা) মধ্যে দ্বন্দ্ব আছে। এর জেরে তিনি ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
রোববার (১০ আগস্ট) গার্ডিয়ানে টিউলিপ সিদ্দিকের একটি সাক্ষাৎকার প্রকাশ হয়েছে। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন গার্ডিয়ানের প্রধান প্রতিবেদক ড্যানিয়েল বফি। সাক্ষাৎকারের শেষাংশে টিউলিপ দ্বন্দ্ব সম্পর্কিত ওই মন্তব্য করেন।
এ বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব ও সিটি মন্ত্রী ছিলেন টিউলিপ। তিনি দেশটির প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের বেশ ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিতি। সাক্ষাৎকারের শুরুতে টিউলিপ সম্পর্কে বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্যের হ্যাম্পস্টেড ও হাইগেটের এই এমপি ঢাকার পূর্বাচলে প্রভাব খাটিয়ে নিজের মা, ভাই ও বোনের জন্য একটি প্লট দখলে নিয়েছেন। এরপরই টিউলিপ সিদ্দিকের বক্তব্য যোগ করা হয়েছে। টিউলিপ বলেছেন, ‘এটি পুরোপুরি হাস্যকর।’
সাক্ষাৎকারে টিউলিপকে জিজ্ঞেস করা হয় ১১ আগস্ট মামলার শুনানিতে কি তিনি সরাসরি বা ভার্চুয়ালি যুক্ত হবেন? জবাবে টিউলিপ বলেন, ‘আমি এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক তলবপত্র দেখিনি। আমি কয়েক দিনের মধ্যেই একটি সাজানো বিচারের মুখোমুখি হতে যাচ্ছি। অথচ এখনো জানি না আমার বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো কী কী।’
যুক্তরাজ্যে টিউলিপ এখন তাঁর স্বামী ক্রিস পার্সি ও দুই সন্তান নিয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন করছেন। গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের প্রসঙ্গ তোলা হলে টিউলিপ বলেন, ‘আমি এখানে আমার খালাকে রক্ষা করতে আসিনি। আমি জানি তার (শেখ হাসিনা) সরকারের কীভাবে পতন হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে। আমি প্রত্যাশা রাখি, বাংলাদেশের মানুষ তাদের কাঙ্ক্ষিত সমাধান পাবে।’ সাক্ষাৎকারের এক পর্যায়ে টিউলিপ অভিযোগ করেন, বাংলাদেশের নোংরা রাজনীতি তাঁর জীবন বদলে দিয়েছে।

গার্ডিয়ানের প্রধান প্রতিবেদক সাক্ষাৎকারের বিবরণীতে লিখেছেন, কিছু ওয়েবসাইটের প্রতিবেদন অনুযায়ী, টিউলিপ তাঁর খালার মাধ্যমে রাশিয়ান এক কোম্পানি থেকে ৫ বিলিয়ন ইউএস ডলার আত্মসাৎ করেছেন। চুক্তিটি ছিল বাংলাদেশে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ সংশ্লিষ্ট। ২০১৩ সালে মস্কোতে তোলা শেখ হাসিনা, ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে টিউলিপের একটি ছবি অনিয়মের সন্দেহকে নতুন করে উসকে দেয়।
ছবিটি প্রসঙ্গে টিউলিপ বলেছেন, ‘আমার খালা তখন রাষ্ট্রীয় সফরে রাশিয়ায় গিয়েছিলেন। তাকে দেখতে আমি ও আমার বোন লন্ডন থেকে সেখানে যাই। আমি কোনো ধরনের রাজনৈতিক আলোচনায় জড়িত ছিলাম না। আমরা ঘুরে বেড়াচ্ছিলাম, আনন্দ করছিলাম। সফরের শেষ দিনে, রাজনীতিবিদ এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। ছবিটি তখনই তোলা হয়। পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাতের মুহুর্তটি ছিল মাত্র দুই মিনিটের।’
সাক্ষাৎকারের বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়েছে, চলতি বছর অধ্যাপক ইউনূসের যুক্তরাজ্য সফরের সময় তাঁর সঙ্গে সাক্ষাতের চেষ্টা করেন টিউলিপ। তবে অধ্যাপক ইউনুস তা প্রত্যাখ্যান করেন। যুক্তরাজ্যের অর্গানাইজড ক্রাইম এজেন্সি শেখ হাসিনার সঙ্গে সম্পর্কিত ২ ব্যক্তির লন্ডনের প্রায় ৯০ মিলিয়ন পাউন্ড মূল্যের সম্পত্তি জব্দ করেছে। এর মধ্যে একটিতে টিউলিপ সিদ্দিকের মা বাস করতেন এবং এখনো তাদের কিছু জিনিসপত্র সেখানে আছে। এ প্রসঙ্গে টিউলিপ বলেন, ‘এটার সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই।’
জি-৭ নেতারা চুক্তিকে সমর্থন জানান। সেই সঙ্গে চুক্তি বাস্তবায়নে কাজ করার কথাও জানান। অধিবেশনে দ্রুত হরমুজ প্রণালি আবার চালু করা এবং এই জলপথের বিকল্প জ্বালানি পরিবহন রুট খুঁজে বের করার বিষয়েও আলোচনা হয়।
আজ সোমবার (১৫ জুন) স্থানীয় সময় ভোররাতে শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে চুক্তির বিষয়ে জানান।
গতকাল বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক ব্রিফিংয়ে আমেরিকান কর্মকর্তারা জানান, এ চুক্তির আওতায় ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে। বিনিময়ে ইরানের নৌ-পরিবহনের ওপর থেকে আমেরিকান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। পদক্ষেপগুলো প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর করা হবে।
শহরের কেন্দ্রের কাছাকাছি একটি ভবনেও আগুন লাগানো হয়। বাসিন্দারা সংবাদ সংস্থা এএফপিকে জানান, বিক্ষোভকারীরা প্রথমে ময়লার বিনে আগুন দেয় এবং পরে পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করে।