
জাহিদ হোসেন জনি, কুয়েত থেকে

কুয়েতে চলমান শৈত্যপ্রবাহে অতিমাত্রায় ঠান্ডায় প্রবাসী ও স্থানীয় নাগরিকদের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। মরুভূমি অঞ্চলে বসবাসকারী প্রবাসীসহ সকলকে আবহাওয়া অফিস থেকে সতর্ক বার্তা দেওয়া হয়েছে।
কুয়েতে এ বছর সবচেয়ে কম তাপমাত্রা অনুভূত হয়েছে ফেব্রুয়ারিতে। আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, সাইবেরিয়ান মেরুতে তীব্র শৈত্যপ্রবাহের ফলে কুয়েতের তাপমাত্রা অস্বাভাবিক কমে গেছে।
আবহাওয়াবিদ ইসা রমজান জানিয়েছেন, মাতারাবায় তাপমাত্রা মাইনাস ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সালমিতে মাইনাস ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস অনুভূত হয়েছে। যদিও ওই দুই স্থানে প্রকৃত তাপমাত্রা মাইনাস ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।
এদিকে কুয়েত সিটিতে তাপমাত্রা ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস অনুভূত হলেও প্রকৃত সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
কুয়েতে গত ৬০ বছরে এ রকম শীত দেখা যায়নি বলে জানিয়েছে দেশটির আবহাওয়া বিভাগ।

কুয়েতে চলমান শৈত্যপ্রবাহে অতিমাত্রায় ঠান্ডায় প্রবাসী ও স্থানীয় নাগরিকদের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। মরুভূমি অঞ্চলে বসবাসকারী প্রবাসীসহ সকলকে আবহাওয়া অফিস থেকে সতর্ক বার্তা দেওয়া হয়েছে।
কুয়েতে এ বছর সবচেয়ে কম তাপমাত্রা অনুভূত হয়েছে ফেব্রুয়ারিতে। আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, সাইবেরিয়ান মেরুতে তীব্র শৈত্যপ্রবাহের ফলে কুয়েতের তাপমাত্রা অস্বাভাবিক কমে গেছে।
আবহাওয়াবিদ ইসা রমজান জানিয়েছেন, মাতারাবায় তাপমাত্রা মাইনাস ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সালমিতে মাইনাস ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস অনুভূত হয়েছে। যদিও ওই দুই স্থানে প্রকৃত তাপমাত্রা মাইনাস ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।
এদিকে কুয়েত সিটিতে তাপমাত্রা ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস অনুভূত হলেও প্রকৃত সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
কুয়েতে গত ৬০ বছরে এ রকম শীত দেখা যায়নি বলে জানিয়েছে দেশটির আবহাওয়া বিভাগ।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।