
বিডিজেন ডেস্ক

কেনিয়ার মোমবাসার জুমভু এলাকার জনবহুল ‘বাংলাদেশ সেটেলমেন্ট’-এ যানজট নিরসন এবং বাসিন্দাদের নিরাপত্তায় একটি নতুন ৪ দশমিক ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। এই সড়কটি এলাকার ব্যবসায়ী ও স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে স্বস্তি আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।
কেনিয়ার পত্রিকা দ্য স্ট্যান্ডার্ডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বুধবার (৯ জুলাই) এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সড়কটি উদ্বোধন করা হয়। নামকরণ করা হয়েছে ‘কেনেডি ওদেদে একসেস রোড’।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মোমবাসা গভর্নর আবদুস্সামাদ নাসির এবং জুমভু’র সংসদ সদস্য বাদি তালিবসহ স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
ড. কেনেডি ওদেদে কেনিয়াজুড়ে বসতি এলাকার বাসিন্দাদের জীবনমান উন্নয়নে কাজের জন্য পরিচিত। জুমভু’র সংসদ সদস্য বাদি তালিব জানান, এই নামকরণটি মোমবাসা উপকূলীয় অঞ্চলসহ কেনিয়ার বসতিগুলোতে মানুষের জীবনমান উন্নত করতে ড. ওদেদের প্রতিশ্রুতির স্বীকৃতি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তালিব বলেন, ‘এটি কেবল একটি সড়ক নয়, এটি বাংলাদেশ ওয়ার্ড এবং পুরো মোমবাসার প্রতিটি তরুণদের জন্য একটি বার্তা যে, আপনার হাতে কিছু না থাকলেও আপনি এমন কিছু তৈরি করতে পারেন যা বিশ্ব পরিবর্তন করে।’
ড. কেনেডি ওদেদে ‘শাইনিং হোপ ফর কমিউনিটিজ’-প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও। তাঁর সংস্থা মোমবাসায় বিভিন্নভাবে ক্ষমতায়ন কর্মসূচি পরিচালনা করে। এই কর্মসূচির মধ্যে স্কুল লাইব্রেরি, কম্পিউটার ল্যাব, কমিউনিটি হল এবং নারীদের জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ রয়েছে।
উল্লেখ্য, কেনিয়ার মোমবাসা শহরের ‘বাংলাদেশ সেটেলমেন্ট’ একটি দ্রুত বর্ধনশীল অনানুষ্ঠানিক শহুরে জনবসতি। এই এলাকাটি অবকাঠামো এবং পরিষেবা বিতরণে গুরুতর চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি।
এটি একটি ঘনবসতিপূর্ণ অঞ্চল, যেখানে বিপুলসংখ্যক মানুষ অনানুষ্ঠানিক কর্মসংস্থানের ওপর নির্ভরশীল। এলাকাটি জনাকীর্ণ এবং সেখানে পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থার সংকট এবং মৌলিক পরিষেবার অপর্যাপ্ততার মতো সমস্যা রয়েছে।
এই জনবসতির নাম ‘বাংলাদেশ’ হলেও, এর সঙ্গে বাংলাদেশ দেশের কোনো সরাসরি সংযোগ নেই। এটি কেবল মোমবাসার ওইই নির্দিষ্ট বসতিটির একটি অনানুষ্ঠানিক নামকরণ।
তবে এর নামকরণ বাংলাদেশ থেকে আগত অভিবাসীদের সম্মানে রাখা হয়েছে বলে জানা যায়।

কেনিয়ার মোমবাসার জুমভু এলাকার জনবহুল ‘বাংলাদেশ সেটেলমেন্ট’-এ যানজট নিরসন এবং বাসিন্দাদের নিরাপত্তায় একটি নতুন ৪ দশমিক ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। এই সড়কটি এলাকার ব্যবসায়ী ও স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে স্বস্তি আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।
কেনিয়ার পত্রিকা দ্য স্ট্যান্ডার্ডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বুধবার (৯ জুলাই) এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সড়কটি উদ্বোধন করা হয়। নামকরণ করা হয়েছে ‘কেনেডি ওদেদে একসেস রোড’।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মোমবাসা গভর্নর আবদুস্সামাদ নাসির এবং জুমভু’র সংসদ সদস্য বাদি তালিবসহ স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
ড. কেনেডি ওদেদে কেনিয়াজুড়ে বসতি এলাকার বাসিন্দাদের জীবনমান উন্নয়নে কাজের জন্য পরিচিত। জুমভু’র সংসদ সদস্য বাদি তালিব জানান, এই নামকরণটি মোমবাসা উপকূলীয় অঞ্চলসহ কেনিয়ার বসতিগুলোতে মানুষের জীবনমান উন্নত করতে ড. ওদেদের প্রতিশ্রুতির স্বীকৃতি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তালিব বলেন, ‘এটি কেবল একটি সড়ক নয়, এটি বাংলাদেশ ওয়ার্ড এবং পুরো মোমবাসার প্রতিটি তরুণদের জন্য একটি বার্তা যে, আপনার হাতে কিছু না থাকলেও আপনি এমন কিছু তৈরি করতে পারেন যা বিশ্ব পরিবর্তন করে।’
ড. কেনেডি ওদেদে ‘শাইনিং হোপ ফর কমিউনিটিজ’-প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও। তাঁর সংস্থা মোমবাসায় বিভিন্নভাবে ক্ষমতায়ন কর্মসূচি পরিচালনা করে। এই কর্মসূচির মধ্যে স্কুল লাইব্রেরি, কম্পিউটার ল্যাব, কমিউনিটি হল এবং নারীদের জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ রয়েছে।
উল্লেখ্য, কেনিয়ার মোমবাসা শহরের ‘বাংলাদেশ সেটেলমেন্ট’ একটি দ্রুত বর্ধনশীল অনানুষ্ঠানিক শহুরে জনবসতি। এই এলাকাটি অবকাঠামো এবং পরিষেবা বিতরণে গুরুতর চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি।
এটি একটি ঘনবসতিপূর্ণ অঞ্চল, যেখানে বিপুলসংখ্যক মানুষ অনানুষ্ঠানিক কর্মসংস্থানের ওপর নির্ভরশীল। এলাকাটি জনাকীর্ণ এবং সেখানে পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থার সংকট এবং মৌলিক পরিষেবার অপর্যাপ্ততার মতো সমস্যা রয়েছে।
এই জনবসতির নাম ‘বাংলাদেশ’ হলেও, এর সঙ্গে বাংলাদেশ দেশের কোনো সরাসরি সংযোগ নেই। এটি কেবল মোমবাসার ওইই নির্দিষ্ট বসতিটির একটি অনানুষ্ঠানিক নামকরণ।
তবে এর নামকরণ বাংলাদেশ থেকে আগত অভিবাসীদের সম্মানে রাখা হয়েছে বলে জানা যায়।
দেশটির অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, সোমবার দুপুর প্রায় ১টা ৩০ মিনিটে শুরু হওয়া এ অভিযানে ২০ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়। তাদের সম্প্রতি কেলান্তানের একটি অবৈধ প্রবেশপথ দিয়ে মালয়েশিয়ায় আনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গাসান আল-নুয়াইমি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ত্রুটি সংশোধন না করলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওমরাহ খাতের নির্ভরযোগ্যতা বাড়ানো ও হাজিদের অধিকার সুরক্ষায় পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
খামেনি আরও বলেন, ‘আমরা কোনো যুদ্ধ শুরু করতে চাই না এবং কোনো দেশে আক্রমণের ইচ্ছাও আমাদের নেই। তবে যদি কেউ ইরানি জাতির ওপর হামলা চালায় কিংবা হয়রানি করার চেষ্টা করে, তবে তাদের ওপর পাল্টা কঠোর আঘাত হানা হবে।
বিক্ষোভ শুধু মিনেসোটায় সীমিত থাকেনি। গতকাল আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬টি অঙ্গরাজ্যে প্রায় ২৫০টি বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। বড় শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো ও ওয়াশিংটন।