
বিডিজেন ডেস্ক

নিষেধাজ্ঞা থাকলেও সৌদি আরবে মেটার মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম হোয়াটসঅ্যাপে ভয়েস এবং ভিডিও কল ফিচার ব্যবহার করতে পারছেন ব্যবহারকারীরা। আজ রোববার এ তথ্য জানিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ।
তবে এটি পরীক্ষামূলক বা স্থায়ী পরিবর্তন কি না তা নিশ্চিত করেনি কর্তৃপক্ষ ।
প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ আবদুল্লাহ আল সুবাই জানিয়েছেন, এই পদক্ষেপটি টেলিযোগাযোগ এবং ডিজিটাল অবকাঠামো বাড়ানোর জন্য সৌদি আরবের প্রচেষ্টার অংশ। তবে না জানিয়ে এই ফিচার চালু করায় এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিশেষজ্ঞরা।
বিশ্বের অন্যতম বহুল ব্যবহৃত মেসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপ ২০১৫ সালে ভয়েস কল এবং ২০১৬ সালে ভিডিও কল ফিচার চালু করে। তবে নিয়ন্ত্রণমূলক নীতির কারণে সৌদি আরবে এই ফিচারগুলো কার্যকর ছিল না।
২০২৪ সালের মার্চে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সৌদি সরকার বিভিন্ন অ্যাপ যেমন স্কাইপ, ভাইবার, ইমো, হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে অডিও-ভিডিও কল করার ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবে। তবে কর্তৃপক্ষ পরে তা অস্বীকার করে।

নিষেধাজ্ঞা থাকলেও সৌদি আরবে মেটার মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম হোয়াটসঅ্যাপে ভয়েস এবং ভিডিও কল ফিচার ব্যবহার করতে পারছেন ব্যবহারকারীরা। আজ রোববার এ তথ্য জানিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ।
তবে এটি পরীক্ষামূলক বা স্থায়ী পরিবর্তন কি না তা নিশ্চিত করেনি কর্তৃপক্ষ ।
প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ আবদুল্লাহ আল সুবাই জানিয়েছেন, এই পদক্ষেপটি টেলিযোগাযোগ এবং ডিজিটাল অবকাঠামো বাড়ানোর জন্য সৌদি আরবের প্রচেষ্টার অংশ। তবে না জানিয়ে এই ফিচার চালু করায় এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিশেষজ্ঞরা।
বিশ্বের অন্যতম বহুল ব্যবহৃত মেসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপ ২০১৫ সালে ভয়েস কল এবং ২০১৬ সালে ভিডিও কল ফিচার চালু করে। তবে নিয়ন্ত্রণমূলক নীতির কারণে সৌদি আরবে এই ফিচারগুলো কার্যকর ছিল না।
২০২৪ সালের মার্চে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সৌদি সরকার বিভিন্ন অ্যাপ যেমন স্কাইপ, ভাইবার, ইমো, হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে অডিও-ভিডিও কল করার ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবে। তবে কর্তৃপক্ষ পরে তা অস্বীকার করে।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।