
রফিক আহমদ খান, মালয়েশিয়া

অসুস্থ এক মালয়েশিয়াপ্রবাসীর পরিচয় জানতে চায় কুয়ালালামপুরের বাংলাদেশ হাইকমিশন।
বুধবার (৫ নভেম্বর) বাংলাদেশ হাইকমিশনের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে ওই প্রবাসীর ছবি সংযুক্ত করে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তার নাম ঠিকানা জানতে চেয়েছে।

হাইকমিশনের ফেসবুক পেজে বলা হয়, ‘মালয়েশিয়ায় বসবাসরত সকল প্রবাসীদের জানানো যাচ্ছে, ছবির ব্যক্তিকে গত ৩১ অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৫টায় কুয়ালালামপুরের বাংলাদেশ হাইকমিশনের কার্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে অসুস্থ অবস্থায় পাওয়া যায়। তার সঙ্গে কোনো আইডেনটিটি ডকুমেন্ট (পাসপোর্ট, এনআইডি কার্ড) বা মোবাইল ফোন পাওয়া যায়নি। বাংলাদেশ হাইকমিশন তাৎক্ষণিকভাবে তাকে নিকটস্থ হাসপাতালে (হসপিটাল কুয়ালালামপুর) ভর্তি করার ব্যবস্থা গ্রহণ করে এবং বর্তমানে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন। হাসপাতালে দায়িত্বরত চিকিৎসকের মতামত অনুযায়ী তিনি মানসিকভাবে সুস্থ নন, তিনি স্বাভাবিক কথা বলতে পারছেন না। এমনকি নিজের নামও বলতে পারেননি। তার হাত ও পায়ের আঘাতের চিকিৎসা চলছে। বাংলাদেশ হাইকমিশনের পক্ষ থেকে নিয়মিত হাসপাতাল ও চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।
‘প্রবাসী বাংলাদেশি কারও কাছে তার সম্পর্কে কোনো তথ্য থাকলে বা তার আত্মীয়-স্বজনদের পরিচয় জানা থাকলে এ সংক্রান্ত তথ্য হাইকমিশনকে জানানোর জন্য অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।’

অসুস্থ এক মালয়েশিয়াপ্রবাসীর পরিচয় জানতে চায় কুয়ালালামপুরের বাংলাদেশ হাইকমিশন।
বুধবার (৫ নভেম্বর) বাংলাদেশ হাইকমিশনের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে ওই প্রবাসীর ছবি সংযুক্ত করে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তার নাম ঠিকানা জানতে চেয়েছে।

হাইকমিশনের ফেসবুক পেজে বলা হয়, ‘মালয়েশিয়ায় বসবাসরত সকল প্রবাসীদের জানানো যাচ্ছে, ছবির ব্যক্তিকে গত ৩১ অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৫টায় কুয়ালালামপুরের বাংলাদেশ হাইকমিশনের কার্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে অসুস্থ অবস্থায় পাওয়া যায়। তার সঙ্গে কোনো আইডেনটিটি ডকুমেন্ট (পাসপোর্ট, এনআইডি কার্ড) বা মোবাইল ফোন পাওয়া যায়নি। বাংলাদেশ হাইকমিশন তাৎক্ষণিকভাবে তাকে নিকটস্থ হাসপাতালে (হসপিটাল কুয়ালালামপুর) ভর্তি করার ব্যবস্থা গ্রহণ করে এবং বর্তমানে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন। হাসপাতালে দায়িত্বরত চিকিৎসকের মতামত অনুযায়ী তিনি মানসিকভাবে সুস্থ নন, তিনি স্বাভাবিক কথা বলতে পারছেন না। এমনকি নিজের নামও বলতে পারেননি। তার হাত ও পায়ের আঘাতের চিকিৎসা চলছে। বাংলাদেশ হাইকমিশনের পক্ষ থেকে নিয়মিত হাসপাতাল ও চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।
‘প্রবাসী বাংলাদেশি কারও কাছে তার সম্পর্কে কোনো তথ্য থাকলে বা তার আত্মীয়-স্বজনদের পরিচয় জানা থাকলে এ সংক্রান্ত তথ্য হাইকমিশনকে জানানোর জন্য অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।’
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।