
বিডিজেন ডেস্ক

বাংলাদেশসহ ৩ দেশে উন্নয়ন কর্মসূচিতে সহায়তা বন্ধ করতে যাচ্ছে সুইজারল্যান্ড সরকার। অন্য ২ দেশ হলো আলবেনিয়া ও জাম্বিয়া।
বুধবার (২৯ জানুয়ারি) সুইজারল্যান্ডের সংবাদমাধ্যম সুইস ইনফোর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈদেশিক সহায়তার জন্য সুইস সরকার যে পরিমাণ অর্থ চেয়েছিল, তার চেয়ে কম অর্থ বরাদ্দ করেছে দেশটির পার্লামেন্ট। এর প্রেক্ষিতে ৩ দেশে উন্নয়নসহায়তা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সুইজারল্যান্ডের সরকার।
পার্লামেন্টে আন্তর্জাতিক সহায়তা কাটছাঁটের সিদ্ধান্ত গত বুধবার সুইজারল্যান্ডের নির্বাহী সংস্থা ফেডারেল কাউন্সিলকে জানানো হয়। এর ফলে সুইস এজেন্সি ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কো-অপারেশন (এসডিসি) ২০২৮ সালের পর বাংলাদেশ, আলবেনিয়া ও জাম্বিয়ায় দ্বিপক্ষীয় উন্নয়ন কর্মসূচি বন্ধ করে দেবে।
এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পার্লামেন্ট ২০২৫ সালের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাজেট থেকে ১১ কোটি সুইস ফ্রাঁ (১২ কোটি ১০ লাখ ইউএস ডলার) কাটছাঁট করেছে। এ ছাড়া, ২০২৬ থেকে ২০২৮ সাল নাগাদ আর্থিক পরিকল্পনা থেকে ৩২ কোটি ১০ লাখ সুইস ফ্রাঁ কাটছাঁট করা হয়েছে। এতে সুইস সরকারের দ্বিপক্ষীয়, অর্থনৈতিক ও বিষয়ভিত্তিক সহযোগিতার পাশাপাশি বহুপক্ষীয় সংস্থা মিলিয়ে গৃহীত কর্মসূচির ওপর প্রভাব পড়বে।
এ ছাড়া, ২০২৫ থেকে ২০২৮ সাল নাগাদ দেশ, বিষয়ভিত্তিক কর্মসূচি ও সংস্থাসমূহে তহবিল সরবরাহের ক্ষেত্রেও বড় ধরনের কাটছাঁট করা হবে। অবশ্য মানবিক সহায়তা, শান্তিরক্ষা কার্যক্রম এবং ইউক্রেনের প্রতি সহায়তা এই সিদ্ধান্তের বাইরে থাকবে।

বাংলাদেশসহ ৩ দেশে উন্নয়ন কর্মসূচিতে সহায়তা বন্ধ করতে যাচ্ছে সুইজারল্যান্ড সরকার। অন্য ২ দেশ হলো আলবেনিয়া ও জাম্বিয়া।
বুধবার (২৯ জানুয়ারি) সুইজারল্যান্ডের সংবাদমাধ্যম সুইস ইনফোর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈদেশিক সহায়তার জন্য সুইস সরকার যে পরিমাণ অর্থ চেয়েছিল, তার চেয়ে কম অর্থ বরাদ্দ করেছে দেশটির পার্লামেন্ট। এর প্রেক্ষিতে ৩ দেশে উন্নয়নসহায়তা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সুইজারল্যান্ডের সরকার।
পার্লামেন্টে আন্তর্জাতিক সহায়তা কাটছাঁটের সিদ্ধান্ত গত বুধবার সুইজারল্যান্ডের নির্বাহী সংস্থা ফেডারেল কাউন্সিলকে জানানো হয়। এর ফলে সুইস এজেন্সি ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কো-অপারেশন (এসডিসি) ২০২৮ সালের পর বাংলাদেশ, আলবেনিয়া ও জাম্বিয়ায় দ্বিপক্ষীয় উন্নয়ন কর্মসূচি বন্ধ করে দেবে।
এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পার্লামেন্ট ২০২৫ সালের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাজেট থেকে ১১ কোটি সুইস ফ্রাঁ (১২ কোটি ১০ লাখ ইউএস ডলার) কাটছাঁট করেছে। এ ছাড়া, ২০২৬ থেকে ২০২৮ সাল নাগাদ আর্থিক পরিকল্পনা থেকে ৩২ কোটি ১০ লাখ সুইস ফ্রাঁ কাটছাঁট করা হয়েছে। এতে সুইস সরকারের দ্বিপক্ষীয়, অর্থনৈতিক ও বিষয়ভিত্তিক সহযোগিতার পাশাপাশি বহুপক্ষীয় সংস্থা মিলিয়ে গৃহীত কর্মসূচির ওপর প্রভাব পড়বে।
এ ছাড়া, ২০২৫ থেকে ২০২৮ সাল নাগাদ দেশ, বিষয়ভিত্তিক কর্মসূচি ও সংস্থাসমূহে তহবিল সরবরাহের ক্ষেত্রেও বড় ধরনের কাটছাঁট করা হবে। অবশ্য মানবিক সহায়তা, শান্তিরক্ষা কার্যক্রম এবং ইউক্রেনের প্রতি সহায়তা এই সিদ্ধান্তের বাইরে থাকবে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।