
বিডিজেন ডেস্ক

সৌদি আরবে গতকাল সোমবার ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। এতে মক্কা-মদিনা অঞ্চল ও জেদ্দা শহরে বন্যা দেখা দিয়েছে। সৌদির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সৌদি প্রেস এজেন্সির (এসপিএ) প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
মক্কার দক্ষিণ-পূর্বে আল-আওয়ালি এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাতের একটি ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ভয়েস অব আমেরিকা। ভিডিও ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, রাস্তাঘাটে গাড়িগুলো পানির নিচে তলিয়ে গেছে এবং লোকজন বন্যার পানির মধ্যে দিয়ে হাঁটছেন।
সৌদি সরকার জানায়, বদর প্রদেশের আল-শাফিয়াহতে সর্বোচ্চ ৪৯ দশমিক মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে। এরপর সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে জেদ্দার আল-বাসাতিনে। সেখানে ৩৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। মদিনায় মসজিদে নববীতে ৩৬ দশমিক ১ মিলিমিটার ও কুবা মসজিদে ২৮ দশমিক ৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
সৌদির আবহাওয়া দপ্তর ন্যাশনাল মেটিওরোলজিক্যাল সেন্টার (এনএমসি) সারা সপ্তাহে হালকা থেকে মাঝারি ভারী বৃষ্টি, বজ্রপাত এবং ধূলিঝড়ের পূর্বাভাস দিয়েছে।

সৌদি আরবে গতকাল সোমবার ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। এতে মক্কা-মদিনা অঞ্চল ও জেদ্দা শহরে বন্যা দেখা দিয়েছে। সৌদির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সৌদি প্রেস এজেন্সির (এসপিএ) প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
মক্কার দক্ষিণ-পূর্বে আল-আওয়ালি এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাতের একটি ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ভয়েস অব আমেরিকা। ভিডিও ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, রাস্তাঘাটে গাড়িগুলো পানির নিচে তলিয়ে গেছে এবং লোকজন বন্যার পানির মধ্যে দিয়ে হাঁটছেন।
সৌদি সরকার জানায়, বদর প্রদেশের আল-শাফিয়াহতে সর্বোচ্চ ৪৯ দশমিক মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে। এরপর সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে জেদ্দার আল-বাসাতিনে। সেখানে ৩৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। মদিনায় মসজিদে নববীতে ৩৬ দশমিক ১ মিলিমিটার ও কুবা মসজিদে ২৮ দশমিক ৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
সৌদির আবহাওয়া দপ্তর ন্যাশনাল মেটিওরোলজিক্যাল সেন্টার (এনএমসি) সারা সপ্তাহে হালকা থেকে মাঝারি ভারী বৃষ্টি, বজ্রপাত এবং ধূলিঝড়ের পূর্বাভাস দিয়েছে।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।