
বিডিজেন ডেস্ক

নয়াদিল্লি ও ইসলামাবাদের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির মধ্যেই আকস্মিক ভারত সফর করছেন সৌদি আরবের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আদেল আল-জুবায়ের।
খবর আরব নিউজের।
আরব নিউজ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (৮ মে) ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে দেখা করতে ভারতে আকস্মিক সফর করেছেন আল-জুবায়ের।
জয়শঙ্কর এক্স-পোস্টে বলেছেন, আজ [বৃহস্পতিবার] সকালে আল-জুবায়েরের সঙ্গে 'ভালো বৈঠক' হয়েছে। এ সময় তিনি 'সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে লড়াই করার বিষয়ে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি' জানিয়েছেন সৌদির প্রতিমন্ত্রীকে।
১৯৪৭ সালে ভারতীয় উপমহাদেশ হিন্দু-সংখ্যাগরিষ্ঠ ভারত এবং মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ পাকিস্তানে বিভক্ত হওয়ার পর থেকে চূড়ান্ত বিরোধের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে কাশ্মীর। উভয় দেশই হিমালয় অঞ্চলটির সম্পূর্ণ মালিকানা দাবি করে এবং আংশিকভাবে শাসন করে। এই অঞ্চলের জন্য তাদের ৩টি যুদ্ধ হয়েছে।
এই অঞ্চলে গত ২২ এপ্রিল সংঘটিত সশস্ত্র হামলার জেরে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা নতুন করে যুদ্ধের পর্যায়ে পৌঁছেছে। হামলায় ২৬ জন পর্যটক নিহত হওয়ার ঘটনায় ভারত পাকিস্তানকে দায়ী করে এবং এর প্রতিক্রিয়ায় পাকিস্তানে ‘অপারেশন সিন্দুর’ নামে বিমান হামলা চালায়।
পাকিস্তান এই হামলাকে 'সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন' এবং 'যুদ্ধের কর্মকাণ্ড' বলে পাল্টা হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে ঘোষণা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দুই পারমাণবিক শক্তিধর দেশের মধ্যে বৃহৎ যুদ্ধের সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

নয়াদিল্লি ও ইসলামাবাদের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির মধ্যেই আকস্মিক ভারত সফর করছেন সৌদি আরবের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আদেল আল-জুবায়ের।
খবর আরব নিউজের।
আরব নিউজ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (৮ মে) ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে দেখা করতে ভারতে আকস্মিক সফর করেছেন আল-জুবায়ের।
জয়শঙ্কর এক্স-পোস্টে বলেছেন, আজ [বৃহস্পতিবার] সকালে আল-জুবায়েরের সঙ্গে 'ভালো বৈঠক' হয়েছে। এ সময় তিনি 'সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে লড়াই করার বিষয়ে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি' জানিয়েছেন সৌদির প্রতিমন্ত্রীকে।
১৯৪৭ সালে ভারতীয় উপমহাদেশ হিন্দু-সংখ্যাগরিষ্ঠ ভারত এবং মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ পাকিস্তানে বিভক্ত হওয়ার পর থেকে চূড়ান্ত বিরোধের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে কাশ্মীর। উভয় দেশই হিমালয় অঞ্চলটির সম্পূর্ণ মালিকানা দাবি করে এবং আংশিকভাবে শাসন করে। এই অঞ্চলের জন্য তাদের ৩টি যুদ্ধ হয়েছে।
এই অঞ্চলে গত ২২ এপ্রিল সংঘটিত সশস্ত্র হামলার জেরে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা নতুন করে যুদ্ধের পর্যায়ে পৌঁছেছে। হামলায় ২৬ জন পর্যটক নিহত হওয়ার ঘটনায় ভারত পাকিস্তানকে দায়ী করে এবং এর প্রতিক্রিয়ায় পাকিস্তানে ‘অপারেশন সিন্দুর’ নামে বিমান হামলা চালায়।
পাকিস্তান এই হামলাকে 'সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন' এবং 'যুদ্ধের কর্মকাণ্ড' বলে পাল্টা হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে ঘোষণা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দুই পারমাণবিক শক্তিধর দেশের মধ্যে বৃহৎ যুদ্ধের সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।