

বিডিজেন ডেস্ক

ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধবিরতি ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা পার না হতেই বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠেছে ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের একাধিক শহর। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই দাবি করেছেন জম্মু ও কাশ্মীর অঞ্চলের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
শনিবার সন্ধ্যায় সন্ধ্যা সাড়ে ৯টার দিকে এক্স (সাবেক টুইটার) প্ল্যাটফর্মে জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ‘যুদ্ধবিরতির কী হলো? শ্রীনগরজুড়ে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছে।’
ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে জম্মু ও শ্রীনগর শহরের একাধিক স্থানে বিস্ফোরণের আওয়াজ পাওয়া গেছে। স্থানীয় বাসিন্দা, কর্তৃপক্ষ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, রাতের আকাশে দূর থেকেও ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে পড়তে এবং আলোর ঝলকানি দেখা গেছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, বিস্ফোরণের আওয়াজ তাদের প্রতিনিধিও শুনতে পেয়েছেন। তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বিস্ফোরণের উৎস জানা যায়নি।
এই বিষয়ে বক্তব্য জানার জন্য ভারত ও পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছিল রয়টার্স। তবে কোনো বাহিনীর মুখপাত্রই তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেননি।

ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধবিরতি ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা পার না হতেই বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠেছে ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের একাধিক শহর। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই দাবি করেছেন জম্মু ও কাশ্মীর অঞ্চলের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
শনিবার সন্ধ্যায় সন্ধ্যা সাড়ে ৯টার দিকে এক্স (সাবেক টুইটার) প্ল্যাটফর্মে জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ‘যুদ্ধবিরতির কী হলো? শ্রীনগরজুড়ে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যাচ্ছে।’
ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে জম্মু ও শ্রীনগর শহরের একাধিক স্থানে বিস্ফোরণের আওয়াজ পাওয়া গেছে। স্থানীয় বাসিন্দা, কর্তৃপক্ষ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, রাতের আকাশে দূর থেকেও ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে পড়তে এবং আলোর ঝলকানি দেখা গেছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, বিস্ফোরণের আওয়াজ তাদের প্রতিনিধিও শুনতে পেয়েছেন। তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বিস্ফোরণের উৎস জানা যায়নি।
এই বিষয়ে বক্তব্য জানার জন্য ভারত ও পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছিল রয়টার্স। তবে কোনো বাহিনীর মুখপাত্রই তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেননি।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।