
বিডিজেন ডেস্ক

ঈদের দিন গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় শিশুসহ কমপক্ষে ৬৪ জন নিহত হয়েছে। ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা এ কথা জানিয়েছেন।
খবর কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরার।
দক্ষিণ গাজায় রাফার কাছে ইসরায়েলি গুলিতে নিহত ৮ চিকিৎসক, ৫ জন বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্মী এবং জাতিসংঘের একজন কর্মীর মরদেহ উদ্ধার করেছে প্যালেস্টাইন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (পিআরসিএস)।
ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব রেড ক্রস অ্যান্ড রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিজ (আইএফআরসি) এ হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়েছে। তারা বলেছে, ‘বিধ্বংসী ঘটনা’ ২০১৭ সালের পর বিশ্বের যেকোনো জায়গায় তাদের কর্মীদের ওপর এটি সবচেয়ে ভয়াবহ হামলা।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গাজায় ইসরায়েলি হামলায় শুরু থেকে এ পর্যন্ত কমপক্ষে ৫০ হাজার ২৭৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে, আহত হয়েছে ১ লাখ ১৪ হাজার ৯৫ জন। গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস প্রায় ২ মাস আগে মৃতের সংখ্যার তথ্য হালনাগাদ করেছে। তাদের সবশেষ হিসাব অনুযায়ী, গাজায় এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬১ হাজার ৭০০ জনে। হাজারো মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে নিখোঁজ রয়েছে। এসব মানুষ মারা গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন

ঈদের দিন গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় শিশুসহ কমপক্ষে ৬৪ জন নিহত হয়েছে। ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা এ কথা জানিয়েছেন।
খবর কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরার।
দক্ষিণ গাজায় রাফার কাছে ইসরায়েলি গুলিতে নিহত ৮ চিকিৎসক, ৫ জন বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্মী এবং জাতিসংঘের একজন কর্মীর মরদেহ উদ্ধার করেছে প্যালেস্টাইন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (পিআরসিএস)।
ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব রেড ক্রস অ্যান্ড রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিজ (আইএফআরসি) এ হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়েছে। তারা বলেছে, ‘বিধ্বংসী ঘটনা’ ২০১৭ সালের পর বিশ্বের যেকোনো জায়গায় তাদের কর্মীদের ওপর এটি সবচেয়ে ভয়াবহ হামলা।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গাজায় ইসরায়েলি হামলায় শুরু থেকে এ পর্যন্ত কমপক্ষে ৫০ হাজার ২৭৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে, আহত হয়েছে ১ লাখ ১৪ হাজার ৯৫ জন। গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস প্রায় ২ মাস আগে মৃতের সংখ্যার তথ্য হালনাগাদ করেছে। তাদের সবশেষ হিসাব অনুযায়ী, গাজায় এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬১ হাজার ৭০০ জনে। হাজারো মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে নিখোঁজ রয়েছে। এসব মানুষ মারা গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।