
বিডিজেন ডেস্ক

আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেল রব বোন্টা শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) ঘোষণা করেছেন, নতুন এইচ-ওয়ানবি ভিসা আবেদনের ফি বাড়িয়ে ১ লাখ ডলার করার নীতি নিয়ে তিনি এবং আরও ১৯টি অঙ্গরাজ্য ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।
বোন্টা দাবি করেন যে, দক্ষ কর্মীদের জন্য নির্ধারিত এই ভিসার ফি বৃদ্ধি অবৈধ। কারণ এটি কংগ্রেসের অনুমোদিত সীমা অতিক্রম করেছে এবং চালু করার পেছনে কংগ্রেসের যে উদ্দেশ্য ছিল, তাকে ক্ষুণ্ণ করছে। এই মামলা করতে চাওয়া প্রতিটি অঙ্গরাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেলই ডেমোক্র্যাটিক পার্টির।
সান ফ্রান্সিসকোতে এক সংবাদ সম্মেলনে বোন্টা বলেন, "কোনো প্রেসিডেন্ট প্রশাসন অভিবাসন আইন পুনরায় লিখতে পারে না। কোনো প্রেসিডেন্ট সরকারের সমান ক্ষমতাসম্পন্ন শাখা কংগ্রেসকে উপেক্ষা করতে পারেন না, সংবিধানকে উপেক্ষা করতে পারেন না, কিংবা আইনকেও অবজ্ঞা করতে পারেন না।"
অনেক দিন ধরে ‘মাগা’ এমএজিএ) রিপাবলিকানরা অভিযোগ করে আসছেন যে, প্রতিষ্ঠানগুলো সস্তা শ্রমের আশায় আমেরিকানদের বাদ দিয়ে এই প্রোগ্রামের অপব্যবহার করছে। কিন্তু বোন্টা যুক্তি দেন যে, এই অতিরিক্ত ফি অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোর শ্রম সংকট আরও বাড়াবে। কারণ এর ফলে চিকিৎসক, গবেষক, শিক্ষক, নার্স এবং জনসেবা কর্মীদের পদগুলো পূরণ করা আরও কঠিন হয়ে পড়বে।
অবশ্য এই নীতি জারি করার পর থেকে এবং প্রযুক্তি খাতের নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরির ফলে ট্রাম্পের অবস্থানে কিছুটা নমনীয়তা দেখা গেছে। তিনি এই দাবি অস্বীকার করেন যে, আমেরিকাতে পর্যাপ্ত মেধাবী মানুষ থাকার দাবি অস্বীকার করেন। ট্রাম্প মনে করেন, নির্দিষ্ট কিছু খাতের জন্য এখনো বিদেশি কর্মী আনার প্রয়োজন আছে।
এর আগে ইউএস চেম্বার অব কমার্স এবং গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একটি প্রতিনিধি দল এই নতুন ফির বিরুদ্ধে নিজস্ব মামলা দায়ের করেছিল। তাদের দাবি ছিল, প্রশাসন এইচ-ওয়ানবি সংক্রান্ত আইনের বিধানগুলো লঙ্ঘন করেছে। এ ছাড়া, বিভিন্ন খাতের শ্রমিক ইউনিয়নসহ আরও কিছু গোষ্ঠী মিলে পৃথক একটি মামলা দায়ের করেছে।
সংবাদমাধ্যম পলিটিকো বলছে, নতুন মামলাটি ম্যাসাচুসেটস ফেডারেল আদালতে দায়ের করা হবে এবং এর নেতৃত্বে থাকবেন বোন্টা ও ওই অঙ্গরাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেল আন্দ্রেয়া জয় ক্যাম্পবেল। এ বছর এই নিয়ে ৪৯ বার বোন্টা ট্রাম্প প্রশাসনকে আদালতে নিয়ে গেলেন।

আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেল রব বোন্টা শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) ঘোষণা করেছেন, নতুন এইচ-ওয়ানবি ভিসা আবেদনের ফি বাড়িয়ে ১ লাখ ডলার করার নীতি নিয়ে তিনি এবং আরও ১৯টি অঙ্গরাজ্য ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।
বোন্টা দাবি করেন যে, দক্ষ কর্মীদের জন্য নির্ধারিত এই ভিসার ফি বৃদ্ধি অবৈধ। কারণ এটি কংগ্রেসের অনুমোদিত সীমা অতিক্রম করেছে এবং চালু করার পেছনে কংগ্রেসের যে উদ্দেশ্য ছিল, তাকে ক্ষুণ্ণ করছে। এই মামলা করতে চাওয়া প্রতিটি অঙ্গরাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেলই ডেমোক্র্যাটিক পার্টির।
সান ফ্রান্সিসকোতে এক সংবাদ সম্মেলনে বোন্টা বলেন, "কোনো প্রেসিডেন্ট প্রশাসন অভিবাসন আইন পুনরায় লিখতে পারে না। কোনো প্রেসিডেন্ট সরকারের সমান ক্ষমতাসম্পন্ন শাখা কংগ্রেসকে উপেক্ষা করতে পারেন না, সংবিধানকে উপেক্ষা করতে পারেন না, কিংবা আইনকেও অবজ্ঞা করতে পারেন না।"
অনেক দিন ধরে ‘মাগা’ এমএজিএ) রিপাবলিকানরা অভিযোগ করে আসছেন যে, প্রতিষ্ঠানগুলো সস্তা শ্রমের আশায় আমেরিকানদের বাদ দিয়ে এই প্রোগ্রামের অপব্যবহার করছে। কিন্তু বোন্টা যুক্তি দেন যে, এই অতিরিক্ত ফি অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোর শ্রম সংকট আরও বাড়াবে। কারণ এর ফলে চিকিৎসক, গবেষক, শিক্ষক, নার্স এবং জনসেবা কর্মীদের পদগুলো পূরণ করা আরও কঠিন হয়ে পড়বে।
অবশ্য এই নীতি জারি করার পর থেকে এবং প্রযুক্তি খাতের নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরির ফলে ট্রাম্পের অবস্থানে কিছুটা নমনীয়তা দেখা গেছে। তিনি এই দাবি অস্বীকার করেন যে, আমেরিকাতে পর্যাপ্ত মেধাবী মানুষ থাকার দাবি অস্বীকার করেন। ট্রাম্প মনে করেন, নির্দিষ্ট কিছু খাতের জন্য এখনো বিদেশি কর্মী আনার প্রয়োজন আছে।
এর আগে ইউএস চেম্বার অব কমার্স এবং গবেষণা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একটি প্রতিনিধি দল এই নতুন ফির বিরুদ্ধে নিজস্ব মামলা দায়ের করেছিল। তাদের দাবি ছিল, প্রশাসন এইচ-ওয়ানবি সংক্রান্ত আইনের বিধানগুলো লঙ্ঘন করেছে। এ ছাড়া, বিভিন্ন খাতের শ্রমিক ইউনিয়নসহ আরও কিছু গোষ্ঠী মিলে পৃথক একটি মামলা দায়ের করেছে।
সংবাদমাধ্যম পলিটিকো বলছে, নতুন মামলাটি ম্যাসাচুসেটস ফেডারেল আদালতে দায়ের করা হবে এবং এর নেতৃত্বে থাকবেন বোন্টা ও ওই অঙ্গরাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেল আন্দ্রেয়া জয় ক্যাম্পবেল। এ বছর এই নিয়ে ৪৯ বার বোন্টা ট্রাম্প প্রশাসনকে আদালতে নিয়ে গেলেন।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।