
বিডিজেন ডেস্ক

প্রবাসীদের জন্য দারুণ এক সুখবর নিয়ে এসেছে কুয়েতের ট্রাফিক বিভাগ। সম্প্রতি তারা জানিয়েছে, এখন থেকে দেশটিতে থাকা প্রবাসীদের ড্রাইভিং পারমিটস পাওয়া যাবে ডিজিটাল ফরমেটে। আর তা পাওয়া যাবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ইলকট্রনিক অ্যাপে।
সংবাদমাধ্যম আরব টাইম অনলাইনের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়। এ নিয়ে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক ঘোষণা দেয় কুয়েতের ট্রাফিক বিভাগ। তাতে বলা হয়, সবকিছু ডিজিটাল করার তাগিদ থেকেই এখন প্রিন্টিং কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। ড্রাইভিং পারমিটের জন্য অ্যাপই যথেষ্ট।
তবে ওই সময় দেশি নাকি প্রবাসীদের জন্য এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে তা জানানো হয়। এ ব্যাপারে পরে এক নিরাপত্তা বিভাগের সূত্র থেকে জানা যায় বিস্তারিত।
নিরাপত্তা বিভাগের ওই সূত্র বলছে, প্রাথমিকভাবে প্রবাসীদের এই সুযোগের আওতায় আনা হয়েছে। কিন্তু ট্রাকচালকদের জন্য এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে না। কেননা তারা প্রায়ই কুয়েতের বাইরে যান। এ জন্য তাদের সঙ্গে রাখতে হবে প্রিন্ট করা পারমিটস।

প্রবাসীদের জন্য দারুণ এক সুখবর নিয়ে এসেছে কুয়েতের ট্রাফিক বিভাগ। সম্প্রতি তারা জানিয়েছে, এখন থেকে দেশটিতে থাকা প্রবাসীদের ড্রাইভিং পারমিটস পাওয়া যাবে ডিজিটাল ফরমেটে। আর তা পাওয়া যাবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ইলকট্রনিক অ্যাপে।
সংবাদমাধ্যম আরব টাইম অনলাইনের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়। এ নিয়ে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক ঘোষণা দেয় কুয়েতের ট্রাফিক বিভাগ। তাতে বলা হয়, সবকিছু ডিজিটাল করার তাগিদ থেকেই এখন প্রিন্টিং কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। ড্রাইভিং পারমিটের জন্য অ্যাপই যথেষ্ট।
তবে ওই সময় দেশি নাকি প্রবাসীদের জন্য এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে তা জানানো হয়। এ ব্যাপারে পরে এক নিরাপত্তা বিভাগের সূত্র থেকে জানা যায় বিস্তারিত।
নিরাপত্তা বিভাগের ওই সূত্র বলছে, প্রাথমিকভাবে প্রবাসীদের এই সুযোগের আওতায় আনা হয়েছে। কিন্তু ট্রাকচালকদের জন্য এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে না। কেননা তারা প্রায়ই কুয়েতের বাইরে যান। এ জন্য তাদের সঙ্গে রাখতে হবে প্রিন্ট করা পারমিটস।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।