
বিডিজেন ডেস্ক

সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) আজ মঙ্গলবার ঘরের বাইরে বের হওয়ার সময় সতর্ক থাকুন। এ সময় অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করুন। কেননা ধুলোবালি থাকবে, বিশেষ করে দিনের বেলায়। এ ছাড়া ভিজিবিলিটিও কমে যেতে পারে।
দেশটির জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র (এনসিএম) আজ সারা দিন ধুলোবালি এবং আংশিক মেঘলা আবহাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে। মাঝারি বাতাসের সম্ভাবনা রয়েছে। এটি সমুদ্রের ওপর দিয়ে মাঝে মাঝে তীব্র হতে পারে, যার ফলে স্থলভাগে ধুলো উড়তে পারে।
দেশের অভ্যন্তরীণ অঞ্চলে তাপমাত্রা ২৮ থেকে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত থাকবে, যেখানে উপকূলীয় অঞ্চল এবং দ্বীপপুঞ্জগুলোতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৪ থেকে ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত থাকবে। পাহাড়গুলোতে শীতল তাপমাত্রা থাকবে, যার পরিসর ২১ থেকে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত থাকবে।
রাত নামার সাথে সাথে আর্দ্রতার মাত্রা বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে, বিশেষ করে কিছু অভ্যন্তরীণ অঞ্চলে, যেখানে কুয়াশা তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে।
পূর্বাভাসে বলা হয়, সমুদ্র ভ্রমণকারীদের জন্য আরব উপসাগরে এবং ওমান সাগরে পরিস্থিতি খুব রুক্ষ থেকে রুক্ষ হবে, তাই সতর্কতা অবলম্বন করা বাঞ্ছনীয়।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) আজ মঙ্গলবার ঘরের বাইরে বের হওয়ার সময় সতর্ক থাকুন। এ সময় অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করুন। কেননা ধুলোবালি থাকবে, বিশেষ করে দিনের বেলায়। এ ছাড়া ভিজিবিলিটিও কমে যেতে পারে।
দেশটির জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র (এনসিএম) আজ সারা দিন ধুলোবালি এবং আংশিক মেঘলা আবহাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে। মাঝারি বাতাসের সম্ভাবনা রয়েছে। এটি সমুদ্রের ওপর দিয়ে মাঝে মাঝে তীব্র হতে পারে, যার ফলে স্থলভাগে ধুলো উড়তে পারে।
দেশের অভ্যন্তরীণ অঞ্চলে তাপমাত্রা ২৮ থেকে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত থাকবে, যেখানে উপকূলীয় অঞ্চল এবং দ্বীপপুঞ্জগুলোতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৪ থেকে ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত থাকবে। পাহাড়গুলোতে শীতল তাপমাত্রা থাকবে, যার পরিসর ২১ থেকে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত থাকবে।
রাত নামার সাথে সাথে আর্দ্রতার মাত্রা বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে, বিশেষ করে কিছু অভ্যন্তরীণ অঞ্চলে, যেখানে কুয়াশা তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে।
পূর্বাভাসে বলা হয়, সমুদ্র ভ্রমণকারীদের জন্য আরব উপসাগরে এবং ওমান সাগরে পরিস্থিতি খুব রুক্ষ থেকে রুক্ষ হবে, তাই সতর্কতা অবলম্বন করা বাঞ্ছনীয়।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।