
বিডিজেন ডেস্ক

সৌদি আরবের মদিনার মসজিদে নববীতে অবস্থিত বিশ্বনবী (সা.)-এর রওজা মোবারক জিয়ারতের জন্য মুসল্লিদের আগাম অনুমতি নিতে অনুরোধ করেছে দেশটির সরকার। সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, নুসুক অ্যাপের মাধ্যমে এই আগাম অনুমতি নিতে পারবেন মুসল্লিরা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া একটি পোস্টে সৌদির হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় জানায়, শুধুমাত্র অনুমতি পেলেই আপনি আল রাওদা আল শরিফায় ( মসজিদে নববির চত্বরের যে স্থানে মহানবী (সা.)-এর সমাধি, সেটি আল রাওদা আল শরিফা নামে পরিচিত) প্রার্থনা করার সুযোগ পাবেন। ভিড় এড়িয়ে চলুন এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখুন।
মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদে পবিত্র ওমরাহ পালন শেষে মদিনার মসজিদে নববীতে ছুটে যান অনেক মুসলিম। সেখানে রয়েছে বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর রওজা মোবারক।
সৌদি সরকার সম্প্রতি জানায়, এ বছরে ১ কোটিরও বেশি মুসল্লি আল রাওদা আল শরিফায় এসে প্রার্থনা করেছেন। এই সংখ্যা গত বছরের তুলনায় ২৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

সৌদি আরবের মদিনার মসজিদে নববীতে অবস্থিত বিশ্বনবী (সা.)-এর রওজা মোবারক জিয়ারতের জন্য মুসল্লিদের আগাম অনুমতি নিতে অনুরোধ করেছে দেশটির সরকার। সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, নুসুক অ্যাপের মাধ্যমে এই আগাম অনুমতি নিতে পারবেন মুসল্লিরা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া একটি পোস্টে সৌদির হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় জানায়, শুধুমাত্র অনুমতি পেলেই আপনি আল রাওদা আল শরিফায় ( মসজিদে নববির চত্বরের যে স্থানে মহানবী (সা.)-এর সমাধি, সেটি আল রাওদা আল শরিফা নামে পরিচিত) প্রার্থনা করার সুযোগ পাবেন। ভিড় এড়িয়ে চলুন এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখুন।
মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদে পবিত্র ওমরাহ পালন শেষে মদিনার মসজিদে নববীতে ছুটে যান অনেক মুসলিম। সেখানে রয়েছে বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর রওজা মোবারক।
সৌদি সরকার সম্প্রতি জানায়, এ বছরে ১ কোটিরও বেশি মুসল্লি আল রাওদা আল শরিফায় এসে প্রার্থনা করেছেন। এই সংখ্যা গত বছরের তুলনায় ২৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।