
বিডিজেন ডেস্ক

লাইসেন্স ছাড়াই সৌদি আরবে পর্যটন সেবা দিলে ১০ লাখ রিয়াল (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩১ কোটি ৮২ লাখ ৪২ হাজার ৬৮ টাকা) পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। দেশটির একজন আইনি বিশেষজ্ঞের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ।
সৌদির একটি সরকারি বিজ্ঞপ্তির বরাত দিয়ে বিশেষজ্ঞ নায়েফ বিন হামাদ বলেন, জরিমানার মধ্যে রয়েছে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা এবং অপরাধীকে লজ্জা দেওয়ার জন্য তার নাম উল্লেখ করা।
ধীরে ধীরে বিশ্বের অন্যতম ভ্রমণ গন্তব্য হয়ে উঠছে সৌদি আরব। ২০৩০ সালের মধ্যে পর্যটনে সবাইকে ছাড়িয়ে যেতে প্রস্তুত হচ্ছে দেশটি। এ প্রকল্প বাস্তবায়নে বিশাল অঙ্কের বাজেট নিয়ে নেমেছে তারা।
পর্যটক আকর্ষণ করতে নিজেদের ঐতিহ্য আর দর্শনীয় জায়গাগুলো ঢেলে সাজিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি। সংস্কার করেছে নিজেদের পুরোনো আইন। এরই মধ্যে সৌদি আরব ভ্রমণে আগ্রহী হয়ে উঠছে আন্তর্জাতিক পর্যটকেরা। ২০১৯ সালের পর থেকে প্রতিবছর দেশটিতে বাড়ছে পর্যটকের সংখ্যা।
সৌদি আরবের পর্যটন কর্তৃপক্ষ আশা করছে, ২০৩০ সালের মধ্যে প্রতিবছর ৮ কোটি দেশীয় পর্যটক এবং ৭ কোটি আন্তর্জাতিক পর্যটক ভ্রমণ করবে দেশটিতে।

লাইসেন্স ছাড়াই সৌদি আরবে পর্যটন সেবা দিলে ১০ লাখ রিয়াল (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩১ কোটি ৮২ লাখ ৪২ হাজার ৬৮ টাকা) পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। দেশটির একজন আইনি বিশেষজ্ঞের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ।
সৌদির একটি সরকারি বিজ্ঞপ্তির বরাত দিয়ে বিশেষজ্ঞ নায়েফ বিন হামাদ বলেন, জরিমানার মধ্যে রয়েছে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা এবং অপরাধীকে লজ্জা দেওয়ার জন্য তার নাম উল্লেখ করা।
ধীরে ধীরে বিশ্বের অন্যতম ভ্রমণ গন্তব্য হয়ে উঠছে সৌদি আরব। ২০৩০ সালের মধ্যে পর্যটনে সবাইকে ছাড়িয়ে যেতে প্রস্তুত হচ্ছে দেশটি। এ প্রকল্প বাস্তবায়নে বিশাল অঙ্কের বাজেট নিয়ে নেমেছে তারা।
পর্যটক আকর্ষণ করতে নিজেদের ঐতিহ্য আর দর্শনীয় জায়গাগুলো ঢেলে সাজিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি। সংস্কার করেছে নিজেদের পুরোনো আইন। এরই মধ্যে সৌদি আরব ভ্রমণে আগ্রহী হয়ে উঠছে আন্তর্জাতিক পর্যটকেরা। ২০১৯ সালের পর থেকে প্রতিবছর দেশটিতে বাড়ছে পর্যটকের সংখ্যা।
সৌদি আরবের পর্যটন কর্তৃপক্ষ আশা করছে, ২০৩০ সালের মধ্যে প্রতিবছর ৮ কোটি দেশীয় পর্যটক এবং ৭ কোটি আন্তর্জাতিক পর্যটক ভ্রমণ করবে দেশটিতে।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।