
বিডিজেন ডেস্ক

মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি) প্রিন্টিংসংক্রান্ত জরুরি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে কুয়ালালামপুরের বাংলাদেশ হাইকমিশন।
মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) হাইকমিশনের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘মালয়েশিয়ায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের (এমআরপি) বুকলেট, লেমিনেশন ফয়েল পেপার ঘাটতি ও প্রিন্টিং মেশিনের যান্ত্রিক ত্রুটিজনিত কারণে বাংলাদেশ থেকে পাসপোর্ট প্রিন্ট হতে বিলম্ব হওয়ায় মালয়েশিয়ায় বসবাসরত এমআরপি পাসপোর্ট প্রত্যাশী বাংলাদেশিদের এমআরপি পাসপোর্ট পেতে অনাকাঙ্ক্ষিত বিলম্ব হচ্ছে।’
ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের ২৮ অক্টোবর তারিখের ৫৮.০১.০০০০.২০২.৩৫.০২০.২০/১২৩৭ নং স্মারকের মাধ্যমে জানানো হয়েছে, এমআরপি আবেদন প্রিন্টিংয়ে অপেক্ষমান রয়েছে এমন আবেদনকারীদের ই-পাসপোর্টের জন্য প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত ফি জমা প্রদান সাপেক্ষে আবেদন করলে তাদের দ্রুত ই-পাসপোর্ট দেওয়া হবে।
এতে আরও বলা হয়, ২৯ অক্টোবর থেকে মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের রিইস্যুর জন্য কোনো ধরনের আবেদন পাঠানো/জমা প্রদান থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ করা হলো।
মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট বিতরণে অনাকাঙ্ক্ষিত বিলম্বের কারণে মালয়েশিয়াপ্রবাসী বাংলাদেশিদের সাময়িক অসুবিধার জন্য কুয়ালালামপুরের বাংলাদেশ হাইকমিশন দুঃখ প্রকাশ করেছে।
এদিকে মালয়েশিয়ায় মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের (এমআরপি) জন্য প্রবাসী বাংলাদেশিদের মাঝে চলছে হাহাকার। একাধিক ভুক্তভোগী অভিযোগ করেছেন, আবেদন করার চার–পাঁচ মাস পরেও তারা পাসপোর্ট পাননি। পাসপোর্ট রিনিউ করার জন্য আবেদন করে নির্দিষ্ট সময়ে তা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষমান থাকাবস্থায় বাংলাদেশ পাসপোর্ট অধিদপ্তরের নতুন সিদ্ধান্তে তারা আরও দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
জানা গেছে, ই–পাসপোর্টের জন্য আবেদনকারীকে আবেদনের সঙ্গে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) দিতে হয়। আগের পাসপোর্টে নাম যেভাবেই লেখা থাকুক না কেন, ই–পাসপোর্টে এনআইডিতে যেভাবে নাম লেখা আছে সেভাবেই লেখা হয়। কিন্তু মালয়েশিয়াপ্রবাসী অনেক বাংলাদেশির আগের পাসপোর্ট ও কাজের অনুমতিপত্রের নামের সঙ্গে বর্তমান এনআইডির নামের মিল নেই। এই জটিলতার কারণে তারা ই–পাসপোর্টের আবেদন করতে পারছেন না। এনআইডির সঙ্গে মিল রেখে পাসপোর্ট করলে তারা ভিসাসংক্রান্ত জটিলতা ছাড়াও কর্মস্থলে জটিলতায় পড়বেন। ফলে বাধ্য হয়েই তারা মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের জন্য আবেদন করেছেন। কারণ মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের জন্য এনআইডি প্রয়োজন হয় না এবং আগের পাসপোর্টের তথ্য অনুযায়ীই তা করা যায়।
এ অবস্থায় তারা এ সমস্যার সমাধান দ্রুত করার জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।

মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি) প্রিন্টিংসংক্রান্ত জরুরি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে কুয়ালালামপুরের বাংলাদেশ হাইকমিশন।
মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) হাইকমিশনের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘মালয়েশিয়ায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের (এমআরপি) বুকলেট, লেমিনেশন ফয়েল পেপার ঘাটতি ও প্রিন্টিং মেশিনের যান্ত্রিক ত্রুটিজনিত কারণে বাংলাদেশ থেকে পাসপোর্ট প্রিন্ট হতে বিলম্ব হওয়ায় মালয়েশিয়ায় বসবাসরত এমআরপি পাসপোর্ট প্রত্যাশী বাংলাদেশিদের এমআরপি পাসপোর্ট পেতে অনাকাঙ্ক্ষিত বিলম্ব হচ্ছে।’
ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের ২৮ অক্টোবর তারিখের ৫৮.০১.০০০০.২০২.৩৫.০২০.২০/১২৩৭ নং স্মারকের মাধ্যমে জানানো হয়েছে, এমআরপি আবেদন প্রিন্টিংয়ে অপেক্ষমান রয়েছে এমন আবেদনকারীদের ই-পাসপোর্টের জন্য প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত ফি জমা প্রদান সাপেক্ষে আবেদন করলে তাদের দ্রুত ই-পাসপোর্ট দেওয়া হবে।
এতে আরও বলা হয়, ২৯ অক্টোবর থেকে মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের রিইস্যুর জন্য কোনো ধরনের আবেদন পাঠানো/জমা প্রদান থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ করা হলো।
মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট বিতরণে অনাকাঙ্ক্ষিত বিলম্বের কারণে মালয়েশিয়াপ্রবাসী বাংলাদেশিদের সাময়িক অসুবিধার জন্য কুয়ালালামপুরের বাংলাদেশ হাইকমিশন দুঃখ প্রকাশ করেছে।
এদিকে মালয়েশিয়ায় মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের (এমআরপি) জন্য প্রবাসী বাংলাদেশিদের মাঝে চলছে হাহাকার। একাধিক ভুক্তভোগী অভিযোগ করেছেন, আবেদন করার চার–পাঁচ মাস পরেও তারা পাসপোর্ট পাননি। পাসপোর্ট রিনিউ করার জন্য আবেদন করে নির্দিষ্ট সময়ে তা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষমান থাকাবস্থায় বাংলাদেশ পাসপোর্ট অধিদপ্তরের নতুন সিদ্ধান্তে তারা আরও দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
জানা গেছে, ই–পাসপোর্টের জন্য আবেদনকারীকে আবেদনের সঙ্গে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) দিতে হয়। আগের পাসপোর্টে নাম যেভাবেই লেখা থাকুক না কেন, ই–পাসপোর্টে এনআইডিতে যেভাবে নাম লেখা আছে সেভাবেই লেখা হয়। কিন্তু মালয়েশিয়াপ্রবাসী অনেক বাংলাদেশির আগের পাসপোর্ট ও কাজের অনুমতিপত্রের নামের সঙ্গে বর্তমান এনআইডির নামের মিল নেই। এই জটিলতার কারণে তারা ই–পাসপোর্টের আবেদন করতে পারছেন না। এনআইডির সঙ্গে মিল রেখে পাসপোর্ট করলে তারা ভিসাসংক্রান্ত জটিলতা ছাড়াও কর্মস্থলে জটিলতায় পড়বেন। ফলে বাধ্য হয়েই তারা মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের জন্য আবেদন করেছেন। কারণ মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের জন্য এনআইডি প্রয়োজন হয় না এবং আগের পাসপোর্টের তথ্য অনুযায়ীই তা করা যায়।
এ অবস্থায় তারা এ সমস্যার সমাধান দ্রুত করার জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।