
বিডিজেন ডেস্ক

সৌদি আরবে বার্ষিক বৃষ্টিপাত ৫৩ শতাংশ বেড়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির জাতীয় পরিসংখ্যান দপ্তর জেনারেল অথরিটি অব স্ট্যাটিসটিক্স (গাসতাত)। দপ্তরটির বরাত দিয়ে গতকাল শুক্রবার সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, ২০২২ সালের চেয়ে ২০২৩ সালে সৌদি আরবে বার্ষিক বৃষ্টিপাত ৫৩ শতাংশ বেড়েছে।
গাসতাত জানায়, সৌদি পরিশোধিত পানির পরিমাণ ২০২২ সালের তুলনায় গত বছর ১৩ দশমিক ৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৩ সালে দেশটির জাতীয় উদ্যানের আয়তন বেড়ে ৩৪০ মিলিয়ন বর্গ মিটারে পৌঁছেছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সৌদি আরব তার পরিবেশ সুরক্ষা প্রচেষ্টা জোরদার করেছে। দেশটির ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান ২০২১ সালে সৌদি গ্রিন ইনিশিয়েটিভ (এসজিআই) নামের একটি প্রকল্প চালু করেন। এ প্রকল্পের লক্ষ্য হলো কার্বন নির্গমন হ্রাস, বনায়ন, ভূমি পুনরুদ্ধার এবং সমুদ্র অঞ্চল সংরক্ষণের মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা করা।

সৌদি আরবে বার্ষিক বৃষ্টিপাত ৫৩ শতাংশ বেড়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির জাতীয় পরিসংখ্যান দপ্তর জেনারেল অথরিটি অব স্ট্যাটিসটিক্স (গাসতাত)। দপ্তরটির বরাত দিয়ে গতকাল শুক্রবার সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, ২০২২ সালের চেয়ে ২০২৩ সালে সৌদি আরবে বার্ষিক বৃষ্টিপাত ৫৩ শতাংশ বেড়েছে।
গাসতাত জানায়, সৌদি পরিশোধিত পানির পরিমাণ ২০২২ সালের তুলনায় গত বছর ১৩ দশমিক ৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৩ সালে দেশটির জাতীয় উদ্যানের আয়তন বেড়ে ৩৪০ মিলিয়ন বর্গ মিটারে পৌঁছেছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সৌদি আরব তার পরিবেশ সুরক্ষা প্রচেষ্টা জোরদার করেছে। দেশটির ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান ২০২১ সালে সৌদি গ্রিন ইনিশিয়েটিভ (এসজিআই) নামের একটি প্রকল্প চালু করেন। এ প্রকল্পের লক্ষ্য হলো কার্বন নির্গমন হ্রাস, বনায়ন, ভূমি পুনরুদ্ধার এবং সমুদ্র অঞ্চল সংরক্ষণের মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা করা।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।