
বিডিজেন ডেস্ক

ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত মিয়ানমারে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২ হাজার ৮৮৬ জনে দাঁড়িয়েছে। ভূমিকম্পে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোয় এখনো উদ্ধারকাজ চলছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর দিয়েছে।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, মিয়ানমার সরকার বলেছে, গত শুক্রবার হওয়া ভূমিকম্পে এ পর্যন্ত ২ হাজার ৮৮৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছে ৪ হাজার ৬৩৯ জন। আর এখনো নিখোঁজ রয়েছে ৩৭৩ জন।
ধারণা করা হচ্ছে, প্রকৃত মৃতের সংখ্যা আরও বেশি। এখনো মিয়ানমারে ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে উদ্ধার তৎপরতা চলছে।
এদিকে বিদ্রোহীদের ত্রাণবাহী ট্রাকে গুলি চালিয়েছে দেশটির জান্তা বাহিনী। বিদ্রোহী গোষ্ঠী দ্য তাআং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (টিএনএলএ) মান্দালয়ে ত্রাণ দিতে যাচ্ছিল। তাদের ট্রাকগুলো শান রাজ্যের নাউং চো অতিক্রম করার পথে জান্তা বাহিনী হামলা চালায়।
টিএনএলএ জানায়, তারা ত্রাণ দেওয়ার পরিকল্পনা জান্তা সরকারকে জানিয়েছিল। তবে মিয়ানমার সরকার বলছে, তারা এ পরিকল্পনার বিষয়ে জানত না। ট্রাকগুলো না থামায় গুলি চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (২৮ মার্চ) স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে মিয়ানমারের মান্দালয় শহরে উৎপত্তি হয় ৭ দশমিক ৭ মাত্রার এই ভূমিকম্পের। এর প্রভাবে প্রতিবেশী দেশ থাইল্যান্ডেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ৩৩ তলা একটি ভবন ধসে পড়েছে রাজধানী শহর ব্যাংককে। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত থাইল্যান্ডে ২০ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে নিখোঁজ রয়েছে অনেকেই।
আরও পড়ুন

ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত মিয়ানমারে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২ হাজার ৮৮৬ জনে দাঁড়িয়েছে। ভূমিকম্পে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোয় এখনো উদ্ধারকাজ চলছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর দিয়েছে।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, মিয়ানমার সরকার বলেছে, গত শুক্রবার হওয়া ভূমিকম্পে এ পর্যন্ত ২ হাজার ৮৮৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছে ৪ হাজার ৬৩৯ জন। আর এখনো নিখোঁজ রয়েছে ৩৭৩ জন।
ধারণা করা হচ্ছে, প্রকৃত মৃতের সংখ্যা আরও বেশি। এখনো মিয়ানমারে ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে উদ্ধার তৎপরতা চলছে।
এদিকে বিদ্রোহীদের ত্রাণবাহী ট্রাকে গুলি চালিয়েছে দেশটির জান্তা বাহিনী। বিদ্রোহী গোষ্ঠী দ্য তাআং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (টিএনএলএ) মান্দালয়ে ত্রাণ দিতে যাচ্ছিল। তাদের ট্রাকগুলো শান রাজ্যের নাউং চো অতিক্রম করার পথে জান্তা বাহিনী হামলা চালায়।
টিএনএলএ জানায়, তারা ত্রাণ দেওয়ার পরিকল্পনা জান্তা সরকারকে জানিয়েছিল। তবে মিয়ানমার সরকার বলছে, তারা এ পরিকল্পনার বিষয়ে জানত না। ট্রাকগুলো না থামায় গুলি চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (২৮ মার্চ) স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে মিয়ানমারের মান্দালয় শহরে উৎপত্তি হয় ৭ দশমিক ৭ মাত্রার এই ভূমিকম্পের। এর প্রভাবে প্রতিবেশী দেশ থাইল্যান্ডেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ৩৩ তলা একটি ভবন ধসে পড়েছে রাজধানী শহর ব্যাংককে। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত থাইল্যান্ডে ২০ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে নিখোঁজ রয়েছে অনেকেই।
আরও পড়ুন
জি-৭ নেতারা চুক্তিকে সমর্থন জানান। সেই সঙ্গে চুক্তি বাস্তবায়নে কাজ করার কথাও জানান। অধিবেশনে দ্রুত হরমুজ প্রণালি আবার চালু করা এবং এই জলপথের বিকল্প জ্বালানি পরিবহন রুট খুঁজে বের করার বিষয়েও আলোচনা হয়।
আজ সোমবার (১৫ জুন) স্থানীয় সময় ভোররাতে শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে চুক্তির বিষয়ে জানান।
গতকাল বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক ব্রিফিংয়ে আমেরিকান কর্মকর্তারা জানান, এ চুক্তির আওতায় ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে। বিনিময়ে ইরানের নৌ-পরিবহনের ওপর থেকে আমেরিকান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। পদক্ষেপগুলো প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর করা হবে।
শহরের কেন্দ্রের কাছাকাছি একটি ভবনেও আগুন লাগানো হয়। বাসিন্দারা সংবাদ সংস্থা এএফপিকে জানান, বিক্ষোভকারীরা প্রথমে ময়লার বিনে আগুন দেয় এবং পরে পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করে।