
বিডিজেন ডেস্ক

বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের নাগরিকদের সব ধরনের ভিসা প্রক্রিয়া কার্যক্রম স্থগিত করছে আমেরিকা।
দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্রের বরাতে বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।
মুখপাত্র জানান, ট্রাম্প প্রশাসন ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের জন্য সব ধরনের ভিসা প্রক্রিয়া স্থগিত করেছে। তবে তিনি এ প্রক্রিয়ার বিস্তারিত জানাননি।
এক চিঠিতে সংশ্লিষ্ট কনস্যুলার অফিসকে আমেরিকার পররাষ্ট্র দপ্তর একটি নির্দেশ দিয়েছে বলে ফক্স নিউজ জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিসা আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের সময় বিদ্যমান আইনের অধীনে ভিসা প্রত্যাখ্যানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে চিঠিতে।
আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে এ নির্দেশ কার্যকর হবে এবং অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়াকরণ পুনর্মূল্যায়ন না করা পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য অব্যাহত থাকবে বলেও এতে উল্লেখ করা হয়।
এর আগে, গত বছরের নভেম্বরে আমেরিকার পররাষ্ট্র দপ্তর এক চিঠিতে কনস্যুলার অফিসারদের অভিবাসন আইন অনুযায়ী ভিসা আবেদন যাচাই-বাছাই করার নির্দেশ দিয়েছিল।
পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট এক বিবৃতিতে বলেন, “৭৫টি দেশ থেকে অভিবাসন স্থগিত রাখা হচ্ছে। পররাষ্ট্র দপ্তর অভিবাসন প্রক্রিয়া পুনর্মূল্যায়ন করবে যেন সুবিধা নেওয়া বিদেশি নাগরিকদের প্রবেশ রোধ করা যায়।”
বাংলাদেশ ছাড়া তালিকায় থাকা দেশগুলো হলো—আফগানিস্তান, আলবেনিয়া, আলজেরিয়া, অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডা, আর্মেনিয়া, আজারবাইজান, বাহামা, বার্বাডোস, বেলারুশ, বেলিজ, ভুটান, বসনিয়া, ব্রাজিল, মিয়ানমার, কম্বোডিয়া, ক্যামেরুন, কেপ ভার্দে, কলম্বিয়া, আইভরি কোস্ট, কিউবা, গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, ডোমিনিকা, মিসর, ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, ফিজি, গাম্বিয়া, জর্জিয়া, ঘানা, গ্রেনাডা, গুয়াতেমালা, গিনি, হাইতি, ইরান, ইরাক, জ্যামাইকা, জর্ডান, কাজাখস্তান, কসোভো, কুয়েত, কিরগিজস্তান, লাওস, লেবানন, লাইবেরিয়া, লিবিয়া, মেসেডোনিয়া, মলদোভা, মঙ্গোলিয়া, মন্টেনেগ্রো, মরক্কো, নেপাল, নিকারাগুয়া, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, রাশিয়া, রুয়ান্ডা, সেন্ট কিটস ও নেভিস, সেন্ট লুসিয়া, সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইনস, সেনেগাল, সিয়েরা লিওন, সোমালিয়া, দক্ষিণ সুদান, সুদান, সিরিয়া, তানজানিয়া, থাইল্যান্ড, টোগো, তিউনিসিয়া, উগান্ডা, উরুগুয়ে, উজবেকিস্তান এবং ইয়েমেন।

বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের নাগরিকদের সব ধরনের ভিসা প্রক্রিয়া কার্যক্রম স্থগিত করছে আমেরিকা।
দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্রের বরাতে বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।
মুখপাত্র জানান, ট্রাম্প প্রশাসন ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের জন্য সব ধরনের ভিসা প্রক্রিয়া স্থগিত করেছে। তবে তিনি এ প্রক্রিয়ার বিস্তারিত জানাননি।
এক চিঠিতে সংশ্লিষ্ট কনস্যুলার অফিসকে আমেরিকার পররাষ্ট্র দপ্তর একটি নির্দেশ দিয়েছে বলে ফক্স নিউজ জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিসা আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের সময় বিদ্যমান আইনের অধীনে ভিসা প্রত্যাখ্যানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে চিঠিতে।
আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে এ নির্দেশ কার্যকর হবে এবং অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়াকরণ পুনর্মূল্যায়ন না করা পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য অব্যাহত থাকবে বলেও এতে উল্লেখ করা হয়।
এর আগে, গত বছরের নভেম্বরে আমেরিকার পররাষ্ট্র দপ্তর এক চিঠিতে কনস্যুলার অফিসারদের অভিবাসন আইন অনুযায়ী ভিসা আবেদন যাচাই-বাছাই করার নির্দেশ দিয়েছিল।
পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট এক বিবৃতিতে বলেন, “৭৫টি দেশ থেকে অভিবাসন স্থগিত রাখা হচ্ছে। পররাষ্ট্র দপ্তর অভিবাসন প্রক্রিয়া পুনর্মূল্যায়ন করবে যেন সুবিধা নেওয়া বিদেশি নাগরিকদের প্রবেশ রোধ করা যায়।”
বাংলাদেশ ছাড়া তালিকায় থাকা দেশগুলো হলো—আফগানিস্তান, আলবেনিয়া, আলজেরিয়া, অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডা, আর্মেনিয়া, আজারবাইজান, বাহামা, বার্বাডোস, বেলারুশ, বেলিজ, ভুটান, বসনিয়া, ব্রাজিল, মিয়ানমার, কম্বোডিয়া, ক্যামেরুন, কেপ ভার্দে, কলম্বিয়া, আইভরি কোস্ট, কিউবা, গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, ডোমিনিকা, মিসর, ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, ফিজি, গাম্বিয়া, জর্জিয়া, ঘানা, গ্রেনাডা, গুয়াতেমালা, গিনি, হাইতি, ইরান, ইরাক, জ্যামাইকা, জর্ডান, কাজাখস্তান, কসোভো, কুয়েত, কিরগিজস্তান, লাওস, লেবানন, লাইবেরিয়া, লিবিয়া, মেসেডোনিয়া, মলদোভা, মঙ্গোলিয়া, মন্টেনেগ্রো, মরক্কো, নেপাল, নিকারাগুয়া, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, রাশিয়া, রুয়ান্ডা, সেন্ট কিটস ও নেভিস, সেন্ট লুসিয়া, সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইনস, সেনেগাল, সিয়েরা লিওন, সোমালিয়া, দক্ষিণ সুদান, সুদান, সিরিয়া, তানজানিয়া, থাইল্যান্ড, টোগো, তিউনিসিয়া, উগান্ডা, উরুগুয়ে, উজবেকিস্তান এবং ইয়েমেন।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।