
বিডিজেন ডেস্ক

মিয়ানমারে গত শুক্রবারের (২৮ মার্চ) ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ৩ হাজার ছাড়িয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন সামরিক জান্তার বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
জান্তা মুখপাত্রের বিবৃতিতে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত ৩ হাজার ৮৫ জনের প্রাণহানির বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে। এখনো অন্তত ৩৪১ জন নিখোঁজ আছে। আহত হয়েছে আরও ৪ হাজার ৭১৫ জন।
মুখপাত্র জাউ মিন তুন জানান, ১৭টি দেশ থেকে আসা উদ্ধারকর্মী ও ত্রাণকর্মীরা রাত-দিন কাজ করে যাচ্ছে। তারা সঙ্গে এক হাজার টন ত্রাণ সামগ্রী ও জরুরি উপকরণ নিয়ে এসেছে।
তিনি বলেন, 'আমরা খোঁজ ও উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছি। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও মেডিকেল টিমগুলো যে কঠোর পরিশ্রম করছে, তার জন্য বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই।'
গত শুক্রবার মিয়ানমারের মান্দালয়ে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার এই শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে মিয়ানমারের পাশাপাশি নিকটবর্তী দেশ থাইল্যান্ডেও ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ দেখা দেয়।
আরও পড়ুন

মিয়ানমারে গত শুক্রবারের (২৮ মার্চ) ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ৩ হাজার ছাড়িয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন সামরিক জান্তার বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
জান্তা মুখপাত্রের বিবৃতিতে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত ৩ হাজার ৮৫ জনের প্রাণহানির বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে। এখনো অন্তত ৩৪১ জন নিখোঁজ আছে। আহত হয়েছে আরও ৪ হাজার ৭১৫ জন।
মুখপাত্র জাউ মিন তুন জানান, ১৭টি দেশ থেকে আসা উদ্ধারকর্মী ও ত্রাণকর্মীরা রাত-দিন কাজ করে যাচ্ছে। তারা সঙ্গে এক হাজার টন ত্রাণ সামগ্রী ও জরুরি উপকরণ নিয়ে এসেছে।
তিনি বলেন, 'আমরা খোঁজ ও উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছি। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও মেডিকেল টিমগুলো যে কঠোর পরিশ্রম করছে, তার জন্য বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই।'
গত শুক্রবার মিয়ানমারের মান্দালয়ে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার এই শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে মিয়ানমারের পাশাপাশি নিকটবর্তী দেশ থাইল্যান্ডেও ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ দেখা দেয়।
আরও পড়ুন
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।