logo
প্রবাসের খবর

সৌদির বিমানবন্দরগুলো দিয়ে যাত্রী যাতায়াতের রেকর্ড

বিডিজেন ডেস্ক
বিডিজেন ডেস্ক২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
Copied!
সৌদির বিমানবন্দরগুলো দিয়ে যাত্রী যাতায়াতের রেকর্ড

সৌদির বিমানবন্দরগুলো দিয়ে ২০২৪ সালে রেকর্ড ১২ কোটি ৮০ লাখ যাত্রী যাতায়াত করেছে। যা এর আগের বছরের চেয়ে ১৫ শতাংশ বেশি। সৌদির পরিসংখ্যান দপ্তরের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়ছে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সৌদি গেজেট।

সংবাদমাধ্যমটি জানায়, সৌদির বিমানবন্দরগুলো থেকে গত বছর ৫ কোটি ৯০ লাখ যাত্রী অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে ভ্রমণ করেছে এবং ৬ কোটি ৯০ লাখ যাত্রী আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে ভ্রমণ করেছে।

এদিকে গত বছর সৌদির বিমানবন্দরগুলোতে ফ্লাইটের সংখ্যা ছিল ২০২৩ সালের তুলনায় ১১ শতাংশ বেশি। এসময় বিমানবন্দরগুলো থেকে ৯ লাখ ৫ হাজার ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে ৪ লাখ ৭৪ হাজার ছিল অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট এবং ৪ লাখ ৩১ হাজার ছিল আন্তর্জাতিক ফ্লাইট।

সৌদির এয়ার কানেক্টিভিটিও ২০২৪ সালে এর আগের বছরের চেয়ে ১৬ শতাংশ বেড়েছে। সৌদি আরব এখন বিশ্বের ১৭০ টিরও বেশি গন্তব্যের সঙ্গে সংযুক্ত।

সৌদির মূল বিমানবন্দরগুলো হলো-রিয়াদ, জেদ্দা, দাম্মাম এবং মদিনা। দেশটির ৮২ শতাংশ বিমান চলাচলই এসব বিমানবন্দর থেকে পরিচালিত হয়।

আরও দেখুন

হামলার ঝুঁকির মধ্যেই খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজ আদায় ইরানিদের

হামলার ঝুঁকির মধ্যেই খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজ আদায় ইরানিদের

আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।

২ দিন আগে

যুদ্ধের আতঙ্কে ইরানে উৎসবের রং ম্লান

যুদ্ধের আতঙ্কে ইরানে উৎসবের রং ম্লান

নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।

২ দিন আগে

মধ্যপ্রাচ্যে বিষণ্ন ঈদ

মধ্যপ্রাচ্যে বিষণ্ন ঈদ

উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।

৩ দিন আগে

অস্ট্রেলিয়া ও তুরস্কে ঈদ ২০ মার্চ, সিঙ্গাপুরে ২১ মার্চ

অস্ট্রেলিয়া ও তুরস্কে ঈদ ২০ মার্চ, সিঙ্গাপুরে ২১ মার্চ

অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

৫ দিন আগে