
বিডিজেন ডেস্ক

ইন্দোনেশিয়া থেকে সাগরপথে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় প্রবেশের চেষ্টাকালে ২৪ বাংলাদেশিকে আটক করেছে দেশটির রিও প্রদেশের দুমাই নৌ-সদর দপ্তর বিভাগ। এ সময় ১৭ জন ইন্দোনেশিয়ার নাগরিককেও আটক করা হয়েছে।
শনিবার (৩০ নভেম্বর) বিকেলে মালয়েশিয়ার পেলিন্টুং সমুদ্র সৈকত থেকে তাদের আটক করা হয় বলে জানিয়েছেন দুমাই নৌ সদর দপ্তরের কমান্ডার কর্নেল লৌত (পি) বয় ইয়োপি হামেল।
তিনি বলেন, ‘পেলিন্টুং সমুদ্র সৈকতে অবৈধভাবে মানুষকে মালয়েশিয়া পাচারের চেষ্টা চলছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে মানবপাচারের অভিযোগে আমরা প্রথমে দুই সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করি।
গ্রেপ্তার দুজনের দেওয়া তথ্যমতে পরে স্পিডবোট নিয়ে দুটি দলকে সমুদ্রে পাঠানো হয়। এরপর মেদাং কাম্পাই দুমাই জেলার পেলিনতুং সৈকতের উপকূল থেকে তাদের আটক করা হয়। আটকদের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় প্রবেশের মামলা হয়েছে এবং সেই সঙ্গে তদন্তও চলমান রয়েছে।
এ ছাড়া, মানবপাচারের অভিযোগে দুই সন্দেহভাজনকে নৌ সদর দপ্তর পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এদিকে ১৭ জন ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক এবং ২৪ জন বাংলাদেশি নাগরিককে দুমাইয়ের শ্রমিক সুরক্ষা কর্মকর্তা এবং ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে নৌ সদর দপ্তর।

ইন্দোনেশিয়া থেকে সাগরপথে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় প্রবেশের চেষ্টাকালে ২৪ বাংলাদেশিকে আটক করেছে দেশটির রিও প্রদেশের দুমাই নৌ-সদর দপ্তর বিভাগ। এ সময় ১৭ জন ইন্দোনেশিয়ার নাগরিককেও আটক করা হয়েছে।
শনিবার (৩০ নভেম্বর) বিকেলে মালয়েশিয়ার পেলিন্টুং সমুদ্র সৈকত থেকে তাদের আটক করা হয় বলে জানিয়েছেন দুমাই নৌ সদর দপ্তরের কমান্ডার কর্নেল লৌত (পি) বয় ইয়োপি হামেল।
তিনি বলেন, ‘পেলিন্টুং সমুদ্র সৈকতে অবৈধভাবে মানুষকে মালয়েশিয়া পাচারের চেষ্টা চলছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে মানবপাচারের অভিযোগে আমরা প্রথমে দুই সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করি।
গ্রেপ্তার দুজনের দেওয়া তথ্যমতে পরে স্পিডবোট নিয়ে দুটি দলকে সমুদ্রে পাঠানো হয়। এরপর মেদাং কাম্পাই দুমাই জেলার পেলিনতুং সৈকতের উপকূল থেকে তাদের আটক করা হয়। আটকদের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় প্রবেশের মামলা হয়েছে এবং সেই সঙ্গে তদন্তও চলমান রয়েছে।
এ ছাড়া, মানবপাচারের অভিযোগে দুই সন্দেহভাজনকে নৌ সদর দপ্তর পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এদিকে ১৭ জন ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক এবং ২৪ জন বাংলাদেশি নাগরিককে দুমাইয়ের শ্রমিক সুরক্ষা কর্মকর্তা এবং ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে নৌ সদর দপ্তর।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।