
বিডিজেন ডেস্ক

বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানসহ ১৪টি দেশের ব্লক ওয়ার্ক ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে সৌদি আরব। দেশটির সম্পদ ও সমাজ উন্নয়ন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মূলত হজ মৌসুমে অভিবাসন ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের সংবাদমাধ্যম আরব টাইমস এ খবর দিয়েছে।
আরব টাইমস জানিয়েছে, স্থগিতাদেশটি এ বছরের জুনের শেষ দিন পর্যন্ত কার্যকর থাকবে বলে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এই ভিসা স্থগিতাদেশের ফলে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, মিসর, ইন্দোনেশিয়া, ইরাক, নাইজেরিয়া, জর্ডান, আলজেরিয়া, সুদান, ইথিওপিয়া, তিউনিসিয়া, ইয়েমেন ও মরক্কোর নাগরিকদের জন্য নতুন ব্লক ওয়ার্ক ভিসা কোটা আপাতত বন্ধ থাকবে।
ব্লক ওয়ার্ক ভিসা কী
ব্লক ওয়ার্ক ভিসা হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠানগুলো নির্দিষ্টসংখ্যক বিদেশি কর্মী নিয়োগের অনুমতি পায়। এই ভিসার অধীনে আবেদনকারীরা সাধারণত একটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানে কাজের জন্য সৌদি আরবে প্রবেশ করেন। স্থগিতাদেশের ফলে নিয়োগকর্তারা এই দেশগুলো থেকে নতুন কর্মী নিয়োগ করতে পারবেন না। এমনকি যারা ইতিমধ্যেই বৈধ কর্ম ভিসা পেয়েছেন কিন্তু সৌদি আরবে প্রবেশ করেননি, তারাও প্রবেশে জটিলতার মুখে পড়তে পারেন।
কেন এমন সিদ্ধান্ত
সৌদি আরবের সম্পদ ও সমাজ উন্নয়ন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হজ মৌসুমে অতিরিক্ত ভিড় নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ হজ প্রতিরোধ এবং অভিবাসন নীতির কঠোর প্রয়োগ করার উদ্দেশ্যই ব্লক ওয়ার্ক ভিসা স্থগিত করা হয়েছে। এ ছাড়া, অনেকেই একাধিক প্রবেশ ভিসার সুযোগ নিয়ে দেশটিতে প্রবেশ করে অনুমোদনহীনভাবে হজ পালনের চেষ্টা করছিলেন, যা নিরাপত্তা ব্যবস্থায় হুমকি তৈরি করছিল।
সৌদি কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, শুধু কর্ম ভিসাই নয়, একইসঙ্গে ওমরাহ ও পারিবারিক ভিজিট ভিসার ক্ষেত্রেও কঠোরতা আরোপ করা হয়েছে। ভিসা আবেদনে বিলম্ব ও প্রত্যাখ্যানের ঘটনাও বাড়ছে। ব্যবসায়িক ভিসাও ব্যাহত হচ্ছে। দেশটির নিয়োগকর্তাদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বিকল্প দেশগুলো বিবেচনায় নিতে এবং নিয়োগ পরিকল্পনা সাময়িকভাবে স্থগিত রাখতে। ভ্রমণকারীদের জন্যও সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানসহ ১৪টি দেশের ব্লক ওয়ার্ক ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে সৌদি আরব। দেশটির সম্পদ ও সমাজ উন্নয়ন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মূলত হজ মৌসুমে অভিবাসন ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের সংবাদমাধ্যম আরব টাইমস এ খবর দিয়েছে।
আরব টাইমস জানিয়েছে, স্থগিতাদেশটি এ বছরের জুনের শেষ দিন পর্যন্ত কার্যকর থাকবে বলে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এই ভিসা স্থগিতাদেশের ফলে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, মিসর, ইন্দোনেশিয়া, ইরাক, নাইজেরিয়া, জর্ডান, আলজেরিয়া, সুদান, ইথিওপিয়া, তিউনিসিয়া, ইয়েমেন ও মরক্কোর নাগরিকদের জন্য নতুন ব্লক ওয়ার্ক ভিসা কোটা আপাতত বন্ধ থাকবে।
ব্লক ওয়ার্ক ভিসা কী
ব্লক ওয়ার্ক ভিসা হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে সৌদি আরবের প্রতিষ্ঠানগুলো নির্দিষ্টসংখ্যক বিদেশি কর্মী নিয়োগের অনুমতি পায়। এই ভিসার অধীনে আবেদনকারীরা সাধারণত একটি নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানে কাজের জন্য সৌদি আরবে প্রবেশ করেন। স্থগিতাদেশের ফলে নিয়োগকর্তারা এই দেশগুলো থেকে নতুন কর্মী নিয়োগ করতে পারবেন না। এমনকি যারা ইতিমধ্যেই বৈধ কর্ম ভিসা পেয়েছেন কিন্তু সৌদি আরবে প্রবেশ করেননি, তারাও প্রবেশে জটিলতার মুখে পড়তে পারেন।
কেন এমন সিদ্ধান্ত
সৌদি আরবের সম্পদ ও সমাজ উন্নয়ন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হজ মৌসুমে অতিরিক্ত ভিড় নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ হজ প্রতিরোধ এবং অভিবাসন নীতির কঠোর প্রয়োগ করার উদ্দেশ্যই ব্লক ওয়ার্ক ভিসা স্থগিত করা হয়েছে। এ ছাড়া, অনেকেই একাধিক প্রবেশ ভিসার সুযোগ নিয়ে দেশটিতে প্রবেশ করে অনুমোদনহীনভাবে হজ পালনের চেষ্টা করছিলেন, যা নিরাপত্তা ব্যবস্থায় হুমকি তৈরি করছিল।
সৌদি কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, শুধু কর্ম ভিসাই নয়, একইসঙ্গে ওমরাহ ও পারিবারিক ভিজিট ভিসার ক্ষেত্রেও কঠোরতা আরোপ করা হয়েছে। ভিসা আবেদনে বিলম্ব ও প্রত্যাখ্যানের ঘটনাও বাড়ছে। ব্যবসায়িক ভিসাও ব্যাহত হচ্ছে। দেশটির নিয়োগকর্তাদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বিকল্প দেশগুলো বিবেচনায় নিতে এবং নিয়োগ পরিকল্পনা সাময়িকভাবে স্থগিত রাখতে। ভ্রমণকারীদের জন্যও সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
দেশটির অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, সোমবার দুপুর প্রায় ১টা ৩০ মিনিটে শুরু হওয়া এ অভিযানে ২০ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়। তাদের সম্প্রতি কেলান্তানের একটি অবৈধ প্রবেশপথ দিয়ে মালয়েশিয়ায় আনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গাসান আল-নুয়াইমি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ত্রুটি সংশোধন না করলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওমরাহ খাতের নির্ভরযোগ্যতা বাড়ানো ও হাজিদের অধিকার সুরক্ষায় পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
খামেনি আরও বলেন, ‘আমরা কোনো যুদ্ধ শুরু করতে চাই না এবং কোনো দেশে আক্রমণের ইচ্ছাও আমাদের নেই। তবে যদি কেউ ইরানি জাতির ওপর হামলা চালায় কিংবা হয়রানি করার চেষ্টা করে, তবে তাদের ওপর পাল্টা কঠোর আঘাত হানা হবে।
বিক্ষোভ শুধু মিনেসোটায় সীমিত থাকেনি। গতকাল আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬টি অঙ্গরাজ্যে প্রায় ২৫০টি বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। বড় শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো ও ওয়াশিংটন।