
বিডিজেন ডেস্ক
সৌদি আরবে প্রথমবারের মতো হাইড্রোজেনচালিত বাস সার্ভিস চালু করা হয়েছে।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থা গড়তে সৌদি সরকারের প্রচেষ্টার একটি অন্যতম মাইলফলক এই বাস সার্ভিস।
সম্প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
সৌদির আল আহসা অঞ্চলের গভর্নর সৌদ বিন তালাল পরীক্ষামূলক বাস সার্ভিসটির উদ্বোধন করেন। এই বাস আল আহসা থেকে দাম্মাম পর্যন্ত প্রতিদিন ৩৫৯ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করবে। বাসটির ৪৫ জন যাত্রী বহন করার সক্ষমতা রয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানায়, কার্বন নিঃসরণ কমাতে অবদান রাখে এমন উদ্ভাবনকে সমর্থন এবং টেকসই পরিবহন ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের প্রচেষ্টার অংশ এই বাস সার্ভিস।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে সৌদি আরব পরিবেশবান্ধব পরিবহন চালু করার বেশ কয়েকটি উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। দেশটিতে সম্প্রতি প্রথমবারের ম ও হাইড্রোজেনচালিত ট্যাক্সি চালু হয়েছে।
গত বছর রিয়াদে হাইড্রোজেনচালিত ট্রেনও পরীক্ষামূলকভাবে চালানো হয়।
সৌদি আরবে প্রথমবারের মতো হাইড্রোজেনচালিত বাস সার্ভিস চালু করা হয়েছে।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থা গড়তে সৌদি সরকারের প্রচেষ্টার একটি অন্যতম মাইলফলক এই বাস সার্ভিস।
সম্প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
সৌদির আল আহসা অঞ্চলের গভর্নর সৌদ বিন তালাল পরীক্ষামূলক বাস সার্ভিসটির উদ্বোধন করেন। এই বাস আল আহসা থেকে দাম্মাম পর্যন্ত প্রতিদিন ৩৫৯ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করবে। বাসটির ৪৫ জন যাত্রী বহন করার সক্ষমতা রয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানায়, কার্বন নিঃসরণ কমাতে অবদান রাখে এমন উদ্ভাবনকে সমর্থন এবং টেকসই পরিবহন ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের প্রচেষ্টার অংশ এই বাস সার্ভিস।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে সৌদি আরব পরিবেশবান্ধব পরিবহন চালু করার বেশ কয়েকটি উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। দেশটিতে সম্প্রতি প্রথমবারের ম ও হাইড্রোজেনচালিত ট্যাক্সি চালু হয়েছে।
গত বছর রিয়াদে হাইড্রোজেনচালিত ট্রেনও পরীক্ষামূলকভাবে চালানো হয়।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।