
বিডিজেন ডেস্ক

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে রাশিয়ার অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বলেছেন, প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন তাঁর প্রশাসনের শেষ মাসগুলোতে ইউক্রেনে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা জোরদার করতে চান।
খবর বার্তা সংস্থা এপি ও ইউএনবির।
বুধবার (১৩ নভেম্বর) ন্যাটো সদর দপ্তরে মিত্র দেশগুলোর দূত ও ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের আগে ব্লিঙ্কেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘ইউক্রেন যাতে রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কার্যকরভাবে আত্মরক্ষা করতে পারে তা নিশ্চিত করতে আমরা যা করে চলেছি, তা অব্যাহত থাকবে।’
রুশ বাহিনীর পাশাপাশি ইউক্রেনে উত্তর কোরিয়ার সেনা পাঠানোর বিষয়ে ব্লিঙ্কেন বলেন, ‘এর কড়া জবাব দেওয়া হবে।’
যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া ও ইউক্রেনের গোয়েন্দা সংস্থার সমীক্ষা বলছে, ইউক্রেনে উত্তর কোরিয়ার ১২ হাজার সেনা পাঠানো হয়েছে। এই সেনাদের বেশির ভাগই রাশিয়ার কুরস্ক অঞ্চলে মোতায়েন করা হবে বলে মনে করা হয়েছিল।
এদিকে, ৭৩ দিনের মধ্যে কিয়েভে প্রথমবারের মতো ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া।
এ বিষয়ে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, ‘ইউক্রেনীয়দের যুদ্ধ চালিয়ে যেতে নিরুৎসাহিত করার প্রয়াসে রাশিয়া হামলা জোরদার করছে।’
২০২৫ সালের জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প দায়িত্ব নেয়ার পর ওয়াশিংটন ইউক্রেনের বিষয়ে নিজেদের যুদ্ধনীতিতে পরিবর্তন আনতে পারে বলে সংশয় দেখা দিয়েছে।
ইউক্রেনকে কয়েক বিলিয়ন ডলার সামরিক সহায়তা দেওয়ায় বাইডেন প্রশাসনের সমালোচনা করেছেন ট্রাম্প। পাশাপাশি দ্রুত সংঘাতের অবসান ঘটানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।
তবে ইউক্রেনের আন্তর্জাতিক সমর্থকদের আশঙ্কা, তাড়াহুড়া করে যেকোনো সমঝোতা হলে লাভবান হবেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে রাশিয়ার অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বলেছেন, প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন তাঁর প্রশাসনের শেষ মাসগুলোতে ইউক্রেনে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা জোরদার করতে চান।
খবর বার্তা সংস্থা এপি ও ইউএনবির।
বুধবার (১৩ নভেম্বর) ন্যাটো সদর দপ্তরে মিত্র দেশগুলোর দূত ও ইউক্রেনীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের আগে ব্লিঙ্কেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘ইউক্রেন যাতে রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কার্যকরভাবে আত্মরক্ষা করতে পারে তা নিশ্চিত করতে আমরা যা করে চলেছি, তা অব্যাহত থাকবে।’
রুশ বাহিনীর পাশাপাশি ইউক্রেনে উত্তর কোরিয়ার সেনা পাঠানোর বিষয়ে ব্লিঙ্কেন বলেন, ‘এর কড়া জবাব দেওয়া হবে।’
যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া ও ইউক্রেনের গোয়েন্দা সংস্থার সমীক্ষা বলছে, ইউক্রেনে উত্তর কোরিয়ার ১২ হাজার সেনা পাঠানো হয়েছে। এই সেনাদের বেশির ভাগই রাশিয়ার কুরস্ক অঞ্চলে মোতায়েন করা হবে বলে মনে করা হয়েছিল।
এদিকে, ৭৩ দিনের মধ্যে কিয়েভে প্রথমবারের মতো ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া।
এ বিষয়ে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, ‘ইউক্রেনীয়দের যুদ্ধ চালিয়ে যেতে নিরুৎসাহিত করার প্রয়াসে রাশিয়া হামলা জোরদার করছে।’
২০২৫ সালের জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প দায়িত্ব নেয়ার পর ওয়াশিংটন ইউক্রেনের বিষয়ে নিজেদের যুদ্ধনীতিতে পরিবর্তন আনতে পারে বলে সংশয় দেখা দিয়েছে।
ইউক্রেনকে কয়েক বিলিয়ন ডলার সামরিক সহায়তা দেওয়ায় বাইডেন প্রশাসনের সমালোচনা করেছেন ট্রাম্প। পাশাপাশি দ্রুত সংঘাতের অবসান ঘটানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।
তবে ইউক্রেনের আন্তর্জাতিক সমর্থকদের আশঙ্কা, তাড়াহুড়া করে যেকোনো সমঝোতা হলে লাভবান হবেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
দেশটির অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, সোমবার দুপুর প্রায় ১টা ৩০ মিনিটে শুরু হওয়া এ অভিযানে ২০ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়। তাদের সম্প্রতি কেলান্তানের একটি অবৈধ প্রবেশপথ দিয়ে মালয়েশিয়ায় আনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গাসান আল-নুয়াইমি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ত্রুটি সংশোধন না করলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওমরাহ খাতের নির্ভরযোগ্যতা বাড়ানো ও হাজিদের অধিকার সুরক্ষায় পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
খামেনি আরও বলেন, ‘আমরা কোনো যুদ্ধ শুরু করতে চাই না এবং কোনো দেশে আক্রমণের ইচ্ছাও আমাদের নেই। তবে যদি কেউ ইরানি জাতির ওপর হামলা চালায় কিংবা হয়রানি করার চেষ্টা করে, তবে তাদের ওপর পাল্টা কঠোর আঘাত হানা হবে।
বিক্ষোভ শুধু মিনেসোটায় সীমিত থাকেনি। গতকাল আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬টি অঙ্গরাজ্যে প্রায় ২৫০টি বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। বড় শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো ও ওয়াশিংটন।