
বিডিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনকে ভয়েস অব আমেরিকার (ভিওএ) এক হাজারের বেশি কর্মীকে কাজে ফিরিয়ে আনতে আদালতের দেওয়া একটি আদেশ স্থানীয় সময় শনিবার (৩ মে) স্থগিত করেছে দেশটির এক ফেডারেল আপিল আদালত।
খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।
যুক্তরাষ্ট্রের ডিস্ট্রিক্ট বিচারক রয়স ল্যামবার্থ গত ২২ এপ্রিল প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছিলেন, তারা যেন যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যমটির কর্মী ও ঠিকাদারদের তাদের পদে পুনর্বহাল এবং রেডিও, টেলিভিশন ও অনলাইন সংবাদের সম্প্রচার ও কিছু অনুদান আবার শুরু করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
শনিবার আপিল আদালতের ২-১ ভোটে গৃহীত রায়ে বলা হয়েছে, ভয়েস অব আমেরিকার কর্মীদের কাজে ফেরানো এবং রেডিও ফ্রি এশিয়া ও মিডল ইস্ট ব্রডকাস্টিং নেটওয়ার্কের জন্য নির্ধারিত ১৫ মিলিয়ন (দেড় কোটি) ডলারের অনুদান ফিরিয়ে দেওয়ার ল্যামবার্থের ওই আদেশ জারির যথাযথ বিচারিক ক্ষমতা ছিল না।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে গত মার্চ মাসে আকস্মিকভাবে সম্প্রচার বন্ধ করে দেয় যুক্তরাষ্ট্রের ‘এজেন্সি ফর গ্লোবাল মিডিয়া (ইউএসএজিএম)’। একই সঙ্গে সংস্থাটি এক হাজারের বেশি কর্মীকে ছুটিতে পাঠায় ও ৬০০ ঠিকাদারকে ছাঁটাইয়ের নোটিশ দেয়।
আপিল আদালত রায়ে উল্লেখ করে, ল্যামবার্থের আদেশে ভয়েস অব আমেরিকার ‘আইনানুযায়ী নির্ধারিত সম্প্রচার’ আবার চালুর বিষয়টি সরকার চ্যালেঞ্জ করেনি।
গত শুক্রবার প্রকাশিত একাধিক প্রতিবেদনে বলা হয়, ভয়েস অব আমেরিকা আগামী সপ্তাহে সম্প্রচার আবার শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে এ বিষয়ে ইউএসএজিএম শনিবার তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।
আপিল আদালতের রায়ে ভিন্নমত পোষণ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সার্কিট বিচারক কর্নেলিয়া পিলার্ড। তিনি বলেন, ওই সিদ্ধান্ত প্রায় নিশ্চিত করে দিচ্ছে যে মামলাটি সম্পূর্ণ নিষ্পত্তি হওয়ার আগেই এসব নেটওয়ার্ক কার্যত বিলুপ্ত হয়ে যাবে।
পিলার্ড আরও বলেন, এ কারণে অদূরভবিষ্যতে ভয়েস অব আমেরিকা নীরব হয়ে যাবে এবং রেডিও ফ্রি এশিয়া ও মিডল ইস্ট ব্রডকাস্টিং নেটওয়ার্কের শেষ পর্যন্ত মামলা টিকিয়ে রাখার সামর্থ্য থাকবে না।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশের পর ৮০ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম ভয়েস অব আমেরিকা সংবাদ সম্প্রচার বন্ধ রেখেছে। তাদের ওয়েবসাইট গত ১৫ মার্চের পর থেকে হালনাগাদ হয়নি ও অনুষ্ঠাননির্ভর বিদেশের রেডিও স্টেশনগুলো এখন বন্ধ আছে বা শুধু সংগীত সম্প্রচার করছে।
বিচারক ল্যামবার্থ রায়ে উল্লেখ করেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস এসব সম্প্রচার বাধ্যতামূলক করেছে এবং নির্বাহী বিভাগকে একতরফাভাবে সেগুলো বন্ধ বা অর্থায়ন বন্ধের অনুমতি দেয়নি।
ট্রাম্পের উপদেষ্টা ক্যারি লেক ১৫ মার্চ ভয়েস অব আমেরিকার সম্প্রচার বন্ধের ঘোষণা দেন এবং ইউএসএজিএমের প্রায় সব কর্মীকে ছুটিতে পাঠান। তিনি বলেন, সংস্থাটি ‘অপূরণীয়ভাবে ভেঙে পড়েছে’ ও ট্রাম্পের বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট। আপিল আদালতের রায়কে গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘আমাদের জন্য এক বিশাল জয়’ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনকে ভয়েস অব আমেরিকার (ভিওএ) এক হাজারের বেশি কর্মীকে কাজে ফিরিয়ে আনতে আদালতের দেওয়া একটি আদেশ স্থানীয় সময় শনিবার (৩ মে) স্থগিত করেছে দেশটির এক ফেডারেল আপিল আদালত।
খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।
যুক্তরাষ্ট্রের ডিস্ট্রিক্ট বিচারক রয়স ল্যামবার্থ গত ২২ এপ্রিল প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছিলেন, তারা যেন যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যমটির কর্মী ও ঠিকাদারদের তাদের পদে পুনর্বহাল এবং রেডিও, টেলিভিশন ও অনলাইন সংবাদের সম্প্রচার ও কিছু অনুদান আবার শুরু করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
শনিবার আপিল আদালতের ২-১ ভোটে গৃহীত রায়ে বলা হয়েছে, ভয়েস অব আমেরিকার কর্মীদের কাজে ফেরানো এবং রেডিও ফ্রি এশিয়া ও মিডল ইস্ট ব্রডকাস্টিং নেটওয়ার্কের জন্য নির্ধারিত ১৫ মিলিয়ন (দেড় কোটি) ডলারের অনুদান ফিরিয়ে দেওয়ার ল্যামবার্থের ওই আদেশ জারির যথাযথ বিচারিক ক্ষমতা ছিল না।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে গত মার্চ মাসে আকস্মিকভাবে সম্প্রচার বন্ধ করে দেয় যুক্তরাষ্ট্রের ‘এজেন্সি ফর গ্লোবাল মিডিয়া (ইউএসএজিএম)’। একই সঙ্গে সংস্থাটি এক হাজারের বেশি কর্মীকে ছুটিতে পাঠায় ও ৬০০ ঠিকাদারকে ছাঁটাইয়ের নোটিশ দেয়।
আপিল আদালত রায়ে উল্লেখ করে, ল্যামবার্থের আদেশে ভয়েস অব আমেরিকার ‘আইনানুযায়ী নির্ধারিত সম্প্রচার’ আবার চালুর বিষয়টি সরকার চ্যালেঞ্জ করেনি।
গত শুক্রবার প্রকাশিত একাধিক প্রতিবেদনে বলা হয়, ভয়েস অব আমেরিকা আগামী সপ্তাহে সম্প্রচার আবার শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে এ বিষয়ে ইউএসএজিএম শনিবার তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।
আপিল আদালতের রায়ে ভিন্নমত পোষণ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সার্কিট বিচারক কর্নেলিয়া পিলার্ড। তিনি বলেন, ওই সিদ্ধান্ত প্রায় নিশ্চিত করে দিচ্ছে যে মামলাটি সম্পূর্ণ নিষ্পত্তি হওয়ার আগেই এসব নেটওয়ার্ক কার্যত বিলুপ্ত হয়ে যাবে।
পিলার্ড আরও বলেন, এ কারণে অদূরভবিষ্যতে ভয়েস অব আমেরিকা নীরব হয়ে যাবে এবং রেডিও ফ্রি এশিয়া ও মিডল ইস্ট ব্রডকাস্টিং নেটওয়ার্কের শেষ পর্যন্ত মামলা টিকিয়ে রাখার সামর্থ্য থাকবে না।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশের পর ৮০ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম ভয়েস অব আমেরিকা সংবাদ সম্প্রচার বন্ধ রেখেছে। তাদের ওয়েবসাইট গত ১৫ মার্চের পর থেকে হালনাগাদ হয়নি ও অনুষ্ঠাননির্ভর বিদেশের রেডিও স্টেশনগুলো এখন বন্ধ আছে বা শুধু সংগীত সম্প্রচার করছে।
বিচারক ল্যামবার্থ রায়ে উল্লেখ করেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস এসব সম্প্রচার বাধ্যতামূলক করেছে এবং নির্বাহী বিভাগকে একতরফাভাবে সেগুলো বন্ধ বা অর্থায়ন বন্ধের অনুমতি দেয়নি।
ট্রাম্পের উপদেষ্টা ক্যারি লেক ১৫ মার্চ ভয়েস অব আমেরিকার সম্প্রচার বন্ধের ঘোষণা দেন এবং ইউএসএজিএমের প্রায় সব কর্মীকে ছুটিতে পাঠান। তিনি বলেন, সংস্থাটি ‘অপূরণীয়ভাবে ভেঙে পড়েছে’ ও ট্রাম্পের বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট। আপিল আদালতের রায়কে গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘আমাদের জন্য এক বিশাল জয়’ বলে উল্লেখ করেন তিনি।
জি-৭ নেতারা চুক্তিকে সমর্থন জানান। সেই সঙ্গে চুক্তি বাস্তবায়নে কাজ করার কথাও জানান। অধিবেশনে দ্রুত হরমুজ প্রণালি আবার চালু করা এবং এই জলপথের বিকল্প জ্বালানি পরিবহন রুট খুঁজে বের করার বিষয়েও আলোচনা হয়।
আজ সোমবার (১৫ জুন) স্থানীয় সময় ভোররাতে শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে চুক্তির বিষয়ে জানান।
গতকাল বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক ব্রিফিংয়ে আমেরিকান কর্মকর্তারা জানান, এ চুক্তির আওতায় ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে। বিনিময়ে ইরানের নৌ-পরিবহনের ওপর থেকে আমেরিকান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। পদক্ষেপগুলো প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর করা হবে।
শহরের কেন্দ্রের কাছাকাছি একটি ভবনেও আগুন লাগানো হয়। বাসিন্দারা সংবাদ সংস্থা এএফপিকে জানান, বিক্ষোভকারীরা প্রথমে ময়লার বিনে আগুন দেয় এবং পরে পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করে।