
বিডিজেন ডেস্ক

৬০ বছরের বেশি পুরোনো প্রবাসীদের আবাসন আইন সংস্কার করেছে কুয়েত। দেশটির অভিবাসন নীতি আধুনিক করতে এবং ভিসা ব্যবসা ও অভিবাসী কর্মীদের প্রতি অবিচার ঠেকাতে এই সংস্কার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, গত ২৮ নভেম্বর আবাসন আইন সংক্রান্ত নতুন আইনটি আমিরি ডিক্রির মাধ্যমে জারি করা হয়।
আইনটিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে কুয়েতি নাগরিকত্ব অর্জন না করা পর্যন্ত দেশটির নারীদের সন্তানরা ১০ বছরের জন্য আবাসন ব্যবস্থার সুযোগ পাবে, যা ফি ছাড়াই নবায়নযোগ্য। এই সন্তানরা দেশ থেকে ছয় মাসের বেশি সময় ধরে চিকিৎসা বা শিক্ষার উদ্দেশ্যে বাইরে থাকলেও তাদের আবাসন হারাবে না।
এই নতুন আইনটি ভিসা ব্যবসা ও শোষণের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে। এ ছাড়া যারা অর্থের বিনিময়ে দেশটিতে প্রবেশ করবে, বাসস্থান বা ভিসা নবায়ন করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি আরোপ করা হবে।
নতুন আইনে নিয়োগকর্তাদের জন্যও শর্ত রয়েছে। অভিবাসীদের মূল নিয়োগের বাইরে অন্য কোনো কাজে নিয়োগ দিতে পারবে না এবং কর্মীরা যদি অন্যের জন্য কাজ করেন, তবে তার জন্য সঠিক অনুমতি লাগবে।
আরেকটি বড় পরিবর্তন হলো পরিবারভিত্তিক ভ্রমণ ভিসার মেয়াদ তিন মাস বাড়ানো হয়েছে। এক্ষেত্রে ভিসার ফি নির্ধারণ করবে কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এ ছাড়া বিদেশি গৃহকর্মী আনার অপেক্ষার সময়কাল ছয় মাস থেকে কমিয়ে চার মাস করা হয়েছে।
আইনটি আগামী ছয় মাসের মধ্যে কার্যকর হবে। কুয়েতকে আরও আধুনিকীকরণ করতে আইনটি সংস্কার করা হয়েছে বলে জানা যায়।

৬০ বছরের বেশি পুরোনো প্রবাসীদের আবাসন আইন সংস্কার করেছে কুয়েত। দেশটির অভিবাসন নীতি আধুনিক করতে এবং ভিসা ব্যবসা ও অভিবাসী কর্মীদের প্রতি অবিচার ঠেকাতে এই সংস্কার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, গত ২৮ নভেম্বর আবাসন আইন সংক্রান্ত নতুন আইনটি আমিরি ডিক্রির মাধ্যমে জারি করা হয়।
আইনটিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে কুয়েতি নাগরিকত্ব অর্জন না করা পর্যন্ত দেশটির নারীদের সন্তানরা ১০ বছরের জন্য আবাসন ব্যবস্থার সুযোগ পাবে, যা ফি ছাড়াই নবায়নযোগ্য। এই সন্তানরা দেশ থেকে ছয় মাসের বেশি সময় ধরে চিকিৎসা বা শিক্ষার উদ্দেশ্যে বাইরে থাকলেও তাদের আবাসন হারাবে না।
এই নতুন আইনটি ভিসা ব্যবসা ও শোষণের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে। এ ছাড়া যারা অর্থের বিনিময়ে দেশটিতে প্রবেশ করবে, বাসস্থান বা ভিসা নবায়ন করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি আরোপ করা হবে।
নতুন আইনে নিয়োগকর্তাদের জন্যও শর্ত রয়েছে। অভিবাসীদের মূল নিয়োগের বাইরে অন্য কোনো কাজে নিয়োগ দিতে পারবে না এবং কর্মীরা যদি অন্যের জন্য কাজ করেন, তবে তার জন্য সঠিক অনুমতি লাগবে।
আরেকটি বড় পরিবর্তন হলো পরিবারভিত্তিক ভ্রমণ ভিসার মেয়াদ তিন মাস বাড়ানো হয়েছে। এক্ষেত্রে ভিসার ফি নির্ধারণ করবে কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এ ছাড়া বিদেশি গৃহকর্মী আনার অপেক্ষার সময়কাল ছয় মাস থেকে কমিয়ে চার মাস করা হয়েছে।
আইনটি আগামী ছয় মাসের মধ্যে কার্যকর হবে। কুয়েতকে আরও আধুনিকীকরণ করতে আইনটি সংস্কার করা হয়েছে বলে জানা যায়।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।