
প্রতিবেদক, বিডিজেন

দীর্ঘদিনের বন্ধু ও অভিনেতা গহর রশিদকে বিয়ে করেছেন পাকিস্তানি তারকা অভিনেত্রী কুবরা খান। ১২ ফেব্রুয়ারি সৌদি আরবের মক্কায় বিয়ে সেরেছেন এই জুটি।

এর আগে গত সপ্তাহে পাকিস্তানে প্রাক্-বিবাহের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। ‘ধোলকি’তে দুজনের বন্ধুরা উপস্থিত ছিলেন। জমকালো রাতে গানের আয়োজন ছিল । ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
কুবরা ও গহর একাধিক ধারাবাহিকে কাজ করেছেন। এর মধ্যে ‘জান্নাত সে আগা’ ধারাবাহিকটি দর্শকদের মধ্যে সাড়া ফেলেছে

ঠোঁটে লিপস্টিক, হাতে ফুল, পরনে লেহেঙ্গা; হাস্যোজ্জ্বল ভঙ্গিতে হবু বরকে জড়িয়ে ধরে আছেন অভিনেত্রী কুবরা খান। ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
২০১৬ সালে ধারাবাহিকে অভিষেক ঘটে কুবরা খানের। তাঁর আসল নাম রাবিয়া ইকবাল খান। তিনি কুবরা খান নামে পরিচিত। ধারাবাহিকের পাশাপাশি চলচ্চিত্রেও নিয়মিত অভিনয় করেন তিনি।

৩১ বছর বয়সী এই অভিনেত্রীর জন্ম পাঞ্জাবের মুলতানে। ছবি:ইনস্টাগ্রাম থেকে
আরও পড়ুন

দীর্ঘদিনের বন্ধু ও অভিনেতা গহর রশিদকে বিয়ে করেছেন পাকিস্তানি তারকা অভিনেত্রী কুবরা খান। ১২ ফেব্রুয়ারি সৌদি আরবের মক্কায় বিয়ে সেরেছেন এই জুটি।

এর আগে গত সপ্তাহে পাকিস্তানে প্রাক্-বিবাহের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। ‘ধোলকি’তে দুজনের বন্ধুরা উপস্থিত ছিলেন। জমকালো রাতে গানের আয়োজন ছিল । ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
কুবরা ও গহর একাধিক ধারাবাহিকে কাজ করেছেন। এর মধ্যে ‘জান্নাত সে আগা’ ধারাবাহিকটি দর্শকদের মধ্যে সাড়া ফেলেছে

ঠোঁটে লিপস্টিক, হাতে ফুল, পরনে লেহেঙ্গা; হাস্যোজ্জ্বল ভঙ্গিতে হবু বরকে জড়িয়ে ধরে আছেন অভিনেত্রী কুবরা খান। ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
২০১৬ সালে ধারাবাহিকে অভিষেক ঘটে কুবরা খানের। তাঁর আসল নাম রাবিয়া ইকবাল খান। তিনি কুবরা খান নামে পরিচিত। ধারাবাহিকের পাশাপাশি চলচ্চিত্রেও নিয়মিত অভিনয় করেন তিনি।

৩১ বছর বয়সী এই অভিনেত্রীর জন্ম পাঞ্জাবের মুলতানে। ছবি:ইনস্টাগ্রাম থেকে
আরও পড়ুন
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।