
বিডিজেন ডেস্ক

চলতি বছরের হজযাত্রীদের জন্য মেনিনজাইটিসের টিকা বাধ্যতামূলক করেছে সৌদির সরকার। গতকাল রোববার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির ওমরাহ ও হজ মন্ত্রণালয়।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সৌদির নাগরিক ও হজের সময় আগত যাত্রীদের স্বাস্থ্যগত সুরক্ষা নিশ্চিতের অংশ হিসেবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ জানায়, হজযাত্রীদের ম্যানিনজাইটিস টিকা গ্রহণের প্রমাণপত্র বা টিকা সনদও সঙ্গে রাখার নির্দেশ দিয়েছে সৌদি সরকার । সৌদির বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর যদি কোনো যাত্রী টিকা সনদ প্রদর্শন করতে না পারেন, তাহলে তাকে ফেরত পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
সৌদির ওমরাহ ও হজ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা এ প্রসঙ্গে বলেন, হজের সময় সংক্রামক রোগের বিস্তার রোধ করা এখন সময়ের দাবি হয়ে উঠেছে। তাই টিকা গ্রহণ না করলে বা টিকার সনদ না থাকলে কোনো যাত্রীকেই হজের অনুমতি দেওয়া হবে না।
মস্তিষ্কের আবরণকে মেনিনজিস বলা হয়। মেনিনজিসের প্রদাহ হলে তাকে মেনিনজাইটিস বলে। সাধারণত নানা ধরনের জীবাণু দিয়ে সংক্রমণের কারণে এটি হয়ে থাকে। এই রোগটি সংক্রামক, শারীরিকভাবে বেশ যন্ত্রণাদায়ক। এ রোগে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে।

চলতি বছরের হজযাত্রীদের জন্য মেনিনজাইটিসের টিকা বাধ্যতামূলক করেছে সৌদির সরকার। গতকাল রোববার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির ওমরাহ ও হজ মন্ত্রণালয়।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সৌদির নাগরিক ও হজের সময় আগত যাত্রীদের স্বাস্থ্যগত সুরক্ষা নিশ্চিতের অংশ হিসেবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ জানায়, হজযাত্রীদের ম্যানিনজাইটিস টিকা গ্রহণের প্রমাণপত্র বা টিকা সনদও সঙ্গে রাখার নির্দেশ দিয়েছে সৌদি সরকার । সৌদির বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর যদি কোনো যাত্রী টিকা সনদ প্রদর্শন করতে না পারেন, তাহলে তাকে ফেরত পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
সৌদির ওমরাহ ও হজ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা এ প্রসঙ্গে বলেন, হজের সময় সংক্রামক রোগের বিস্তার রোধ করা এখন সময়ের দাবি হয়ে উঠেছে। তাই টিকা গ্রহণ না করলে বা টিকার সনদ না থাকলে কোনো যাত্রীকেই হজের অনুমতি দেওয়া হবে না।
মস্তিষ্কের আবরণকে মেনিনজিস বলা হয়। মেনিনজিসের প্রদাহ হলে তাকে মেনিনজাইটিস বলে। সাধারণত নানা ধরনের জীবাণু দিয়ে সংক্রমণের কারণে এটি হয়ে থাকে। এই রোগটি সংক্রামক, শারীরিকভাবে বেশ যন্ত্রণাদায়ক। এ রোগে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।