
বিডিজেন ডেস্ক

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই শহরের দ্রুত গতির রেল ব্যবস্থা দুবাই মেট্রোর ব্লু লাইন ২০২৯ সালের ৯ সেপ্টেম্বর থেকে চালু হবে।
আজ বৃহস্পতিবার শহরটির সড়ক ও পরিবহন কর্তৃপক্ষ (আরটিএ) এ তথ্য জানায়।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ জানায়, রেড এবং গ্রিনের পর ব্লু হবে দুবাই মেট্রোর তৃতীয় লাইন। এই মেট্রো লাইনের দৈর্ঘ্য হবে ৩০ কিলোমিটার এবং স্টেশন থাকবে ১৪টি। এই মেট্রো লাইন দুবাই আন্তর্জাতি বিমানবন্দরের সঙ্গে রাস আল খোর ইন্ডাস্ট্রিয়াল এরিয়া, আল ওয়ারকা, মিরদিফ , দুবাই ক্রিক হারবারের আশপাশের এলাকাগুলোকে সংযুক্ত করবে।
আরটিএ জানায়, আগামী বছরের এপ্রিল থেকে দুবাই মেট্রোর তৃতীয় লাইন অর্থাৎ ব্লু লাইন প্রকল্পের কাজ শুরু হবে।
কর্তৃপক্ষ বলছে, দুবাই মেট্রোর রেড ও গ্রিন লাইনের সংযোগের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হবে ব্লু লাইন।
২০০৯ সালের ৯ সেপ্টেম্বর দুবাই শহরে মেট্রো রেলের কার্যক্রম শুরু হয়। বর্তমানে রেড এবং গ্রিন নামে এর দুটি লাইনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই শহরের দ্রুত গতির রেল ব্যবস্থা দুবাই মেট্রোর ব্লু লাইন ২০২৯ সালের ৯ সেপ্টেম্বর থেকে চালু হবে।
আজ বৃহস্পতিবার শহরটির সড়ক ও পরিবহন কর্তৃপক্ষ (আরটিএ) এ তথ্য জানায়।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ জানায়, রেড এবং গ্রিনের পর ব্লু হবে দুবাই মেট্রোর তৃতীয় লাইন। এই মেট্রো লাইনের দৈর্ঘ্য হবে ৩০ কিলোমিটার এবং স্টেশন থাকবে ১৪টি। এই মেট্রো লাইন দুবাই আন্তর্জাতি বিমানবন্দরের সঙ্গে রাস আল খোর ইন্ডাস্ট্রিয়াল এরিয়া, আল ওয়ারকা, মিরদিফ , দুবাই ক্রিক হারবারের আশপাশের এলাকাগুলোকে সংযুক্ত করবে।
আরটিএ জানায়, আগামী বছরের এপ্রিল থেকে দুবাই মেট্রোর তৃতীয় লাইন অর্থাৎ ব্লু লাইন প্রকল্পের কাজ শুরু হবে।
কর্তৃপক্ষ বলছে, দুবাই মেট্রোর রেড ও গ্রিন লাইনের সংযোগের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হবে ব্লু লাইন।
২০০৯ সালের ৯ সেপ্টেম্বর দুবাই শহরে মেট্রো রেলের কার্যক্রম শুরু হয়। বর্তমানে রেড এবং গ্রিন নামে এর দুটি লাইনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।