
বিডিজেন ডেস্ক

রমজান উপলক্ষে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বিভিন্ন দেশের ১ হাজার ২৯৫ জন বন্দীকে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান। এ ছাড়া, রমজানের শুভেচ্ছা স্মারক হিসেবে বন্দীদের যেকোনো ধরনের ঋণ পরিশোধে সহায়তার নির্দেশ দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ।
প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, তিনি চান যারা মুক্তি পাবে তারা যেন নতুন জীবন শুরু করতে পারে। তাদের পরিবার যে দুর্ভোগের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে, সেটি থেকে পরিত্রাণ পাবে।
আমিরাতে প্রায়ই বিভিন্ন উপলক্ষ এবং ধর্মীয় বিশেষ দিনে বন্দীদের মুক্তির নির্দেশ দেওয়া হয়।
২০২৪ সালে রমজান মাসকে সামনে রেখে ৭৩৫ জন বন্দীকে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছিলেন আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান।

রমজান উপলক্ষে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বিভিন্ন দেশের ১ হাজার ২৯৫ জন বন্দীকে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান। এ ছাড়া, রমজানের শুভেচ্ছা স্মারক হিসেবে বন্দীদের যেকোনো ধরনের ঋণ পরিশোধে সহায়তার নির্দেশ দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ।
প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, তিনি চান যারা মুক্তি পাবে তারা যেন নতুন জীবন শুরু করতে পারে। তাদের পরিবার যে দুর্ভোগের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে, সেটি থেকে পরিত্রাণ পাবে।
আমিরাতে প্রায়ই বিভিন্ন উপলক্ষ এবং ধর্মীয় বিশেষ দিনে বন্দীদের মুক্তির নির্দেশ দেওয়া হয়।
২০২৪ সালে রমজান মাসকে সামনে রেখে ৭৩৫ জন বন্দীকে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছিলেন আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।