
বিডিজেন ডেস্ক

সৌদি আরবের মক্কা অঞ্চলে প্রবল বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট বন্যার পানিতে গাড়ি ভেসে যাওয়ার পর চার বন্ধুর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, মাগরিবের নামাজ আদায় করে গাড়িটিতে করে একটি রেস্টহাউজে যাচ্ছিলেন চার বন্ধু। পথেই বন্যার পানিতে তারা আটকা পড়েন। পরে গাড়িটি বন্যার পানিতে ভেসে যায়।
আবদুল্লাহ আল জাহরানি নামে মৃতদের এক আত্মীয় বলেন, ‘আমাদের আবহাওয়া কেন্দ্রের সতর্ক বার্তা বিবেচনায় নেয়া উচিত ছিল। বৃষ্টিপাতের সময় সতর্কতা অবলম্বন করলে এই দুর্ঘটনা ঘটত না।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা যায়, মক্কা-মদিনার রাস্তাঘাট প্লাবিত, গাড়ি ও ভবন ডুবে যাচ্ছে এবং উপত্যকা ও নিচু এলাকাগুলোতে পানি জমে আছে। এমন পরিস্থিতিতে সম্প্রতি সৌদি আরবের পবিত্র শহর মক্কা এবং মদিনার পাশাপাশি পূর্ব অঞ্চলের শহরগুলোতে জারি করা হয় রেড অ্যালার্ট।
সৌদি আরবের সিভিল ডিফেন্স সার্ভিস ও রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, বন্যায় আটকে পড়াদের উদ্ধারের যাবতীয় প্রস্তুতি তাদের রয়েছে। পাশাপাশি বাসিন্দাদের ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বিশেষ করে সর্তকর্তা জারি থাকা এলাকায় না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সৌদি আরবের মক্কা অঞ্চলে প্রবল বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট বন্যার পানিতে গাড়ি ভেসে যাওয়ার পর চার বন্ধুর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, মাগরিবের নামাজ আদায় করে গাড়িটিতে করে একটি রেস্টহাউজে যাচ্ছিলেন চার বন্ধু। পথেই বন্যার পানিতে তারা আটকা পড়েন। পরে গাড়িটি বন্যার পানিতে ভেসে যায়।
আবদুল্লাহ আল জাহরানি নামে মৃতদের এক আত্মীয় বলেন, ‘আমাদের আবহাওয়া কেন্দ্রের সতর্ক বার্তা বিবেচনায় নেয়া উচিত ছিল। বৃষ্টিপাতের সময় সতর্কতা অবলম্বন করলে এই দুর্ঘটনা ঘটত না।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা যায়, মক্কা-মদিনার রাস্তাঘাট প্লাবিত, গাড়ি ও ভবন ডুবে যাচ্ছে এবং উপত্যকা ও নিচু এলাকাগুলোতে পানি জমে আছে। এমন পরিস্থিতিতে সম্প্রতি সৌদি আরবের পবিত্র শহর মক্কা এবং মদিনার পাশাপাশি পূর্ব অঞ্চলের শহরগুলোতে জারি করা হয় রেড অ্যালার্ট।
সৌদি আরবের সিভিল ডিফেন্স সার্ভিস ও রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, বন্যায় আটকে পড়াদের উদ্ধারের যাবতীয় প্রস্তুতি তাদের রয়েছে। পাশাপাশি বাসিন্দাদের ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বিশেষ করে সর্তকর্তা জারি থাকা এলাকায় না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।