
প্রতিবেদক, বিডিজেন

লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলিতে সাম্প্রতিক অস্থির পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে দেশটিতে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘর থেকে বের না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে লিবিয়ায় বাংলাদেশি দূতাবাস।
সোমবার (১২ মে) রাতে এক বার্তায় এ পরামর্শ দেওয়া হয়। এতে বলা হয়, ত্রিপোলিতে সাম্প্রতিক সশস্ত্র যানবহরের আগমন ও উদ্ভূত অস্থির পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে লিবিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সকল নাগরিককে নিজ নিজ বাসস্থানে অবস্থান করতে এবং নিরাপত্তার স্বার্থে অপ্রয়োজনে বাইরে বের না হওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে।
বার্তায় আরও বলা হয়, এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ দূতাবাস ত্রিপোলিতে অবস্থানরত সকল বাংলাদেশি নাগরিককে যথাযথ সতর্কতা অবলম্বনের পাশাপাশি নিজ নিজ বাসস্থানে অবস্থান করার আহ্বান জানাচ্ছে। একইসঙ্গে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সকলকে নিরাপদে থাকার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।

লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলিতে সাম্প্রতিক অস্থির পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে দেশটিতে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের সতর্ক থাকার পাশাপাশি ঘর থেকে বের না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে লিবিয়ায় বাংলাদেশি দূতাবাস।
সোমবার (১২ মে) রাতে এক বার্তায় এ পরামর্শ দেওয়া হয়। এতে বলা হয়, ত্রিপোলিতে সাম্প্রতিক সশস্ত্র যানবহরের আগমন ও উদ্ভূত অস্থির পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে লিবিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সকল নাগরিককে নিজ নিজ বাসস্থানে অবস্থান করতে এবং নিরাপত্তার স্বার্থে অপ্রয়োজনে বাইরে বের না হওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে।
বার্তায় আরও বলা হয়, এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ দূতাবাস ত্রিপোলিতে অবস্থানরত সকল বাংলাদেশি নাগরিককে যথাযথ সতর্কতা অবলম্বনের পাশাপাশি নিজ নিজ বাসস্থানে অবস্থান করার আহ্বান জানাচ্ছে। একইসঙ্গে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সকলকে নিরাপদে থাকার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।